টুকুর দিনরাত্রি

দুই হাঁটু এক জায়গা করে তার ওপর থুতনি, আর হাতদুটো পায়ের পাতার কাছে রেখে আঙুলের ফাঁকে আঙুল ঢুকিয়ে বাঁশের চাঙায় বসে আছে টুকু। আজহারের দোকানের সামনের চাঙা। মুদি দোকান। কিন্তু চা’ও বিক্রি করে আজহার। আজহারের দোকানের পাশেই জাহাঙ্গীরের হোটেল। তার ওপাশে দিলীপের সেলুন। তিন রাস্তার মোড়ে চার-পাঁচটি দোকান। মাঝ বয়সী হেমন্ত। কিন্তু সন্ধ্যার পরপরই অন্ধকারের … বিস্তারিত পড়ুন

দুখের দিনে

সকাল বেলাতেই ঘোষ পাব্লিকেশনের অনন্ত বাবু এসে হাজীর দুর্গাপদ বাবুর বাড়িতে। এই সময় যে তিনি আসেন না, এমন নয়। এর আগেও এসেছেন। সেই পুরনো ধুতি আর শার্ট, মাথার যাই যাই করা চুল তেল দিয়ে পাট পাট করা, আর পায়ে কোলাপুরি চটি। অনন্ত বাবু’র মুখে এই একটি হাসি সব সময় লেগেই থাকে। কারোর দুঃখের দিনেই হোক, … বিস্তারিত পড়ুন

এক শীতে হারানো সুখের গল্প

আবার শীতকাল চলে এসেছে। অথচ এখনো চলছে কার্তিক মাস। তারপরও বুধবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিলো ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, দিনাজপুরে। শীতকালটা আমার খুব বেশি প্রিয় ঋতু না। আবার অপ্রিয়ও না। শীতের ভোরে ঘুম থেকে উঠতে ভালো লাগে। বারান্দায় দাঁড়িয়ে কুয়াশার উড়ে বেড়ানো দেখতে ভালো লাগে। জিন্স-জ্যাকেট-কেডস্ ইত্যাদিতে নিজেকে আগাগোড়া মুড়িয়ে ধূমায়িত চায়ের কাপে চুমুক … বিস্তারিত পড়ুন

রক্তজবার ঘ্রাণ—— জায়েদ ফরিদ

ঘুম থেকে ঊঠে কাউকে কিছু না বলেই হেঁটে যাই এক মাইল দূরের রেল স্টেশনে। একরাশ ধোঁয়ামেঘ ছড়িয়ে পুরনো একটি কয়লার ইঞ্জিন এসে থামে, প্ল্যাটফর্ম পার হয়ে বেশ খানিকটা দূরে। লাইনের দুপাশে দাঁড়ানো ছাইমাখা কয়েকটি পরিবারের চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে- এখনি গনগনে কয়লা ঝরাবে ইঞ্জিন। রেলসড়কের ঢালে মজা পুকুর। সেখান থেকে এক বালতি জল তুলে এনে … বিস্তারিত পড়ুন

কাঠিবাবু —- সায়ন্তনী পুততুন্ড

লোকটার নাম বটকৃষ্ণ। অপভ্রংশে বটকেষ্ট। বয়স ত্রিশ থেকে তেতাল্লিশ পর্যন্ত যে কোন সংখ্যা হতে পারে। দৈর্ঘ্যে পাঁচ ফুট দু ইঞ্চি। ওজন চল্লিশ কে জি! উস্কোখুস্কো চুল, আমের আঁটির মতো মুখে তেল মজুত রাখার উপযুক্ত দুটি গাল, কাদা ঘোলা চোখ এবং খিটখিটে মেজাজের মালিক! নিন্দুকেরা বলে বটকেষ্টর মুখ দেখলে নাকি একটানা সাতদিন ডিসেকশন টেবিলে কাটানোর এফেক্ট … বিস্তারিত পড়ুন

লুল্লু … ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়

“লে লুল্লু”- আমীর শেখের মুখ দিয়া যখন এই কথা দুইটি নির্গত হইল, তখন তিনি জানিতেন না ইহাতে কী বিপত্তি ঘটিবে। কথা দুইটি আমীরের অদৃষ্টে বজ্রাঘাতরূপে পতিত হইল। আমীরের বাটী দিল্লী শহরে, আমীর জাতিতে মুসলমান। একদিন অন্ধকার রাত্রিতে আমীরের বিবি একেলা বাহিরে গিয়াছিলেন। পরিহাস করিয়া, স্ত্রীকে ভয় দেখাইবার নিমিত্ত আমীর ভিতর হইতে বলিলেন, “লে লুল্লু”। অর্থাৎ … বিস্তারিত পড়ুন

অণুগল্পঃ অপুত্রক

অপুত্রক রজনীকান্ত চেয়েছিলেন তিনি পটল তুলবার আগেই রুপমতীর জন্য কেউ অন্তত থাকুক। দূর্ঘটনায় পা হারাবার পর থেকে সে ভাবনাটা আর বেশি ভাবিয়ে তুলেছিল। ষোল-একত্রিশে বিয়ে হলে পরে পুরুষদের বোধহয় একটু আগেই অপসারিত হতে হয়। শরীরটাও মাঝে মাঝে সেরকমটাই জানান দেয়। নিজের জন্য না হোক রপমতীর মাথার উপর থেকে একটা ছাতা থাকুক। অনেকটা অপরাগ হয়েই সমাজের … বিস্তারিত পড়ুন

মনিবকে বাঁচাও (শিশুতোষ গল্প)

অপু’র লাল রঙ্গের, গুলাকার বড় একটি বেলুন আছে। তার একটি ছোট্ট কুকুরও আছে। এর নাম চুটকু। চুটকু অপু’কে খুব পছন্দ করে। চুটকু অপু’র সাথে খেলতেও পছন্দ করে। অপুদের বাড়িতে বড় কালো একটি বিড়াল আছে। চুটকু বিড়ালটিকে একদুম পছন্দ করে না। ওদের বাড়িতে ছোট্ট একটি বাদামি রঙ্গের ইদুরও আছে। বড় কালো বিড়ালটি ইদুরটিকে পছন্দ করে না। … বিস্তারিত পড়ুন

রং টার্ন —- কালেক্টেড

সিগারেট টা ধরিয়ে বেশ আয়েশ করে বসল নীল । দশ মিনিটের বিরতিতে আছে এখন সে । তাছাড়া দুর্বা ও আশে পাশে নেই । দুর্বার যন্ত্রনায় তার সিগারেট টাও খাওয়া হয় না ঠিকমত । আগে বারান্দায় বসে রকিং চেয়ারে গা মেলে দিয়ে গান শুনতে শুনতে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ত ! দুর্বা এসে তার পুরা জীবন টাই এলোমেলো … বিস্তারিত পড়ুন

ন্যাংচাদার হাহাকার — নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

ক্যাবলা বললে, বড়দার বন্ধু গোবরবাবু ফিলিমে একটা পার্ট পেয়েছে। টেনিদা চার পয়সার চীনে বাদাম শেষ করে এখন তার খোলাগুলোর ভেতর খোজাখুজি করছিল। আশা ছিল দু-একটা শাস এখনো লুকিয়ে থাকতে পারে। যখন কিছু পেলে না, তখন খুব বিরক্ত হয়ে একটা খোলাই তুলে নিলে, কড়মড় করে চিবুতে চিবুতে বললে, বারণ কর ক্যাবলা—এক্ষুণি বারণ করে দে । ক্যাবলা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!