দেববশিশু———-ইমদাদুল হক মিলন

  এইটুকু ভুলের জন্য এত বড় মাসুল দিতে হবে কল্পনাও করেননি সাদেক সাহেব। তিনি কাজ করেন একটা পাবলিশিং হাউসে। নাম ‘ছাত্রবন্ধু প্রকাশন’। মূলত নোট গাইড প্রকাশ করে। এই লাইনে দেশের এক নম্বর প্রকাশনা। মালিকের নাম মশিউর রহমান। এখনো পঞ্চাশ হয়নি বয়স। তুখোড় তরুণ। ষোলো বছর আগে আমেরিকা থেকে পড়াশোনা শেষ করে এলেন। বিবিএ, এমবিএ দুটোই … বিস্তারিত পড়ুন

শুঁড়———রশীদ হায়দার

  গল্পটি বলার চেষ্টা করছি ১৯৫৩ সালের জুলাই থেকে। বহুবার লিখতে বসেছি, দশ-বারো লাইন, দেড় পাতা-দুপাতা লেখার পর মনে হয়েছে, ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছে তা আসছে না, কিছুতেই আসছে না। ব্যর্থতায়, অসমর্থতায় নিজেকেই গালমন্দ করেছি, বড় বড় লেখক কীভাবে লেখেন বোঝার জন্য অনেক লেখা পড়েছি, এমনকি আমার নিজের লেখাও, যা একটু-আধটু প্রশংসা পেয়েছে, সেগুলোও পড়েছি, পড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

তিনটি প্রশ্ন ———লিও টলস্টয়

এক রাজার কাছে হঠাৎ মনে হল যে তিনি যদি কোন কাজ করবার একদম উপযুক্ত সময়টি জানতে পারতো, ঠিক কোন ধরণের ব্যক্তির কোন কথা শুনতে হবে তা যদি আগের থেকেই জানতে পারতো বা কোন ধরণের লোক এড়িয়ে চলতে হবে তা আগের থেকেই বুঝতে পারতো এবং সবকিছুর উপরে, তিনি যদি আগের থেকেই জানতো কখন কোন কাজটি করা … বিস্তারিত পড়ুন

শকুন——-

        ঐ যে আকাশে চক্কর কাটছে, ওগুলো কি শকুন? আসাদুল হক ভাবতে ভাবতে কখন প্রশ্নটা উচ্চারণ করে ফেলেন, নিজেও টের পান না। পাশের চেয়ারে বসে একটা পুরনো ম্যাগাজিনে চোখ বুলাচ্ছিলো আলী সুজা, সে চোখ তুলে তাকিয়ে ঘোঁৎ করে একটা শব্দ করে বলে, “ঢাকা শহরে শকুন আসবে কোত্থেকে?” আসাদুল হক নিজের ভাবনার উত্তর … বিস্তারিত পড়ুন

তাবিজনামা—রাশেদ রহমান

আমাদের বয়স কম, গ্রামে কতকিছু ঘটে; দিনেও ঘটে, রাতেও ঘটে; আমরা ওসব দেখেও দেখি না, কানেও তুলি না। ওসব দেখার বা শোনার সময় কই আমাদের! আমরা সাঁঝবেলা মা কিংবা দাদির বকুনি খেয়ে ঘরে না-ফেরা পর্যন্ত, সারাদিনমান ভীষণ ব্যস্ত থাকি। ডাংগুলি খেলা, বনে-বাদাড়ে রাজঘুঘুর বাসা খুঁজে বেড়ানো কিংবা দিগম্বর               হয়ে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়া; সাঁতার কেটে যমুনার … বিস্তারিত পড়ুন

চোরের স্যান্ডেল————-বদরুন নাহার

  আবদুর সাত্তার আজ হাঁটতে পারছেন না। যদিও কোহিনূর পাবলিক লাইব্রেরি থেকে তিনি হেঁটেই বাড়ি ফেরেন। কিন্তু আজ তাঁর পায়ে বড় অস্বস্তি, এমনকি খানিকটা কুটকুটে অ্যালার্জি সমস্ত পায়ে জড়ো হয়েছে আর তাতে হাত নিশপিশ করে উঠলে হাতে ধরা বইটি পড়ে যায়, উবু হয়ে তা তোলার ফাঁকে ভাবেন খানিকটা পায়ে নোখের অাঁচড় বসিয়ে নেবেন কিন্তু পারলেন … বিস্তারিত পড়ুন

আর খিদে থাকার কথা না——সুশান্ত মজুমদার

হাড্ডি ঠাটে চামড়ার পাতলা খোসা প্যাঁচানো না থাকলে বুড়োকে কিছুতেই প্রাণী মনে হতো না। কোলবাঁকা এই কাঠোমোর চোয়াল চিমসে, মাতায় চুলের নামে আছে উস্কোখুস্কো আগাছা, দুই চোখের কোয়া ঘোলা, তক্ষকের পেটের মতো খরখরে ছবি মিলিয়ে বুড়োকে ইতর জন্তু বলেও শনাক্ত করা যায়। আশ্চর্য! বুড়োর সামর্থ্যের সব শাঁস ফুরালেও কানে সে কম শোনে না। আশপাশের সাড়াশব্দ, … বিস্তারিত পড়ুন

ডেকচি— জান্নাতুন নাঈম প্রীতি

সে মেলাদিন আগের কথা,সোহাগপুর গ্রামে একটা ডেকচি কেনা হয়েছিল এককালে। এতবড় ডেকচি সে গ্রামের ছেলেপুলেরা আগে কখনো দেখেনি। মসজিদের শিরনী রান্না হত এই ডেকচিতে, বিয়ের পোলাও রান্না হত এই ডেকচিতে। ডেকচি দিয়ে কাজের অন্ত ছিলোনা গ্রামের লোকের, আবার কাজ ফুরালে গালি দেয়ারও অন্ত ছিলোনা। গালি দেয়ার কেন অন্ত ছিলোনা সেই ঘটনাটা বিতং করে বলাই ভালো। … বিস্তারিত পড়ুন

সময়ের গল্প – ইকবাল মাহমুদ

সন্ধ্যেবেলা। বিকেলে আলো ম্রিয়মান হয়ে রাত্রির আঁধারে ডুবে যেতে না যেতেই হিম কুয়াশা চারপাশ ঢেকে দিয়েছে সাদা চাদরে। ব্যস্ত-ত্রস্ত লোকজন তাদের দিনের দেনা পাওনা মিটিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ঘরে। কিছু মানুষ-যাদের আশ্রয় বলতে গভর্নমেন্টর কালো পিচ-তারা শুকনো পাতা জমিয়ে শহরের প্রধান সড়কে জ্বেলে নিয়েছে আগুন। একটু উষ্ণতায় শরীর ঢাকবে বলে। কেউ বা চাদরে শরীর ঢেকে আশ্রয় … বিস্তারিত পড়ুন

দিন ফাল্গুন সকালে — শামসুজ্জোহা মানিক

সেদিন ছিল ফাল্গুনের মিঠে রোদ মাখানো সকাল। সুজন সকালের সব কাজ শেষ করে একটা বই নিয়ে বসেছিল। এমন সময় রেখা এসে উপসি’ত হয়। রেখার সঙ্গে সুজনের পরিচয় তার এক বন্ধু হাসান সাহেবের বাসায়। হাসান সাহেবের বাসায় সুজন মাঝে মাঝে যায়। আর সেখানে গেলে অনেক সময় রেখার সঙ্গে তার দেখা হয়। হাসান সাহেব যে বাসায় থাকেন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!