চর্যাচর্য গল্প বিনিশ্চয় — মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন

এক সে শুণ্ডিনী দুই ঘরে সান্ধই। চীঅন বাকলত বারুণী বান্ধই।। সহজে থির করি বারুণী সান্ধ। জে অজরামর হোই দিঢ় কান্ধ।। দশমি দুয়ারত চিহ্ন দেখিআ। আইল গরাহক আপনে বহিআ।। চউশঠী ঘড়িয়ে দেউ পসারা। পইঠেল গরাহক নাহি নিসারা।। এক খড়ুলী সরুঅ নাল। ভনন্তি বিরুআ থির করি চাল।। আধুনিক বাংলা: এক সে শুঁড়িনী দু’ঘরে ঢোকে। চিকঅ (গাছের) বাকল … বিস্তারিত পড়ুন

এক বাদলের গল্প – অবনী চারিতা

কার ছেলে তুমি, জিজ্ঞেস করতেই শান্ত স্বরে সাত-আট বছরের ছেলেটি বলল, বেশ্যার ছেলে আমি। অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম আমি, কি বলছে এই ছেলে! আমার ভিতরে ঝড়ের মত উন্মাদনা শুরু হল। পার্কে এসেছিলাম একটু হাওয়া খাবার জন্যে, ভিক্টোরিয়া পার্ক আমাদের জগন্নাথ কলেজের সামনেই, প্রতিদিনই কলেজে ঢোকার সময় গাঢ় লিপস্টিক পরা মেয়েদের দেখি, ছোট ছোট বাচ্চাদের দেখি … বিস্তারিত পড়ুন

ট্রেন দুর্ঘটনায় ছাত্র ও ভয়াবহ অভিজ্ঞতার গল্প—- মো. আবুসালেহ সেকেন্দার

রাত ১২টা ১১, এমএ ক্লাসের ছাত্র মামুনের ফোন। এত রাতে ছাত্রের ফোন দেখে অবাক হয়েছি। প্রথমে মনে করেছি শিক্ষকদের ধর্মঘট ক্লাস-পরীক্ষা সম্পর্কে হয়ত খোঁজখবর নেয়ার জন্যই সে ফোন করেছে। অন্য চিন্তাও কাজ করেছে, এত রাতে ফোন কোনো বিপদ ঘটেনি তো! আমার পরের আশঙ্কাই সত্যি হয়। ফোন রিসিভ করতেই, স্যার আপনি কোথায়? আমাদের বিভাগের সপ্তম ব্যাচের … বিস্তারিত পড়ুন

দুপুরে তরুলতা -=— সুব্রত মন্ডল

সন্ধ্যার বিষণ্ণতা আমায় কুরে কুরে খায়। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর হাল্কা হিমেল হাওয়া যেন প্রলয়ের সংকেত বয়ে আনে। বাস ট্যাক্সি মিনি প্রতিটি যাত্রীযানই পরিপূর্ণ। নিত্য অফিস যাত্রীরা দিশাহারা। জীবনযুদ্ধের এ দৃশ্যপট আমার ক্লান্তি আরও গাঢ়তর করে। বাড়ি ফেরার কোন তাগিদ আমি অনুভব করি না। চঞ্চলা বালিকা, আধুনিকা যুবতী আর অতি আধুনিকা প্রৌঢ়ার দল নিজ নিজ … বিস্তারিত পড়ুন

অপাঙক্তেয় বসবাস—- মুর্শিদা জামান

বিকেল এখানে একাই আসে। বলে যায় চলে যাওয়া সকালের কথা। তারপর নিরবচ্ছিন্ন ক্লান্ত রাত। নিজের সাথে নিজেরই বসবাসের রাত। এসব বেহিসেবি সময়ের খোঁজ নিতে ইচ্ছে হয় না মেহরাবের। তবুও এই ঝরঝরে বিকেলে নিজের সাথে কথোপকথনে ও দেখল অনেকগুলো দিন আর রাতে যেন নেই হয়ে গেছে। হাতড়ে পাওয়া গেল না তাদের। রাতের পর রাত ক্রমাগত লিখে … বিস্তারিত পড়ুন

মনঃদর

বাড়ির দারোয়ানটি আহাদ সাহেবকে এসে জানালো রাস্তায় একটাও ট্যাক্সি নাই । বদমেজাজি আহাদ সাহেব কি বলবেন কিছুই বুঝতে পারলেন না , শুধু মিন-মিনিয়ে দাঁত চাবিয়ে বলতে লাগলেন “ব্যাটা সময় পেলেই রাস্তায় দাড়িয়ে বিড়ি টানবে , তুই কি গাড়ি খুঁজেছিস।” যেতেই যখন হবে তখন বাধ্য হয়ে আহাদ সাহেব নিজেই নামলেন গাড়ি ঠিক করতে । তিনি নিজেও … বিস্তারিত পড়ুন

উর্দু আতা হ্যায়? : লুৎফর রহমান রিটন

দু’হাজার দুই এর মাঝামাঝি সময়। সদ্য এসেছি কানাডায়। প্রতিবেশী কারো সঙ্গেই তেমন একটা পরিচয় হয়ে উঠেনি। একটু একটু করে গুছিয়ে নিচ্ছি নিজেকে। নতুন করে সংসার পাতা হচ্ছে আবারো। চেয়ার-টেবিলের হাত-পা-পিঠ-কোমরগুলো আলাদা আলাদা প্যাকেটে পৌঁছে দিয়ে গেছে স্ট্যাপলস্ নামের দোকানের কর্মীরা। এখন এই চেয়ার-টেবিলগুলোকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে হবে। ওদের দেহের বিচ্ছিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো মেনুয়াল অনুযায়ী খাপে-খাপ … বিস্তারিত পড়ুন

পূর্ণদৈর্ঘ্য আজগুবি কাহিনী

প্রচন্ড রাগ নিয়ে নিজের রুমে প্রবেশ করল রুমু! রাগে কিছু ভাঙতে ইচ্ছে করছিল তার! টেবিলের উপর দুটো গ্লাস পেয়ে তা ই ভেঙে রাগ কিছুটা কমানোর চেষ্টা করলো! কিন্তু রাগ কমছে না! তার বাবার প্রচন্ড ক্ষেপে আছে সে! তাকে না বলেই তার বাবা তার বিয়ে ঠিক করে ফেলেছে! ছেলে দেখতে কেমন বা হাত-পা-নাক-মুখ এইসব ঠিকঠাক, এসব … বিস্তারিত পড়ুন

হা -ডু-ডু—- ঝর্ণা চট্টোপাধ্যায়

মা ষষ্ঠীর কৃপায় আমার দিদিমায়ের ছেলেপুলের অভাব ছিল না। পুত্রকন্যা সব মলিয়ে নয়টি সন্তান ছিল তাঁর। আমার মায়েরা ছিল পাঁচবোন ও চার ভাই। সব ভাই বোনেদের প্রায় ছয়টি করে সন্তান। সন্তানে সন্তানে ছয়লাপ একেবারে। প্রথম চারজনের চব্বিশটি, বাকি পাঁচজনের মিলিয়ে বারোটি। অর্থাৎ দিদিমার নাতি-নাতনীর সংখ্যা ছত্রিশটি । এই বিশাল বাহিনী জমায়েত হত বছরে একবার পুজোর … বিস্তারিত পড়ুন

তির্যক— ত্রিভুবন মুখার্জী

আমার গল্পের নায়িকা উচ্চ মধ্যবিত্ত ঘরের এক মহিলা। তিনি সর্ব গুণসম্পন্না এক ভারতীয় নারী। শিক্ষিতা, উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ও ওডিষি নৃত্যেও পারদর্শী । বলতে গেলে প্রতিভাসম্পন্না নারী । তা সেই মেয়েটিকে নিয়ে আমার গল্প লেখা কেন ? তার মনে , আচরণে প্রেম-প্রীতির যে ছবি আমি দেখেছিলাম সেটাই আমার গল্প লেখার কারণ । মেয়েটির নাম পায়েল । … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!