কেটলির গুঞ্জন

মা যখন রান্না ঘরে রান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকেন তখন সেখানে ঘুর ঘুর করতে ভালই লাগে। ঠিক কিনা বল? এখন একবার রান্নাঘরে ঢুঁ মারলে কেমন হয়? দেখত মা কি করছেন? বোধ হয় কেটলি করে চায়ের জল চাপিয়েছেন গ্যাসের উপর। চল দেখি কেটলিটাকে নজর করি ! কিছু শুনতে পাচ্ছ? না, কিছুই শোনা যাচ্ছে না তো ! আরে … বিস্তারিত পড়ুন

গাবলু আসলে হেনরি

তোমরা কি গাবলুকে চেনো? সেই ছোট্ট নেড়া মাথা ছেলেটাকে? যে দুহাত পকেটে পুরে শিষ দিতে দিতে নানারকম কান্ড বাধিয়ে ফেলতে পারে! ক্যান্ডি আর আইসক্রিম খেতে সে বড্ড ভালোবাসে। যারা এখন বেশ বড়, তারা ছোটবেলায় গাবলুর দেখা পেতে “আনন্দমেলা*”র পাতায়, মনে পড়ে কি? কিন্ত গাবলু তো আসলে হেনরি। বাংলা পত্রিকায় কি আর হেনরি নামটা ভাল লাগে? … বিস্তারিত পড়ুন

গরু আর গাধার মজার গল্প

এক কৃষকের ছিল একটি গাধা ও একটি গরু। কৃষক বোঝা আনা-নেওয়া ও চলাচলের বাহন হিসেবে গাধাকে ব্যবহার করতো আর গরু দিয়ে হালচাষ করতো। গম ও ধান মাড়াইয়ের কাজেও গরুকে ব্যবহার করা হতো। একদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একনাগাড়ে কাজ করে গরু যখন ঘরে ফিরলো তখন অতিরিক্ত পরিশ্রমের কারণে ক্লান্ত হয়ে একা একাই বিড়বিড় করে কী … বিস্তারিত পড়ুন

ঘুড়ি ওড়ানোর মজা

বাড়ির চারিদিকে কুয়াশা ঘিরে রয়েছে…আর পিপলি রোজ সকালে ক্যালেন্ডার দেখে মিলিয়ে নিচ্ছে সরস্বতী পুজো কবে। কিন্তু তোমার মনে প্রশ্ন উঁকি মারতেই পারে পিপলি রোজ কেনো ক্যালেন্ডার দেখে দিন গুনছে। সরস্বতী পুজোর আনন্দ তো আছেই…তার সাথে আছে ঘুড়ি ওড়ানোর এক দারুন মজা। পিপলি তার ছোড়দাকে ফোন করে বলেছে কাঁচের শিশি গুঁড়োতে, পিসিকে বলেছে কাঁচা বেল পাড়তে। … বিস্তারিত পড়ুন

টাট্টু ঘোড়া আয়েগা

টাট্টু ঘোড়া আয়েগা হোন্ডাওলা আয়েগা ফুল প্যান্টালা আয়েগা হাফপ্যান্টালা আয়েগা ঘোড়াটা ছুটছে। অশ্বমেধ যজ্ঞ। বছরকাল ফুরালেই অপেক্ষায় মৃত্যু – বিত্তের জন্য, শৌর্যের জন্য, বীর্যের জন্য হতে হবে বলি। তারপরও কী মধুর স্বাধীনতা! সময়ের দড়ি দিয়ে কষে বাঁধা পবিত্র স্বাধীনতা। অন্তত আর মেপে মেপে পা ফেলা নয়। দুর্বিনীত খুড়ের ধাক্কায় ধুলা ছিটানো চলে। পথটা কি এতটা … বিস্তারিত পড়ুন

টিয়ামন্ত্র

ক. সুগোল জাম্বুরা আর বিড়াল-বেলুনের সমার্থক ছিল দূর্গাবিষর্জন। আমার ইচ্ছে ছিল এই বিষয়টি নিয়ে কিছু কথা বলবার। কিন্তু আমার ছোট বোন, আমার পিঠেপিঠি টুনটুনি বোন এসে হাজির হয়। তাকে নিয়েও গল্প বলা যেতে পারে। কারণ, সে ভেবেছিল, ঈশ্বর হয়তো বাবার মতো মানুষ অথবা বাবাই ঈশ্বর। আশলে সেসময় এক-দুই-তিন করে ডিকবাজি দিচ্ছিল শৈশব। তাই আমি, আমার … বিস্তারিত পড়ুন

স্বামী – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সৌদামিনী নামটা আমার বাবার দেওয়া। আমি প্রায়ই ভাবি, আমাকে এক বছরের বেশি ত তিনি চোখে দেখে যেতে পাননি, তবে এমন করে আমার ভিতরে বাহিরে মিলিয়ে নাম রেখে গিয়েছিলেন কি করে? বীজমন্ত্রের মত এই একটি কথায় আমার সমস্ত ভবিষ্যৎ-জীবনের ইতিহাসটাই যেন বাবা ব্যক্ত করে গেছেন। রূপ? তা আছে মানি; কিন্তু না গো না, এ আমার দেমাক … বিস্তারিত পড়ুন

ছোট্ট পাখি

একবার খুব বৃষ্টি হয়েছিল, মনে আছে? ওই যে সারাদিন সারারাত বৃষ্টি হলো! খেলার মাঠ পানিতে ডুবে গেল, আর স্কুল বন্ধ হয়ে গেল বলে আমরা ঘরে বসে রইলাম, মনে আছে? সেই বছরের ঘটনা। অমন বৃষ্টিতে এক কৃষকের সব ফসল তলিয়ে গেল পানির নীচে। তার কাছে টাকা-পয়সা নেই। ঘরে খাবারও নেই। এখন কী হবে! ক্ষেতের ফসল নষ্ট … বিস্তারিত পড়ুন

শূন্যে ওড়ে ফুলকি ও ছাই

সবাই বলে বিষফোঁড়। অভিজাত এলাকার পাশে বলেই হয়তো। কেউবা উল্টো। নুন-তেল-পানির মতই প্রয়োজনীয় এই ঝুপড়ি ঘরগুলো। ভাতের ফ্যান খেয়ে থাকার মত অভাব আর নেই এই ছোটলোকদের। কাজ আছে, ভাতকাপড় আছে, মাথা গোজার ঘরও আছে। বস্তিটা বেশ পুরোনো। যিনি ফি বছর কম্বল বিতরণ করেন তিনিই দখলদার। এ পাড়ার কেউ কেউ তার ভাই-বেরাদার। আমি তার পাড়াতো না … বিস্তারিত পড়ুন

কাকতাড়ুয়াদের আকাশ

অদ্ভুত এক বিকেলে ঝন্টুর সাথে পরিচয়। ঝাঁকড়া চুল, পাগলাটে দৃষ্টি আর বড় বড় চোখে একরাশ চকমকি পাথরের দ্যুতি নিয়ে ক্যাম্পাসে হেঁটে বেড়াতো ও। ইকোনমিক্স নিয়ে পড়া ছেলেরা হয় খুব বুকিশ নয় কাঠখোট্টা। কিন্তু ঝন্টু ছিলো অন্যরকম। ঝন্টুর ভালো নামটা খুব সুন্দর ছিলো— ‘নন্দিত রহমান’। কিন্তু ক্যাম্পাসে আমরা কেউ ওকে ওর ভালো নামে ডাকতাম না। কোন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!