ধর্মের খাবার

ক্ষুধার্ত ছেলেটি একলা রাস্তায় হাঁটছে । খিদের জ্বালায় চোখের সামনে মাঝে মাঝে সবকিছু অন্ধকার হয়ে আসছে , ভিড়ের পিছনে চলতে চলতে অবশেষে ক্লান্ত হয়ে বসে পড়ল ,জায়গা টা সে চেনে না , কেউ তাড়িয়ে দেবার আগের সময়টুকু যদি জিড়িয়ে নেওয়া যায় । হঠাৎ একজন তার সামনে একটা শালপাতা রেখে দিয়ে গেল , কিছু বোঝার আগেই … বিস্তারিত পড়ুন

কঙ্ক

বিকেলের রোদটা সবে গড়িয়ে পড়ছে। সব পাখিরা দিনের শেষে আগামী দিনের কাজ গুছিয়ে নিতে নিজেদের মধ্যে আলোচনায় বসেছে। আর কিছু তরুণ পাখি মনের আনন্দে আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে সুতো ছেঁড়া ঘুড়ির মতো, গন্তব্যহীন। আর কঙ্ককেই কিনা মন খারাপ করে বসে থাকতে হচ্ছে ঘরে। ওর বাবা মাও আসেনি এখনো। চলে আসবে খুব তাড়াতাড়ি, প্রতিদিন এমন সময়ই ফেরে … বিস্তারিত পড়ুন

খানিকটা তামার তার — হেমেন্দ্রকুমার রায়

মানিক চেঁচিয়ে পড়ছিল খবরের কাগজ শ্রোতা হচ্ছে জয়ন্ত। সে চোখ বুজে ইজিচেয়ারে শুয়ে আছে। তার মুখে বিরক্তির লক্ষণ । কোন খবরে নূতনত্ব নেই। খুনীরা খুন করছে সেই পুরাতন উপায়ে। চোররাও চুরি করবার নূতন পথ আবিষ্কার করতে পারছে না। সাধু এবং অসাধু সব মানুষই হচ্ছে একই বাঁধা পথের পথিক। মানিক একটা নূতন খবর পড়ছে : ‘ … বিস্তারিত পড়ুন

আঁধারে আলো – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় –পঞ্চম পরিচ্ছেদ

বিবাহ করিয়া যজ্ঞদত্ত বধূ ঘরে আনিল।বিকারগ্রস্ত রোগী ঘরে লোক না থাকিলে যেমন সমস্ত শক্তি এক করিয়া জলের ঘড়াটার পানে ছুটিয়া গিয়া আঁকড়াইয়া ধরে, সুরমা তেমনি করিয়া নূতন বধূকে আলিঙ্গন করিল। নিজের যতগুলি গহনা ছিল পরাইয়া দিল, যতগুলি বস্ত্র ছিল সমস্ত তাহার বাক্সে ভরিয়া দিল। শুষ্কমুখে সমস্ত দিন ধরিয়া বধূ সাজাইবার ধুম দেখিয়া যজ্ঞদত্ত মুখ চুন … বিস্তারিত পড়ুন

ডিম

বাড়ি ফেরার পথে তোমার মৃত্যু হয়। এটা ছিলো একটা দুর্ঘটনা। তেমন আহামরি কিছু নয়, তবে প্রাণঘাতী। ভালো ব্যাপার হলো মৃত্যুটা ছিলো যন্ত্রণাহীন। মৃত্যুকালে তুমি রেখে গেছ তোমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে। ডাক্তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলো তোমাকে বাঁচানোর। কিন্তু লাভ হয়নি কোনো। তোমার শরীর পুরো চুরমার হয়ে গেছিলো। বিশ্বাস করো, মারা গিয়েই ভালো হয়েছে। আর তার … বিস্তারিত পড়ুন

রুপালি মল — মো. আনোয়ার হোসেন

ভোরের আলোয় প্রথম যা নজরে পড়লো তা একটি রুপালি মল। এ নামটি বলাই হয়তো সংগত। মলটি আসলেই রুপার কিনা সে কথাও ভাবনায় এসেছে আনসার সাহেবের। গোড়ালি ছাড়িয়ে মলটি লুটিয়ে ছিল যে পায়ে তার আঙ্গুলগুলো সুন্দর। লাল নেইল পালিশ সরু ফর্সা আঙ্গুলগুলোকে আরো মোহনীয় করেছে। মাঝখানের দুটো আঙ্গুলে রুপালি আংটি। রমনা পার্কের লেক ঘেঁষা সিমেন্টের বেঞ্চে … বিস্তারিত পড়ুন

একটি অনুগল্প…

সত্যব্রত মাঝি। মাঝির পুরো নাম। সবার কাছে ও মাঝি বা মাঝিদা এসব নামেই পরিচিত। আজ উইক এন্ড। ও দেরী করে ঘুম থেকে ওঠেনা। জীবন টা শুরু করেছিল চাটারড ফার্মে কাজ দিয়ে। অনেক জাগায় ঘুরতে হয়েছে। ধরতে হয়েছে ভোরের ট্রেন। তাই সকালে ওঠা ওর বরাবরের অভ্যেস। আজ ও সকাল সকাল উঠে পড়েছে। আট টার মধ্যে স্নান … বিস্তারিত পড়ুন

এক রুহুলের গল্প

বাড়ি থাকলেও আজিজ সাহেবের গাড়ি নেই। শখ ছিল- গাড়ি কিনবেন, কিন্তু সেই পরিমাণ টাকা জমছে না। তাতে অবশ্য অসন্তুষ্ট নন তিনি। হাঁটতে পছন্দ করেন তিনি। কিন্তু দরকারি কোন কাজ তাড়াতাড়ি শেষ করার ব্যাপার এলেই মুশকিল বাঁধে। আবার দূরের কাজ হলে তো রিকসা লাগবেই। আজিজ সাহেবের একটা গুন হলো রিকসায় চড়লেই চালকদের সঙ্গে ভাব জমাতে পারেন। … বিস্তারিত পড়ুন

নবাবের অষ্টাদশ পর্ব মহাভারত কথা –গোপাল ভাঁড়ের গল্প

একবার মুর্শিদাবাদের নবাবের খেয়াল হল, হিন্দুদের মত আমাকে নিয়ে মহাভারত রচিত হোক। যেমনি ভারা তেমনি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের কাছে নির্দেশ পাঠালেন, আপনাদের অর্থাৎ হিন্দুদের অনুকরণে, তাকে নিয়ে একটি নতুন মহাভারত পন্ডিতদের দিয়ে লিখে দিতে হবে একমাসের মধ্যে। সেইরূপ পন্ডিত অতি শীঘ্র নবাব দরবা পাঠান। যিনি রচনা করবেন তাঁকে প্রচুর ‍আসরাফি পুরষ্কার দেওয়া হবে। নবাবের চিঠি পেয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

নিশুতি

মেয়ের ঝলমলে জামাটার দিকে তাকিয়ে মন কেমন করে ওঠে মুকুলের। খুব খুশি হয়ে উঠেছে ওর পাঁচ বছরের মেয়েটা, জামাটার মতোই ঝলমল করছে ওর মুখটা। পিঁড়ির উপর বসে মেলায় কেনা আচারটা চেটেপুটে খাচ্ছে ও। এবার পূজোয় কিছু কিনবে না কিনবে না করেও মেয়ের জন্য এই জামাটা না কিনে পারেনি মুকুল, আর কারও জন্যই কিচ্ছুটি কেনেনি। আরতি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!