টাপ্পাস কি টুপ্পুস করিয়া – মুস্তাফা জামান আব্বাসী

জানের মাছ উঠছে খলখলিয়ে। বেশির ভাগ পুঁটি, খলশে, ডারকা, চেংটি, ছোট শোল, চ্যাং এবং দু-একটি ব্যাঙও। জান তৈরির বাঁশের মাচা একটু হলেই ছুঁয়ে যাবে জলাভূমির পানি। সারা দিন অশ্রান্ত বৃষ্টি, আকাশ কালো, মাঝে মাঝে ফরসা, আবার কালো হয়। কালো হলে শিরশির বাতাস বইতে থাকে আর পঙ্গপালের মতো মাছগুলো এসে চারিদিকে ঘুরতে থাকে। জালটা উঠলেই শত … বিস্তারিত পড়ুন

টিপু সুলতানের বাঘ – মাহবুব আলম

ফ্রান্সের সম্রাট ষোড়শ লুইয়ের দরবারেসুদূর হিন্দুস্তানের মহীশুর রাজ্য থেকে রাজদূত এসেছেন। প্রত্যাশা—ইংরেজদের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের রাজনৈতিক ও সামরিক সমর্থন লাভ। ফ্রান্সের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর বিপক্ষে সাহায্যের আবেদনে সম্রাট মোটেই বিস্মিত হননি, বরং খুশিই হয়েছিলেন। কিন্তু দূতদের পরের অনুরোধটিতে তিনি বেশ অবাক হলেন। কারণ, আবেদনটি ছিল অতি সামান্য, যা পূরণ করা সম্রাটের জন্য হেলাফেলার ব্যাপার। বিশ্বনন্দিত ফরাসি বিলাসসামগ্রী, সুগন্ধি … বিস্তারিত পড়ুন

হিজল ফুল ও অজ্ঞাতনামাবলি—মির্জা মুজাহিদ

যুবকটি দ্রত পায়ে হাঁটে, কোথায় যাবে জানে না। ফার্মগেট চৌরাস্তার কোণে দাঁড়িয়ে থাকে, তাকে অতিক্রম করে যায় দ্রুতগামী শহরের গাড়ি। সে গোনার চেষ্টা করে না। এভাবে কিছুক্ষণ প্রত্যহ সে দাঁড়িয়ে থাকে, তারপর হুট করে উঠে পড়ে মিরপুরের কোনো বাসে। মিরপুর, অনেক বেলা। সে কোথায় যাবে? একদিন তারও যাওয়ার জায়গা ছিল। একটা রাস্তা ছিল ব্যক্তিগত, হেমন্তের … বিস্তারিত পড়ুন

ঝরা পাতার ধ্বনি

আজ ইংরেজী নববর্ষ , ২০৪০ সাল । সুশীল সমাজ আয়োজিত ‘শান্তির বার্তা ‘ পদক বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে । প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত আছেন নারী সংগঠনের সম্মানিত চেয়ারম্যান বেগম মিলি সুলতানা । পুরষ্কার ঘোষিত হলো , এবারের শান্তির বার্তা পদক লাভ করেছেন, জনাব আরিফ সাহেবের পথশিশুদের নিয়ে গড়া প্রতিষ্ঠান ‘ঝরা পাতার ধ্বনি’ । আরিফ সাহেব … বিস্তারিত পড়ুন

পাপ ও পরিণতি—- মনোজিৎ কুমার দাস

গল্পগুলো আমার শোনা, তবে সবগুলোই লোক মুখ থেকে নয়। প্রত্যক্ষদর্শী, সাগরেদ কিংবা ভুক্তভোগেী ভিকটিমদের কাছ থেকে শোনা। লোক মুখে শোনা গল্পও যে তা কিন্তু নয়। দুষ্কৃতি যত গোপনেই খারাপ কাজ করুক না কেন , তা এক সময় না এক সময় প্রকাশ হয়ই। প্রথম গল্পটা যে কোন লোকের মুখ থেকে নয়, লম্পটার এক সাঙাতের মুখ থেকে … বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিবিম্বন—- পলাশ কুমার পাল

বৃষ্টি ভেজা মেঘাচ্ছন্ন রাত। ঘড়ির কাঁটা প্রায় বারোটার ঘর ছুঁতে চায়। হাতে স্টিয়ারিং, ক্লান্ত চোখ সারিবদ্ধ ল্যামপোস্টের আলোয় পথ বের করে যায়। মৃণ্ময় যেন আজ বেশী বিধ্বস্ত। ক’দিন শরীরটাও ভালো নেই। তবু অফিসের কাজের চাপ। রাত পর্যন্ত কাজ। প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি, করার কিছু নেই- জোঁকের মতো রক্ত চুষে খায়। এইসব সাত-পাঁচ ভাবনা মাথায়। হঠাত্ মৃণ্ময়ের … বিস্তারিত পড়ুন

বৃক্ষছায়া —– মকৃষ্ণ ভট্টাচার্য সান্যাল

কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ট্রেনে এসে নামল, অমল হাসিমারা ষ্টেশনে । ষ্টেশন থেকে বেরিয়েই দেখতে পেলো- অমল বোস “ ডুবপাড়া টি এষ্টেট” লেখা একটা বোর্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে, একজন। প্লেনে যাবার কথা বলেছিল কোম্পানি, কিন্তু বাবার বাধা । কে জানে, প্লেনে আবার কি সব গণ্ডগোল হচ্ছে আজকাল । কাছে যেতেই লোকটা নমস্কার করে বলেছিল :- স্যার, আপনিই তো … বিস্তারিত পড়ুন

বিধান—- নির্মলেন্দু কুন্ডু

—”না,না,তুমি যা বলছো,তা কিছুতেই সম্ভব নয় ৷” —”কেন সম্ভব নয় অর্চিতা ! আমার প্রতি তোমার কী কোন ফিলিংস নেই ?” —”আছে,তবে সেটা নিখাদ বন্ধুত্বের ৷” — শুধুই কী বন্ধুত্বের ?তাহলে আমি আঘাত পেলে তোমার অত কষ্ট হয় কেন ? জ্বর হলে কেন বুবাইকে নিয়ে আমার বাড়িতে এসে সময় কাটাও ? কেন মন্দিরে আমার নামে পুজো … বিস্তারিত পড়ুন

আত্মশুদ্ধি—- সম্বুদ্ধ সান্যাল

হাত দিয়ে কপালটা ঘষতেই কেমন যেন বালিময় লাগলো। কতক্ষণ এভাবে বসে আছি জানিনা। পেছন থেকে আরো একটা লোকাল ট্রেন বেড়িয়ে গেলো। ক’টা বাজে তাও জানিনা। রেললাইনের অপর পাশে বাড়ির গাছগুলোর ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে সূর্য্যটা নিভু নিভু। বোধহয় ঘুমিয়েই পড়েছিলাম খানিক। মাথাটা বড় ঝিমঝিম করছে। বাচ্চাদুটো খেলছিলো যে, তারাও বোধ হয় চলে গেছে। ভাইবোনই হবেমনে … বিস্তারিত পড়ুন

কলকীর কথা—– তাপসকিরণ রায়

ফুক ফুক করে বিড়ি টানছিল গনশা। ঘোতনার ওপর ভীষণ রাগ হচ্ছিলো। কলকীর সঙ্গে তার ভাব ঘোতনা জানে। তবু কি দরকার কলকীরে ফুসলাবার ? গণশা নিজের মনে গর্জে ওঠে—ঘোতনা,তরে এমন কড়ইকে দেব, বাপের নাম ভুইলে যাবি! গনশার ঘর নাই, ফুটপাতে তার রাত্রি বাস। গতর খেটে দিনান্তে যা পায় তাতে শরীর বেঁচে যায়। কলকী তার মার সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!