গোয়াল ঘরে একদিন অতঃপর একটি ভ্রমণ কাহিনী

সিলেটে ঘুরে দেখার মতো অনেক জায়গা আছে। চাইলেই একজন পর্যটক প্রকৃতির কোলে হারাতে পারেন। আমার পছন্দের তিনটি জায়গা আছে। যে তিনটি জায়গা আমাকে কাছে টানে তার প্রথমটি হলো সিলেট, তারপর নেত্রকোনার সুসং দূর্গাপুর এবং পাহাড়িকন্যা রাঙ্গামাটি। সিলেটের প্রতি ভালো করে দেখতে না পারার অতৃপ্ততা আমাকে বারবার যেন কাছে টানে। দূর্গাপুরের প্রতি আছে বিশেষ এক দূর্বলতা।রাঙ্গামাটির … বিস্তারিত পড়ুন

আশ্রয়ের খোঁজে

মুখ গোমড়া থমথমে মেঘলা আকাশ থেকে সাত সকালে ঝির ঝিরে বৃষ্টির দুষ্টুমি শুরু হল। মনটা আনন্দে নেচে ওঠে। আর তক্ষুনি মনের আনন্দে মা ভৈরবী তানে গলা সাধত শুরু করে। আমিও মায়ের সুরে সুর মেলানোর চেষ্টা করি, যদিও সেটা বেসুরো হচ্ছে তবুও মা মুচকি হাসি হেসে আমাকে উৎসাহিত করছে। এদিকে বাবাও কখন ঘুম জড়ানো চোখে হেঁড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

উপসংহার

“এরকম ছবি কারা তোলে?… কি রকম ক্যামেরা দিয়ে এইসিব ছবি তোলে?… কোন দেশে এরকম দেখা যায়?…” এক কালে, গ্রীষ্মের দুপুরগুলো এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতেই কেটে যেত। যদিও তার বহু আগে ছাত্রজীবনকে বিদায় জানানো হয়ে গেছে, তবু তখন আমার গ্রীষ্মের ছুটি। খড়গপুরে একটি স্কুলে শিক্ষকতা করার সময় অযাচিত ভাবেই জীবনে গ্রীষ্মের ছুটি আবার ফিরে এসেছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

আস্থা

ছোট্ট শানুর দু দিন আগেই আট বছর পূর্ণ হল। সেই উপলক্ষে বাড়ীতে একটা ঘরোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে। মা, ঠাম্মি,কাজের মাসি মিলে কিছু স্পেশাল রান্না করেছিলেন আর বাবা ফ্লুরিস থেকে একটা বিশাল কেক এনেছিলেন। অতিথি বলতে ছিলেন মামা, পিসি আর কাকুরা। বেলুন দিয়ে ঘর’টা সাজানো হয়েছিল। প্রত্যেকেই নানান উপহার দিয়েছেন, কিন্তু তারমধ্যে কোনটাই শানুর ভীষণভাবে চাওয়া সেই … বিস্তারিত পড়ুন

অতি কৌতুহলের ফল

বিশ্বদীপ মামা বলল অতি কৌতূহল ভলো নয়। অতি কৌতূহলের ফলও ভালো হয়না। আমরা বললাম, কেন? এ ব্যাপারে গল্পের ঝুলিতে কিছু গল্প রয়েছে নাকি? শুনি তাহলে। বিশ্বদীপ মামার গল্পের ঝুলি কখনো খালি হয় না। অতি কৌতূহল বিষয়ক একটা গল্প ঝুলিতে রয়েছে দেখতে পাচ্ছি, তবে গল্পটা ঝুলিতে ঢুকে পড়েছে কিভাবে সেটা কিন্তু বলতে পারব না। শোন তবে, … বিস্তারিত পড়ুন

বুলু পুকুরে যাও

একবার সেজদার মাথায় ম্যাজিক ভর করল। আমার তখন কতই বা বয়স? ক্লাস টু বা থ্রি-তে পড়ি। আজ থেকে প্রায় বছর কুড়ি-বাইশ আগেকার কথা। যাই হোক, সেবার গ্রামের বাড়ি গিয়েই সেজদার পাল্লায় পড়লাম। আমায় পাকড়াও করে নিয়ে এল নিজের ঘরে – “এই দ্যাখ।” একটা দু’টাকার নোট তুলে দেখালো সেজদা – “এটাকে আমি ভ্যানিশ করে দেব।” উৎসুক … বিস্তারিত পড়ুন

গোল বাঁচাল কালু মিঁয়া

মানসদের স্কুলে সেবার নানা ছুটি জুড়েটুড়ে একটা মিড-টার্ম ব্রেক হয়ে গেলো। প্রাণের বন্ধু শুভময়ের আদি বাড়ি তিলডাঙা, ওর দাদু-কাকারা এখনও সেখানে থাকেন – এই মওকায় সে সেখানে ঘুরে আসবে ঠিক করলো। মানসের কোনো প্ল্যান নেই শুনে শুভময় ওকে ধরে ঝুলোঝুলি শুরু করলো সঙ্গে আসার জন্য। শেষ অবধি মা-বাবার হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্ট থেকে অনুমোদন আদায় করা গেলো … বিস্তারিত পড়ুন

অদ্‌-ভূত প্রতিশোধ

আজ জমিদার চণ্ডীকা চরণ চৌধুরীর পারলৌকিক কাজ – হৈ হৈ ব্যাপার। দুই মেয়ে সপরিবারে এসেছে এ ছাড়াও দূর দূর থেকে আসা অনেক আত্মীয় স্বজনে এত বড় জমিদার বাড়ি একেবারে গম গম করছে। দুপুরে জমিদারির ছয় সাতটা গ্রামের প্রায় হাজার দুয়েক লোক পাত পেড়ে খাবে পাশের মাঠে – সেখানে বিরাট বিরাট সামিয়ানা খাটানো হয়েছে আর একদিকে … বিস্তারিত পড়ুন

ছুটি আর ছুটির মন

আজ সকাল থেকেই ছুটির মনটা তাধাই নাধাই আগাডুম্ বাগাডুম্‍ তিড়িং বিড়িং করছে। পড়ায় মন নেই। অবাধ্য মন কেবলই ছুটে যাচ্ছে বই থেকে। মা বাবা পিন্টুকাকুর বাড়ি গেছেন। পিন্টুকাকুর বাড়ি বাবা, মা প্রায়ঃশই যান। পিন্টুকাকু বাবার কেমন যেন দূরসম্পর্কের ভাই হন। মা যাবার সময় বলে গেছেন সব হোমওয়ার্ক শেষ করে রাখতে। হোমওয়ার্ক করা তো দূরের কথা। … বিস্তারিত পড়ুন

পিন্টু ও একটি চশমা

ঘড়ির দিকে আরেকবার তাকালাম। প্রায় সাড়ে সাতটা। ইতিহাসটা নিয়ে বসেছি বটে, কিন্তু চোখদুটো খুব বেশিক্ষন বইয়ের পাতার দিকে থাকছে না। অন্যান্য দিন ইতিহাস পড়তে বসলে এই সময়ে রানা প্রতাপের চৈতক লাফ দিয়ে পেরিয়ে যায় দুই পাহাড়ের মধ্যের গভীর খাদ বা পৃত্থীরাজের ঘোড়া টগবগিয়ে পিছনে ফেলে দেয় পিছু নিয়ে আসা সৈন্যের দল নাহলে কখনো কখনো দুই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!