ছোট গল্প : বড় আপু

সেই বেলা তিনটা থেকে বার তের বছরের একটি কিশোর হেঁটে চলছে দিনাজপুর শহরের রাস্তার ফুটপাত ধরে। খুঁজে ফিরছে মহাজন পাড়া উত্তর ফরিদপুর এর ৩৩ নং বাড়িটা। কিন্তু তিন চার ঘণ্টা খুঁজেও বাড়িটার সন্ধান পায়নি। এদিকে দিনমণি তার আলো গুটিয়ে বিদায়ের হাতছানি দিয়ে লুকিয়ে গেছে পশ্চিমাকাশে। প্রকৃতি তিমিরের চাদরে আবৃত হওয়ার সাথে সাথে প্রকৃতিতে নেমে এসেছে … বিস্তারিত পড়ুন

অতি কৌতুহলের ফল

বিশ্বদীপ মামা বলল অতি কৌতূহল ভলো নয়। অতি কৌতূহলের ফলও ভালো হয়না। আমরা বললাম, কেন? এ ব্যাপারে গল্পের ঝুলিতে কিছু গল্প রয়েছে নাকি? শুনি তাহলে। বিশ্বদীপ মামার গল্পের ঝুলি কখনো খালি হয় না। অতি কৌতূহল বিষয়ক একটা গল্প ঝুলিতে রয়েছে দেখতে পাচ্ছি, তবে গল্পটা ঝুলিতে ঢুকে পড়েছে কিভাবে সেটা কিন্তু বলতে পারব না। শোন তবে, … বিস্তারিত পড়ুন

বুলু পুকুরে যাও

একবার সেজদার মাথায় ম্যাজিক ভর করল। আমার তখন কতই বা বয়স? ক্লাস টু বা থ্রি-তে পড়ি। আজ থেকে প্রায় বছর কুড়ি-বাইশ আগেকার কথা। যাই হোক, সেবার গ্রামের বাড়ি গিয়েই সেজদার পাল্লায় পড়লাম। আমায় পাকড়াও করে নিয়ে এল নিজের ঘরে – “এই দ্যাখ।” একটা দু’টাকার নোট তুলে দেখালো সেজদা – “এটাকে আমি ভ্যানিশ করে দেব।” উৎসুক … বিস্তারিত পড়ুন

গোল বাঁচাল কালু মিঁয়া

মানসদের স্কুলে সেবার নানা ছুটি জুড়েটুড়ে একটা মিড-টার্ম ব্রেক হয়ে গেলো। প্রাণের বন্ধু শুভময়ের আদি বাড়ি তিলডাঙা, ওর দাদু-কাকারা এখনও সেখানে থাকেন – এই মওকায় সে সেখানে ঘুরে আসবে ঠিক করলো। মানসের কোনো প্ল্যান নেই শুনে শুভময় ওকে ধরে ঝুলোঝুলি শুরু করলো সঙ্গে আসার জন্য। শেষ অবধি মা-বাবার হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্ট থেকে অনুমোদন আদায় করা গেলো … বিস্তারিত পড়ুন

আশ্রয়ের খোঁজে

মুখ গোমড়া থমথমে মেঘলা আকাশ থেকে সাত সকালে ঝির ঝিরে বৃষ্টির দুষ্টুমি শুরু হল। মনটা আনন্দে নেচে ওঠে। আর তক্ষুনি মনের আনন্দে মা ভৈরবী তানে গলা সাধত শুরু করে। আমিও মায়ের সুরে সুর মেলানোর চেষ্টা করি, যদিও সেটা বেসুরো হচ্ছে তবুও মা মুচকি হাসি হেসে আমাকে উৎসাহিত করছে। এদিকে বাবাও কখন ঘুম জড়ানো চোখে হেঁড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

উপসংহার

“এরকম ছবি কারা তোলে?… কি রকম ক্যামেরা দিয়ে এইসিব ছবি তোলে?… কোন দেশে এরকম দেখা যায়?…” এক কালে, গ্রীষ্মের দুপুরগুলো এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতেই কেটে যেত। যদিও তার বহু আগে ছাত্রজীবনকে বিদায় জানানো হয়ে গেছে, তবু তখন আমার গ্রীষ্মের ছুটি। খড়গপুরে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় অযাচিত ভাবেই জীবনে গ্রীষ্মের ছুটি আবার ফিরে এসেছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

আস্থা

ছোট্ট শানুর দু দিন আগেই আট বছর পূর্ণ হল। সেই উপলক্ষে বাড়ীতে একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। মা, ঠাম্মি,কাজের মাসি মিলে কিছু স্পেশাল রান্না করেছিলেন আর বাবা ফ্লুরিস থেকে একটা বিশাল কেক এনেছিলেন। অতিথি বলতে ছিলেন মামা, পিসি আর কাকুরা। বেলুন দিয়ে ঘর’টা সাজানো হয়েছিল। প্রত্যেকেই নানান উপহার দিয়েছেন, কিন্তু তারমধ্যে কোনটাই শানুর ভীষণভাবে চাওয়া সেই … বিস্তারিত পড়ুন

অ্যালজেব্রা

পিসির বাড়ি বেড়াতে এসে একদিনের মধ্যেই বেশ বুঝলাম যে এই জায়গাটা অদ্ভূত। এমনটা যেন আগে কোথাও দেখেনি। প্রথমেই যেটা চোখে লাগল তা হচ্ছে এখানে মিষ্টির দোকানের নাম ‘সরকার জ্ঞানভান্ডার’। প্রথমে মনে হল বোধহয় শখ করে দিয়ে থাকবে। তারপরে দেখি আরেকটা দোকানের নাম ‘জ্ঞানের মজারু সন্দেশ’, তারপর আরেকটায় ‘জ্ঞানগম্যি মিষ্টান্ন ভান্ডার’। দেখছি আর ভাবছি এ আবার … বিস্তারিত পড়ুন

পাপাঙ্গুল আর অনিফিশ

পাপাঙ্গুলকে তোমরা অনেকেই চেনো। সেই পাপাঙ্গুল… “নিল মাথাতে সবুজ রঙের চুল”…এই গল্পটা সেই পাপাঙ্গুলের…যখন সে তার ছাঁকনি চড়ে সাগরপারি দিল। তারপর, অনেকদিন অনেক রাত গেছে কেটে, সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে …পাপাঙ্গুলের নৌকো যখন অনেক ঝর অনেক ঢেউ পেরিয়ে এসে পৌঁছল এক মাঝ সমুদ্রে, সমুদ্রের ঢেউ ততক্ষণ অনেকটা শান্ত হয়ে গেছে। ছাঁকনিতে বাঁধা সবজেটে রুমালটা খুব আলতো … বিস্তারিত পড়ুন

মানতুর যাদু ছক্কা

মানতু এক বছর বারো-তেরোর ছেলে। ছোটবেলায়ই সে মা-বাবাকে হারিয়েছে, কাকা-কাকীমার কাছে মানুষ। কাকার দিলটা ছিলো দরাজ, কিন্তু আর্থিক সামর্থ্য ছিলো সীমিত। তার মধ্যেই তিনি মানতুর যতটা সম্ভব দেখভাল করতেন। নিজের ছেলেমেয়েদের সাথে স্কুলে পাঠিয়ে তাকে লেখাপড়া শেখাতেন। মানতু খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করতো। তবে তার ঝোঁক ছিলো আঁকাজোকা আর গানবাজনার দিকে। সে স্বপ্ন দেখতো, বড় … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!