সুদীপ একটি ছেলের নাম —- হিজিবিজবিজ

সুদীপ একটি ছেলের নাম। অক্লান্ত জীবনযুদ্ধে হেরে যাওয়া কোন এক বাবা-মায়ের হতাশা আর চাওয়া-পাওয়ার বেহিসেবের মাঝে হঠাৎ ভুল করেই হয়তো বা জন্মে যাওয়া একটি ছেলে। দুম্‌ করে চমৎকার কিছু একটা করে ফেলার কথা তার ছিল না। সবাইকে চমকে দিয়ে খবরের শিরোনামে চলে আসার মত কোন ক্ষমতাও ছিল না। হয়ও নি সেরকম কিছু। আর পাঁচটা নিম্নমধ্যবিত্ত … বিস্তারিত পড়ুন

কস্য পরিবেদনা

বেশ তুমুল হৈ হট্টগোলের মধ্যে দিয়ে শুরু হল মিটিং টা। হঠাৎ এভাবে মিটিং শুরু হওয়াটা ঠিক বোধগম্য না হলেও বেশ কিছু উত্তেজনার বিষয় যে এটা, সেটা বেশ বোঝা যাচ্ছিলো। সমবেত সকল সুধী মণ্ডলীর মধ্যের গুঞ্জন আলাপন সেটাই জানিয়ে দিচ্ছিল। আসন গ্রহণ নিয়ে অল্প বিস্তর মতভেদের পর সকলে কিছুটা শান্ত হতেই সভাপতি তার ঝুঁটিটা ঠিক করে … বিস্তারিত পড়ুন

গুণধর — কুণাল

রজনীকান্ত পড়েছে মহাফাঁপরে। পরীক্ষা শুরু হয়েছে এক ঘণ্টা হতে চললো, কিন্তু এখনও সে খাতায় একটা দাগ পর্যন্ত কাটতে পারলো না। অঙ্কে সে বরাবরই কাঁচা, তার পর annual পরীক্ষার কোশ্চেনটাও হয়েছে half-yearly এর চেয়ে অনেক বেশি tough। অবশ্য half-yearly এর স্ট্যান্ডার্ডের হলেও রজনীকান্ত তাতে পাশ করতে পারতো না – কারণ, half-yearly তে অঙ্কে তার নম্বর ছিল … বিস্তারিত পড়ুন

প্রশ্নবাণ — রোদ্দুর

ভদ্রলোকের পুরো নাম প্রকাশ করতে পারছিনে, দুঃখিত! তিনি হতভাগ্য লেখকের আশেপাশেই থাকেন কিনা, তাই লেখাটি জনগণের ঔদার্যে ভদ্রলোকের গোচরে এলে লেখকের জীবন সংশয় হলেও হতে পারে। তাই ভদ্রলোকের অপার অনন্ত জ্ঞানপিপাসার কথা মাথায় রেখে তাঁকে শ্রীমান প্রশ্নবাণ নামেই সম্বোধন করব। প্রশ্নবাণের সাথে আমার পরিচয় মাস ছয়েক আগে, জানুয়ারি মাস নাগাদ। হঠাৎ শুনি কিনা আমাদের সকলকে … বিস্তারিত পড়ুন

তিন পুরুষ

একজন সাদেক সাহেব। প্রতিদিন সকালে মসজিদে যান নামাজ পড়তে। সেখান থেকে মর্ণিং ওয়াকে বের হন। রোজকার অভ্যাস। আজ বছর দশ হল সরকারি চাকুরী থেকে অবসর নিয়েছেন। এখন অফুরন্ত অবসর। কিন্তু সময় যে কাটেনা! আজও একা একা হাঁটতে বের হয়েছেন। মসজিদটা বাজারের ঠিক মাঝে। গার্লস স্কুলের পিছনদিকে। ফজরের নামাজে যে ক’জন মুসল্লী আসেন তাদের ভিতরে কয়েকজন … বিস্তারিত পড়ুন

ভীতু কামা— আফ্রিকার রূপকথা

এক যে ছিল ছোট ছেলে, তার নাম ছিল কামা। সে এতটুকু মানুষ ছিল, তার পেটটি ছিল বড়, হাত-পা ছিরল কাঠি কাঠি। সে অন্য ছেলেদের সঙ্গে জোরে পারত না, খেলতে গেলে খালি তাদের হাতে মার খেত। বেচারা চুপ করে সে সব সয়ে থাকত, তার গায়ে জোর ছিল না, কাজেই কি নিয়ে ঝগড়া করবে? তার ইচ্ছা হত … বিস্তারিত পড়ুন

হাজার বছরের গল্প—সোনালী মিত্র

সবে সন্ধ্যা নেমেছে, চারিদিক ঝিঁঝিঁ ডাকা স্তূপাকার অন্ধকার।ধূপ আর ধুনোর মোহময় শুদ্ধতায় পরিবেশে স্থিতিশীল একটা কেন্দ্রীভূত সুর ভাসছে। মন্দিরের প্রদীপ ঘণ্টার আওয়াজে কেঁপে কেঁপে উঠে এক ছান্দিক মূর্ছনায় ভরিয়ে তুলছে গর্ভগৃহ, দ্বিজ সুমন্তক নিশীথকালীন শেষ আরতি সমাপন করে ঈশ্বরের ধ্যানে লীন হতে চান কিছুক্ষণ, কিন্তু আজ তার মনে বড়ই চঞ্চল, মন জুড়ে বড়ই সংশয়, আগামী … বিস্তারিত পড়ুন

কৃষ্ণলক্ষ্মী—- -তারাপদ রায়

ক্রিস্টাইন মনরো, নাম শুনে মনে হতে পারে পরমা সুন্দরী। মেরিলিন মনরোর আত্মীয়া। কিন্তু তা নয়। সে একটি কলহ পরায়ণা অথচ নরম মনের কালো মেয়ে। কালো তা সে যতই কালো হোক, তার থেকেও সে অনেক বেশি কালো। চেহারায়, চরিত্রে। অকালমৃতা চিত্রতারকা স্বপ্নসুন্দরী মেরিলিন মনরোর সঙ্গে তার কোনও তুলনাই হয় না। ক্রিষ্টাইন মনরোকে পাড়ার আট-দশ জনের মতো … বিস্তারিত পড়ুন

একদিন অনেক রাতে—দিব্যেন্দু পালিত

তেমন কোনও কাজ ছিল না বলে কমপিউটার খুলে বসেছিল নীলা। তাতেও যে খুব মন লাগছিল তা নয়, আজকাল যে-কোনও কাজ করতে গিয়ে প্রায়ই সে উল্টোপাল্টা ভাবে। দুপুরে এক বার দেখেছিল, এখনও দেখল ই-মেলে কোনও মেসেজ নেই। তাতে হতাশ হলেও দুঃখিত হল না সে। কে-ই বা পাঠাবে! শেষ মেসেজ পাঠিয়েছিল তার দাদা হিন্দোল, কাল বিকেলে, এখানে … বিস্তারিত পড়ুন

ভালো কাজ

কাল শুক্রবার। স্কুল বন্ধ। মাস্টার মশাই সব ছাত্র ছাত্রীকে বললেন, -আগামীকাল তোরা সবাই একটা একটা করে ভালো কাজ করবি। আর শনিবার দিন আমি ক্লাসে একে একে সবাইকে জিজ্ঞেস করবো তোরা কে কি করেছিস । মনে থাকবেতো? সবাই সমস্বরে বলল, -জি মাস্টার মশাই। একটু পরে স্কুল ছুটি। প্রতিদিনের মতো ক্লাস শেষ হবার আগে ছাত্র ছাত্রীরা মাস্টার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!