হুমায়ূন আহমেদের চশমা

হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুর পর তাকে নিয়ে কিছু লিখিনি। পরের বছরও কিছু লিখতে পারিনি। এবার বেশ কিছুদিন আগে থেকে চিন্তা করেছিলাম মৃত্যু দিবসে কিছু লিখবো । সেই কারনেই এই লেখার অবতারনা। লেখাটা কোন ধরনের উচ্চমার্গের বিশ্লেষন না , কিংবা তার প্রশংসাগাথা বা নির্মম সমালোচনাও না । নেহাত একজন প্রাক্তন ভক্তের সাদাসিধে স্মৃতিচারন। ইচ্ছা ছিলো হুমায়ূনের বই … বিস্তারিত পড়ুন

ক্রুভিয়াস কিংবা এক জোড়া চোখের গল্প

১। মন্দিরের এই দিকটা অর্নির ভীষণ প্রিয়। কিছুটা নিরিবিলি আবার গাছ পালারও কমতি নেই। তবে সমস্যাটা হয় বিকেলের দিকে। ছোট ছেলেরা খেলতে আসে পাশের মাঠটাতে, ভীষণ হৈ চৈ করে। অবশ্য নিশু বলে এই হৈ চৈ দেখতে ভীষণ ভাল লাগে তার। অর্নির যে খুব খারাপ লাগে তাও কিন্তু না। তবে নিশুর সাথে একা সময় কাটাতে ভালবাসে … বিস্তারিত পড়ুন

কাকের গল্প- আইভি চট্টোপাধ্যায়

এ বছরে খুব গরম পড়েছে। ভোর না হতেই রোদের তাত বাড়তে থাকে, আর বিকেল গড়িয়ে সন্ধে নামলেও গরম কমে না। মাঝে মাঝে বিকেলের দিকে একটু বাতাস দেয়। কিন্তু চারদিকে বড় বড় উঁচু উঁচু বাড়ি, আকাশ দেখা যায় না এমন উঁচু বাড়িও আছে। ঘরে ঘরে যে বেশ বাতাস খেলে বেড়াবে সে উপায় নেই। এবছর তেমন করে … বিস্তারিত পড়ুন

গোফাগুন–কুলদা রায়

মাকে বলব না। কাউকে বলব না। বলা যাবে না। সকাল থেকেই রোদ উঠেছে। ফুল ফুটেছে। হাতি নাচছে। ঘোড়া নাচছে। আজ অন্য কিছু হবে। ভিন্নতর কিছু হবে। যে লোকটিকে চিনি তাকে তো চিনিই না। দাদা বলল, চল না, চল না যাই। দাদা বলছে যাবে। দাদা কিন্তু যাবে না। অথচ যেতে চায়। অধীর হয়ে বলছে, চল না … বিস্তারিত পড়ুন

“বটগাছ”– মোঃ জাহিদুল ইসলাম

করিম মিঞা একজন সাধারণ মানুষ। বাবার আদি ভিটে মাটিতেই নিজের আবাস গেরে আছেন। জায়গা-জমি যা ছিলো একে একে সব বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে জায়গা-সম্পত্তি বলতে এ পৈতৃক ভিটেটাই আছে। করিম মিঞার বাবা সৈয়দ শওকত মিঞা সবসময় বলতেন, আশে-পাশের চার-দশ গ্রামের সবার সম্পদ বিক্রি করলেও তাঁর ভিটের সম্পদের মত কেউ প্রভাবশালী হতে পারবেনা। করিম মিঞা শুনেছে … বিস্তারিত পড়ুন

সানাইয়া–রহস্য গল্প

  মধ্য প্রাচ্যের একটি দেশ কাতার । আমার ভাইয়া কাতার আর্ম-ফোর্স এ চাকরী করে । ভাইয়ার কাছ থেকে ঘটনাটি শুনে বিশ্বাস করলাম, তার একটি কারন ভাইয়া মিথ্যা বলেনা, দ্বিতীয় কারন যে বিষয় নিয়ে ভাইয়া ঘটনাটি বলেছে তাতে মিথ্যা বলার প্রশ্নই আসে না । ঘটনাটি হচ্ছে…… ভাইয়ার খুব ভাল বন্ধু জমির ভাই । আমি ছোট বেলা … বিস্তারিত পড়ুন

সাপ্পোরো ষ্টেশন

হোক্কাইডো বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেইন গেট থেকে বের হয়ে ডান দিকে পাঁচ মিনিট হাঁটলেই সাপ্পোরো ষ্টেশন । বেশ বড় ষ্টেশন । এই সাপ্পোরো ষ্টেশন কে কেন্দ্র করে আছে অনেক গুলো শপিং সেন্টার দোকান আর রেস্টুরেন্ট সাপ্পোরো শহরটা অনেকটা পর্যটক কেন্দ্রিক । প্রতি দিন থাকে অনেক লোক সমাগম এবং বিদেশি পর্যটকের ভিড় । এই শহরটা বেশ সুপরিকল্পিত … বিস্তারিত পড়ুন

পণরক্ষা–রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-৪র্থ অংশ

নাই, ঘর নাই তবু ঘরের অভাব নাই, সম্মুখে অন্ধকার রাত্রি আসিতেছে তবু সে নিরুদ্‌বেগে নিরুদ্দেশের অভিমুখে ছুটিয়া চলিয়াছে— এই কথা ভাবিতে ভাবিতে রসিক একদৃষ্টে জলের স্রোতের দিকে চাহিয়া বসিয়া রহিল— বোধ করি তাহার মনে হইতেছিল, দুর্বহ মানবজন্মটাকে এই বন্ধনহীন নিশ্চিন্ত জলধারার সঙ্গে মিশাইয়া ফেলিতে পারিলেই একমাত্র শান্তি। এমন সময় একজন তরুণ যুবক মাথা হইতে একটা … বিস্তারিত পড়ুন

পণরক্ষা–রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-৫ম অংশ

শুভলগ্নে বিবাহ হইয়া গেল। অন্যান্য সকলপ্রকার দানসামগ্রীর আগে রসিক একটা বাইসিক্‌ল্‌ দাবি করিল। তখন মাঘের শেষ। সরষে এবং তিসির ফুলে খেত ভরিয়া আছে। আখের গুড় জ্বাল দেওয়া আরম্ভ হইয়াছে, তাহারই গন্ধে বাতাস যেন ঘন হইয়া উঠিয়াছে। ঘরে ঘরে গোলা-ভরা ধান এবং কলাই; গোয়ালের প্রাঙ্গণে খড়ের গাদা স্তূপাকার হইয়া রহিয়াছে। ওপারে নদীর চরে বাথানে রাখালেরা গোরুমহিষের … বিস্তারিত পড়ুন

পণরক্ষা–রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-১ম অংশ

বংশীবদন তাহার ভাই রসিককে যেমন ভালোবাসিত এমন করিয়া সচরাচর মাও ছেলেকে ভালোবাসিতে পারে না। পাঠশালা হইতে রসিকের আসিতে যদি কিছু বিলম্ব হইত তবে সকল কাজ ফেলিয়া সে তাহার সন্ধানে ছুটিত। তাহাকে না খাওয়াইয়া সে নিজে খাইতে পারিত না। রসিকের অল্প কিছু অসুখবিসুখ হইলেই বংশীর দুই চোখ দিয়া ঝর‌্ঝর্ করিয়া জল ঝরিতে থাকিত। রসিক বংশীর চেয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!