দ্বিতীয় নবাবের অভিলাষ—- রফিকুর রশীদ

আমাদের নবাব চাচা যে একেবারে শেষবেলায়, নাটক মঞ্চায়নেরও শেষ প্রান্তে এসে এরকম নাটকীয় একটা ঘটনা ঘটিয়ে বসতে পারে, সে কথা আমরা আগে কেউ ভাবতেই পারিনি। নিয়মিত রিহার্সেলে এলে হয়তো তার আচার-আচরণের মধ্যে কোনো রকম অসঙ্গতি কারও না কারও নজরে পড়ত, সময় থাকতে সাবধান হওয়া যেত অথবা বিকল্প একটা কিছু ভাবা যেত। কিন্তু না, সে সুযোগ … বিস্তারিত পড়ুন

ওগো বিদেশিনী —- শাহনাজ মুন্নী

ইনগ্রিড মারলিন দিয়েত্রিচ-এর শ্বেত শুভ্র চেহারার ওপর ঢাকার শরৎকালের মৃদু হাওয়া যখন আলতো করে এক ঝলক স্বাগতমসূচক স্পর্শ দিল, তখন সে নীল আকাশে ভেসে চলা মেঘের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ কণ্ঠে জার্মান ভাষায় যা বলল, তার বাংলা অর্থ হল- চমৎকার, তোমাদের এ দেশটা খুবই সুন্দর। কথাটা সে বলেছিল অনেকটা আপন মনেই, হয়তো নিজের সঙ্গেই নিজে, যদিও … বিস্তারিত পড়ুন

ইলিশ পুরাণ

যে ভূমিতে আজ আমরা বাস করছি , তার নলকুপের জল পরিস্রুত ও সরকারীভাবে নাকি বীজানুমুক্ত! এই সরকারী আবহাওয়ার বায়ু পাগলা নদীর ন্যায় খরস্রোতা ,যার উল্লসিত ধারা না চাইতেই রোজ নিশ্বাসরূপে নাক দিয়ে ঢুকে মনে করিয়ে দেয় যে এ বাংলা সুধু বিশ্বের নয়! এ ভূমিখণ্ড NASAর চোখ ফাঁকি দিয়ে মঙ্গলের টকটকে লাল বালুকাবেলার মাঝে ধুসর বার্তা … বিস্তারিত পড়ুন

অমানিশার আগুন —- তাহমিনা কোরাইশী

নন্দিতা আর কুলিয়ে উঠতে পারছে না। অফিস-বাসা এত কাজের চাপ। কাজের লোক ছাড়া যেন আর এক মুহূর্ত চলছে না। নন্দিতা চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় থাকে পেয়ারার মায়ের। পেয়ারার মা অনেক দিন ধরেই এই কাজ করে। দেশ থেকে কাজের লোক এনে পরিচিত মানুষের বাসায় দেয়। নিজে কারও বাসায় আর কাজ করে না। এই দেয়া-নেয়াতেই ওর ভালো … বিস্তারিত পড়ুন

ছেঁড়া খেলার আসর

কৃশানু দে চকিতে শট নিলেন। গো………। না, কৃশানুর শট ইস্টবেঙ্গল গোলরক্ষক ভাস্কর গাঙ্গুলিকে পরাস্ত করে ক্রসবারে লেগে প্রতিহত হয়েছে। এই গোলটি হলে কিন্তু মোহনবাগান এক-শূণ্য গোলে এগিয়ে যেত। অসাধারন শট নিয়েছিলেন কৃশানু। উফ, হৃদপিণ্ড গলার কাছে এসে আবার জায়গায় ফেরত চলে গেল। ১৯৮৪ সাল। আই এফ এ শিল্ডের ফাইনাল খেলা। তৎকালীন বিশ্ব ফুটবল তখনও দ্বারে … বিস্তারিত পড়ুন

নেতাগিরি !

কালাম, এক সময়ের ডাকসুর নেতা। এমপি-ও হয়েছিলেন একবার। বিদেশ সফরে গিয়ে প্রথম সন্তানকে আমেরিকার নাগরিক করেছেন। ঢাকার অভিজাত এলাকায় দুইটা প্লট বাগিয়েছেন। তবে তার সহকর্মীদের তুলনায় এসব একেবারে নস্যি। ইদানিং তার তেমন কোন কাজ নেই। সারা জীবন করেছেন রাজনীতি। ব্যবসায় মনে নেই। ব্যবসা শুরু করেন কিন্তু দেখাশুনা করেন না। দলের মধ্যে বহু লবিং। ছাত্র আন্দোলনের … বিস্তারিত পড়ুন

নীলাকাশ……

তাঁর নাম দেয়া হল নীল। আকাশের গাঢ় নীল। লোকজন বলাবলি করত- বেদনার রঙ নাকি নীল। অথচ! এই নীলেই তাকে বেশী মানায়। আর মানায় আকাশের গায়ে। আকাশগাঙে যখন পাখি ওড়ে, বর্ণিল মেঘেরা ঘোরাঘুরি করে তখন নীলের বেশ লাগে। আচমকা কালো হয়ে যাওয়া আকাশে ভীষণ ঝড় ওঠে, বেসামাল হয়ে খসে পড়ে একেকটা স্বপ্ন। কিন্তু নীল! সে থেকেই … বিস্তারিত পড়ুন

বোঝা

মুনার প্রতি আমার অনুভূতি এতো দ্রুত পারদের চাপের মতো উঠা নামা করবে ভাবি নি। এইতো সেদিন পরিচয় একটি সেমিনারে। দিন ব্যাপী সেমিনার বলে পাশাপাশি বসাতে বেশ কয়েকবার কথাবার্তা হয়েছে। আমাদের রক্ষণশীল সমাজ ব্যবস্থায় একটি মেয়ের পাশে বসলে অন্যরকম কিছু অনুভুতি কাজ করে প্রতিটি ছেলের। আমারও ব্যতিক্রম ছিল না। তাই বারবার প্যান্টের জিপার, ইন করা শার্ট, … বিস্তারিত পড়ুন

মা, আবির এবং একটি হুইল চেয়ার

আবির নামের ছোট্ট ছেলেটি কিছুই বুঝতে চাচ্ছিলো না। ‘আমি মায়ের কাছে যাবো’ বলে কেবল ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছিলো। রূপা তাকে নানাভাবে বোঝাতে চেষ্টা করছিলো- ‘একটু পরই তোমার মা চলে আসবে বাবা’, কিন্তু সে কিছুতেই ভাত মুখে তুলল না। হুইল চেয়ারটা ধরে বারান্দায় নিয়ে গেল রূপা। বারান্দার ওপাশে খোলা মাঠ, সবুজ ঘাসে ছাওয়া। সেখানে তার বয়সী ছেলেরা … বিস্তারিত পড়ুন

তিলক

কিছু কিছু কষ্ট থাকে বুকের ভিতর যুগ যুগ লালন করে মানুষ। প্রিয়জন হারানোর কষ্ট, স্বপ্ন ভাঙার কষ্ট, ভালবাসাহীনতায় বেঁচে থাকার কষ্ট। এই দুঃখ-কষ্ট নিয়েই মানবজীবন। পৃথিবীতে শতভাগ সুখী মানুষ বোধকরি বিরল। তবুও মানুষ এভাবেই সুখের চাষাবাদ করে, হাসে-কাঁদে; বাঁচার স্বপ্ন দেখে। কেউ কেউ সুখ কিনতে চায় নিজেকে বিকিয়ে দিয়ে, বুকের মাঝে ছোট্ট সুখের বসতি ছেড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!