ইস্কুলে ভূত

আকাশ কালো করে মেঘ জমেছে। চারিদিক অন্ধকার। ঝম ঝম করে বৃষ্টি পড়ছে। স্কুলের মাঠটায় জল দাঁড়িয়ে গেছে। গাছের শুকনো পাতাগুলো ভেসে ভেসে চলেছে। কাল ছোটকা কাগজ দিয়ে যে নৌকাটা বানিয়ে দিয়েছিল সেটা প্যান্টের ডান দিকের পকেটে রাখা আছে। একবার জলে ভাসিয়ে দিতে পারলে যা দারুন ভেসে ভেসে যাবে। ভাবতেই আনন্দ লাগছে  সমুর। – ‘সমু, কী … বিস্তারিত পড়ুন

সরল ও হাতি

সরল এখন খুব খুশি । কারণ সরল ইশকুলে ভর্তি হয়েছে । বাবু সরলকে ইশকুলে যেতে দিতে চায় নি, ক্ষেতের কাজে সরল আজকাল বেশ পোক্ত হয়েছে যে। কিন্তু পঞ্চায়েত থেকে বলেছে সব ছেলেমেয়েকে ইশকুলে পাঠাতেই হবে। ইশকুলের মাইনে, বইখাতা সব নাকি গরমেন্ট দেবে । দুপুর হলে পেট ভরে খিচুড়ি খেতেও দেবে । সেই শুনে বাবু রাজি … বিস্তারিত পড়ুন

আবিষ্কার

১ ‘ টুবলু, টুবলু, টুবলু উ উ উ ‘ মার গলা, অনেকক্ষন ধরেই শুনতে পাচ্ছি।  যাচ্ছি না ইচ্ছে করেই, মনে হচ্ছে এই বার না গেলে মার খাব। পা টিপে টিপে ঘরে ঢুকলাম। ‘একি অবস্থা করেছিস তুই?’ আমি নিজের দিকে তাকালাম। লাল হাফ প্যান্ট আর সবুজ গেঞ্জিতে মাটি মেখে একাকার। পায়ের মাটি তাজা। ঘরের মেছেতে ছোপছোপ … বিস্তারিত পড়ুন

কেকিকোকা, দ্য মুশকিল আসান

১ ছুটি পড়েছে স্কুলে। চার বন্ধু কিংশুক, কেকা, কাবেরী আর কোজাগর রোজ বিকেলে ক্যারাটে শিখতে যায় কাছাকাছি এক ক্লাবে। সেখান থেকে ফিরে জড়ো হয় পার্কে। একটু খেলাধূলো আর অনেকটা আড্ডা মেরে সন্ধ্যের সময় যে যার বাড়ি ফেরে। পার্কটাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে যে ‘সুচেতনা’ রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্স, এদের সবার বাড়ি সেখানেই। আজ পার্কে ঢুকে সাইকেলটাকে স্ট্যান্ড … বিস্তারিত পড়ুন

শঙ্কুমামার সুবর্ণ সুযোগ

রস্কোর জন্মদিনের কয়েকদিন আগে ব্যাপারটা জানতে পেরেছিল সে। মামাই ওকে বলেছিল। রস্কোর মামা কলেজে পড়ে। তবে মামার থেকেও বেশি রস্কো ভালবাসে মামার বন্ধু শঙ্কুমামাকে। শঙ্কুমামার আসল নাম রস্কোর জানা নেই। সে সত্যজিৎ রায়ের প্রোফেসার শঙ্কু সিরিজের সাংঘাতিক ভক্ত বলে মামা আর বাকি বন্ধুরা ওকে মজা করে শঙ্কু বলেই ডাকে। দারুণ ভাল গল্প বলতে পারে শঙ্কুমামা। … বিস্তারিত পড়ুন

ভাই ফোঁটা

ভাইফোঁটার দিনে আমার ছোট্ট দিদিও হঠাৎ বড় হয়ে যেত আমাকে আচমকা অবাক করে দিয়ে। ওই একটাই দিন – আগে পরে আবার দিদি ফিরে আসত আমার নিত্য দেখা দিদিতেই। সক্কাল সক্কাল আমার পিছনে লেগে, ঘুম ভাঙিয়ে দৌড়ে চলে যেত চান করতে। সদ্য স্নান সারা দিদিকে নতুন শাড়ি পড়িয়ে মা সাজিয়ে তুলতেন – যদিও একটু আলুথালু, একটু … বিস্তারিত পড়ুন

মিতুলের জলরহস্য

মিতুলের সেই ছোট্টবেলা থেকে খুব কিউরিওসিটি । সব কিছু জানবার এক অদম্য ইচ্ছে । এখন তার বয়স মাত্র নয় । তার মধ্যে তাদের পুরোণো বাড়ির নাড়ী-নক্ষত্র ঐটুকুনি ছেলের একেবারে নখদর্পণে । চিলেকোঠার মাচা থেকে শুরু করে নীচের গ্যারেজ ঘরের আলো-আঁধারি , সিঁড়ির তলা থেকে ঠাকুরঘরের বাসনকোসন রাখার জায়গা সর্বত্র তার অবাধ বিচরণ । বাড়ির পুরোণো … বিস্তারিত পড়ুন

বীর বালক

প্রতি বারের মত এবারও পিকনিকে যাবার ব্যবস্থা হল। যদিও সামান্য গরম পড়ে গেছে,ডিসেম্বর,জানুয়ারি মাস পার হয়ে গেছে। দেরী হলেও বছরে অন্তত একটা পিকনিক না হলে জমে না। মাত্র তিন পরিবার মিলেই ঠিক হল যাওয়া। প্রত্যেক বারের মত অত দশ পরিবার মিলে হই হল্লা করে পিকনিকে যাওয়ার ব্যাপারের মধ্যে মজাই আলাদা। কিন্তু তা এবার আর হল … বিস্তারিত পড়ুন

পুপাইয়ের গল্প লেখা

পুপাই আজ একটা গল্প লিখে ফেলেছে। বাবা, মা, দাদুভা্ই, দিয়া, ঠাম্মা, দাদু, মাসি, পিসি, কাকু, কাকি সবাই উদগ্রীব পুপাইয়ের গল্প শোনার জন্য। পুপাই বিজ্ঞান আর অংকে বেশ ভালো। কিন্তু পদ্য, গদ্য লিখতে বললেই সে পড়ে মহা ফ্যাসাদে। দুটো, তিনটে পেনসিল ভেঙ্গে, গালে টোকা মেরে, মাথায় গোঁত্তা মেরেও যখন পুপাইয়ের গল্প বেরোয় না, তখন পুপাইয়ের কাঁদা … বিস্তারিত পড়ুন

বিচিত্র বার্তালাপ

এবারের পুজো নিয়ে দীপদের ব্যস্ততার আর শেষ নেই। পঞ্চাশ বছরের পুজো বলে কথা! এমনিতেই এপাড়ার পুজোতে ছোটোদের ইনভল্ভমেন্ট ভালোই থাকে, এবার তো আরো বেশী। আস্ত একটা স্বেচ্ছাসেবকদের টিমই তৈরী হয়েছে ছোটোদের নিয়ে। দর্শনার্থীদের প্রয়োজনে জল দেওয়া, কেউ দাঁড়াতে না পারলে চেয়ার এগিয়ে দেওয়া, অঞ্জলিত সময়ে ফুল বেলপাতা বিতরণ করা – কাজ কি কম! আর দীপের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!