পুষ্প ধনু – সৈয়দ মুজতবা আলী

রস কি? অর্থাৎ যখন কোনো উত্তম ছবি দেখি, কিংবা সরেস সঙ্গীত শুনি, অথবা ভালো কবিতা পড়ি, কিংবা নটরাজের মূর্তি দেখি, তখন যে রসানুভূতি হয় সে রস কি, এবং সৃষ্ট হয় কি প্রকারে? এ রসের কাছাকাছি একাধিক রস আছে। গোয়েন্দা কাহিনী পড়ে, ধাঁধার উত্তর বের করে, মনোরম সূর্যোদয় দেখে, প্রিয়াকে আলিঙ্গন করে যে সব রসের সৃষ্টি … বিস্তারিত পড়ুন

ষষ্ঠীর দিন কৈলাসে— অমিতাভ প্রামাণিক

কৈলাসে শিবের বাড়িতে আজ থ্রী ইডিয়ট্‌সের পার্টি । বৌ-বাচ্চা পাঁচদিনের ছুটি নিয়ে বাপের বাড়ি গেছে, শিবের তাই এখন পোয়াবারো । নন্দীকে বলা আছে সুপার রিফাইণ্ড কয়েক জালা চুল্লু বানিয়ে রাখার জন্যে । ভৃঙ্গী গেছে উপযুক্ত চাটের ব্যবস্থা করতে । ষাঁড়টার এখন কোন কাজ নেই, সে বসে বসে ঢুলছে, আর মাঝে মাঝে হাই তুলে জাবর কাটতে … বিস্তারিত পড়ুন

হারামি আর হারামিরা— নীলাব্জ চক্রবর্তী

বাস থেকে নেমে খিদে পেয়ে গেছিলো হারামির। কিছু পরে দ্যাখা যায় কচুরির দোকান থেকে বেরিয়ে আসছে সে। ‘বাবু, হামকো দোঠো কচোরি খিলাইয়ে না’ একটা মৃদু স্বর তার বাঁদিক থেকে আসছে টের পায় হারামি। প্রায় বুড়ো লোকটা। সেমি-আড়চোখে একবার মেপে নেয় হারামি। আর, স্রেফ ইগনোর করে। মাফ করো বা ঐ টাইপের কিছুও বলে না। সে শুনতেই … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প —- গৌতম যুথিপুত্র

“আরে এ মা , সুখিকাকা নাইরে , সুখিকাকা পলাইছে….আরে এ মা…সুখিকাকা পলাইছে বটে। দু-পাশে বিস্তীর্ণ চাষের জমি । তার বুক চিরে চলে যাওয়া হাইওয়েটা শুয়ে আছে নিথর অজগরের মতো । দিন নেই রাত নেই দানবের মত বড় বড় ট্রাকগুলো দৌড়ে চলেছে সেই পথ বরাবর । রঘুনন্দনের নজর এল একদিন হঠাৎই ট্রাকগুলো সার বেঁধে দাঁড়িয়ে গেল … বিস্তারিত পড়ুন

আমার গল্প—– কৌস্তভ ভট্টাচার্য

অফিসে কার্ড পাঞ্চিং মেশিনটা রোজ যখন বিপ বিপ শব্দ করে কার্ডটা পাঞ্চ করলে – মনে হয় একটা টাইমবোমার দিকে হাত এগিয়ে দিচ্ছি। আজকাল সব সিগারেট খুব পানসে লাগে। নেশাদের বয়েস বেড়ে যাচ্ছে। বাসে সিট না পেলে রোজ রোজ দু’তিনটে যাত্রীকে খুন করে ফেলি-ঘুম ভাংলে দেখি তারা আমার জন্য জায়গা ছেড়ে নিজের নিজের স্টপে নেমে গেল। … বিস্তারিত পড়ুন

অনুরক্ত—- সুমেরু মুখোপাধ্যায়

এত বড় শো নিউইয়র্ক মোমায় এর আগে হয়নি। এই পোড়া দেশের মিডিয়া চিত্রকর-ভাস্করদের নিয়ে কোনওকালেই উৎসাহী ছিল না। কিন্তু তারকার সমাহার হলে মিডিয়াকুল নড়ে বসে। টাকা দেখলে কাঠের পুতুলও হাঁ করে। ব্যাণিজ্য তো লক্ষীকে অবধি সুড়সুড় করে টেনে নামায়। এই শোতে টাকা ঢালতে ভারতের বড় বড় শিল্পপতিরা যেচে এসেছেন। তাদের নিয়ে লেখা হয়। তারকারা তাদের … বিস্তারিত পড়ুন

বৃষ্টির গন্ধ—- জয়াশীষ ঘোষ

পাড়াগাঁয়ে ঝুপ করে সন্ধ্যে নামে। বাড়ির সামনের বুড়ো আমলকী গাছটায় পাখিগুলো রোজকার মতই ফিরে আসে। পাশে সবিতাদের বাড়িতে শাঁখ বাজার শব্দ শোনা যায়। নুসরত চৌকিতে শুয়ে ছটফট করে। তিনদিন হয়ে গেল জ্বর নামছে না। আম্মি কেন কাছে নেই? অভিমান হয় খুব। জল পিপাসায় গলা শুকিয়ে কাঠ। মোমবাতির মরে যাওয়া আলোয় একরাশ ভয় চেপে ধরে তের … বিস্তারিত পড়ুন

পুতুলখেলা—- অনিন্দ্য সুন্দর রায়

ষ্টেশন-রোডে আফসারার বাবার একটা বাচ্চাদের খেলনার দোকান আছে। দুবছর আগে ওর মা পড়ে গিয়ে বাঁ-দিকটা যখন প্যারালাইসড হয়ে যায় বাবা অটোটা বেচে দিতে বাধ্য হয়। চিকিৎসায় অনেক খরচ হয়েছিল। প্রাইভেট স্কুলে ক্লাস-টু অ্যানুয়াল পরীক্ষা দেওয়া হয়নি তার। বাবা লোন নিয়ে দোকানটা দিয়েছে এই মাস-ছয়েক । ‘খোয়াবি খেলনার দোকান’। এ তল্লাটে তেমন কোনো খেলনার দোকান নেই। … বিস্তারিত পড়ুন

পাঠশালা—- শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায়

আমাদের বাড়ির পাঁচিলের গায়েই পড়ে-থাকা একটা বড়োসড়ো জমি। সেখানে আগাছার জঙ্গল, মানুষসমান ঝোপঝাড়, একটা ছাতিম আর কয়েকখানা নারকেল গাছ। এছাড়া বড়ো বড়ো কচুপাতা, বিষকাঁটালি আর কন্টিকারির ঝোপ। মাঝে মাঝেই দেখা যায় ঝোপঝাড়ের আড়াল দিয়ে হেঁটে চলেছে বেঁজিদের সারি। ওদের ওই তুর্‌তুর্‌ করে হেঁটে যাওয়া, সন্তর্পণে এদিক-ওদিক তাকানো বেশ লাগে। চলে গেলে মনে হয় ওদের পেরিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প –— শুভেন্দু ধাড়া

‘‘ আঁধার ছুঁয়ে পুড়ে যাব দীর্ঘতর হওয়ার পূর্বে ঝরে যাব কৃষ্ণচূড়ায় নিমিত্ত অকারণে ধস্ত হতে হতে কিছু অমসৃণ ভগ্নাংশ অতিক্রম করে হাতে নেব আপাদমস্তক পরিহাস তোর অহংকারের’’ মাথার উপর ছাদটা ভেঙ্গে পড়েছে, চড়া রোদ বাধাহীন হয়েই নেমে আসছে, চারিপাশের দেওয়াল মাটি আঁকড়ে পড়ে। এ এক ভূকম্পন , কখন হল ! কিভাবে হল ! কিছুই বোঝা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!