রহমত মিয়া !

রহমত মিয়া অনেক দিন হলো মাছ ধরে নদীতে খালে-বিলে। মাছ যারা ধরে তাদের সবার-ই কোন না কোন ভৌতিক ঘটনা আছে। রহমত মিয়ারও আছে কিন্তু এগুলো শুধু অন্যের কাছে বলার জন্য গল্প। রহমত মিয়া জীবনে কোনদিন ভয় পায় নাই এবং পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। এইতো সেবার হিন্দুপাড়ার শ্বশানের পাশের নদীতে মাছ ধরতে যেয়ে লক্ষিন্দর এতবার ডাকার পরও … বিস্তারিত পড়ুন

পুনর্জাগরন

খুব গরম পড়েছে। মাথার উপর ফ্যান চলছে। কিন্তু গরম কমার লক্ষণ নাই। কেমন যেন ভ্যাপসা গরম। কয়টা বাজে? ঘড়ির দিকে তাকিয়ে দেখলাম পৌনে সাতটা। নাহ! সময় আজকে আর যাবে না। সবাইকে সাড়ে সাতটায় মধ্যে ফয়সালের বাসায় আসতে বলা হয়েছে। এখনও অনেক সময় বাকি। গরমে অস্থির লাগছে। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে নিলাম – কে কে আসল … বিস্তারিত পড়ুন

গল্পঃ ফোঁড়া

মিরাজের ছোট্ট রোজকার জীবনে ছোট্ট একটা পরিবর্তন এসেছে! বাসার কেউ খেয়াল করেনি, করার মত ফুসরত মা হারা সাত ভাই-বোনের এই টানাটানির সংসারে নেই্, সংসারের চাকাটা সচল রাখতে উদয়াস্ত পরিশ্রম করছেন বাবা। তাই পঞ্চম শ্রেণীর একটি বালক বিকেল বেলা মাঠে না গিয়ে বই-খাতা নিয়ে পিছনের বিল্ডিংয়ের হাবিবদের বাসায় যাওয়াটা নীরবেই চলতে থাকে। হাবিবের মা হাবিবকে কলোনীর … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প: বিশ্বাসঘাতক

হালকা আলোকিত রুমটাতে একটা মাত্র ছায়ামুর্তি। তার হাতে জলন্ত সিগারেট। রুমের মধ্যে ছটফট করছে সে। যেন খাঁচায় বন্দি কোন পাখি! রুমের বিরাট টেবিলটার উপর শুধু একটা ল্যাপটপ। হালকা আলো কম্পিউটারটার মধ্য থেকে টিকরে বেরিয়ে রুমে একটা মায়াবী আবহ সৃষ্টি করেছে। হঠাৎ ছটফটানি থামিয়ে টেবিলের দিকে এগিয়ে এলো ছায়ামুর্তিটা। মেইল এড্রেস চ্যাক করতে গিয়েই নতুন মেইলটা … বিস্তারিত পড়ুন

বেওয়ারিশ

‘লোকটার বুক পকেটে একটা রঙ পেন্সিলের বাকশো আছে’-বাচ্চাদের কেউ একজন বলল। ‘তুই মরছ রঙ পেন্সিল লইয়া’-বড়দের কেউ একজন ধমকে উঠে। আরেকজন বলে, ‘আহা, কে করল এমন নিষ্ঠুর কামডা’! মাত্রই দেখে এসে একজন বর্ণনা দিচ্ছে, ‘ফুলহাতা শার্ট ইন করে পরা; পায়ের মোজা দেখে বুঝা যায় সু পরা ছিল। শার্ট আর প্যান্টের পকেট খুইজা এক বাকশো রঙ … বিস্তারিত পড়ুন

নষ্টনীড়-নবম পরিচ্ছেদ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সকল কথা ভূপতি চারুকে বলিতে পারে নাই। উমাপদ ভূপতির কাগজখানির কর্মাধ্যক্ষ ছিল। চাঁদা আদায়, ছাপাখানা ও বাজারের দেনা শোধ, চাকরদের বেতন দেওয়া, এ-সমস্তই উমাপদর উপর ভার ছিল। ইতিমধ্যে হঠাৎ একদিন কাগজওয়ালার নিকট হইতে উকিলের চিঠি পাইয়া ভূপতি আশ্চর্য হইয়া গেল। ভূপতির নিকট হইতে তাহাদের ২৭০০ টাকা পাওনা জানাইয়াছে। ভূপতি উমাপদকে ডাকিয়া কহিল, “এ কী ব্যাপার! … বিস্তারিত পড়ুন

নষ্টনীড়-দশম পরিচ্ছেদ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অমল স্থির করিল, বউঠানের সঙ্গে মোকাবিলা করিতে হইবে, এ কথাটার শেষ না করিয়া ছাড়া হইবে না। বোঠানকে যে-সকল শক্ত শক্ত কথা শুনাইবে মনে মনে তাহা আবৃত্তি করিতে লাগিল। মন্দা চলিয়া গেলে চারু সংকল্প করিল, অমলকে সে নিজে হইতে ডাকিয়া পাঠাইয়া তাহার রোষশান্তি করিবে। কিন্তু একটা লেখার উপলক্ষ করিয়া ডাকিতে হইবে। অমলেরই একটা লেখার অনুকরণ করিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

নষ্টনীড়-একাদশ পরিচ্ছেদ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

পরদিন ভূপতি আবার অসময়ে শয়নঘরে আসিয়া চারুকে ডাকাইয়া আনাইল। কহিল, “চারু, অমলের বেশ একটি ভালো বিবাহের প্রস্তাব এসেছে।” চারু অন্যমনস্ক ছিল। কহিল, “ভালো কী এসেছে।” ভূপতি। বিয়ের সম্বন্ধ। চারু। কেন, আমাকে কি পছন্দ হল না। ভূপতি উচ্চৈঃস্বরে হাসিয়া উঠিল। কহিল, “তোমাকে পছন্দ হল কি না সে কথা এখনো অমলকে জিজ্ঞাসা করা হয় নি। যদি বা … বিস্তারিত পড়ুন

নষ্টনীড়-দ্বাদশ পরিচ্ছেদ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ইতিমধ্যে কাগজখানা তুলিয়া দিতে হইল। ভূপতি খরচ আর জোগাইয়া উঠিতে পারিল না। লোকসাধারণ-নামক একটা বিপুল নির্মম পদার্থের যে সাধনায় ভূপতি দীর্ঘকাল দিনরাত্রি একান্ত মনে নিযুক্ত ছিল সেটা এক মুহূর্তে বিসর্জন দিতে হইল। ভূপতির জীবনে সমস্ত চেষ্টা যে অভ্যস্ত পথে গত বারো বৎসর অবিচ্ছেদে চলিয়া আসিতেছে সেটা হঠাৎ এক জায়গায় যেন জলের মাঝখানে আসিয়া পড়িল। ইহার … বিস্তারিত পড়ুন

নষ্টনীড়-ত্রয়োদশ পরিচ্ছেদ-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ভূপতি বর্ধমানে গিয়া অমলের বিবাহ-অন্তে তাহাকে বিলাতে রওনা করিয়া ঘরে ফিরিয়া আসিল। নানা দিক হইতে ঘা খাইয়া বিশ্বাসপরায়ণ ভূপতির মনে বহিঃসংসারের প্রতি একটা বৈরাগ্যের ভাব আসিয়াছিল। সভাসমিতি মেলামেশা কিছুই তাহার ভালো লাগিত না। মনে হইল, ‘এই-সব লইয়া আমি এতদিন কেবল নিজেকেই ফাঁকি দিলাম–– জীবনের সুখের দিন বৃথা বহিয়া গেল এবং সারভাগ আবর্জনাকুণ্ডে ফেলিলাম।’ ভূপতি মনে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!