ওগো বিদেশিনী —- শাহনাজ মুন্নী

ইনগ্রিড মারলিন দিয়েত্রিচ-এর শ্বেত শুভ্র চেহারার ওপর ঢাকার শরৎকালের মৃদু হাওয়া যখন আলতো করে এক ঝলক স্বাগতমসূচক স্পর্শ দিল, তখন সে নীল আকাশে ভেসে চলা মেঘের দিকে তাকিয়ে মুগ্ধ কণ্ঠে জার্মান ভাষায় যা বলল, তার বাংলা অর্থ হল- চমৎকার, তোমাদের এ দেশটা খুবই সুন্দর। কথাটা সে বলেছিল অনেকটা আপন মনেই, হয়তো নিজের সঙ্গেই নিজে, যদিও … বিস্তারিত পড়ুন

ইলিশ পুরাণ

যে ভূমিতে আজ আমরা বাস করছি , তার নলকুপের জল পরিস্রুত ও সরকারীভাবে নাকি বীজানুমুক্ত! এই সরকারী আবহাওয়ার বায়ু পাগলা নদীর ন্যায় খরস্রোতা ,যার উল্লসিত ধারা না চাইতেই রোজ নিশ্বাসরূপে নাক দিয়ে ঢুকে মনে করিয়ে দেয় যে এ বাংলা সুধু বিশ্বের নয়! এ ভূমিখণ্ড NASAর চোখ ফাঁকি দিয়ে মঙ্গলের টকটকে লাল বালুকাবেলার মাঝে ধুসর বার্তা … বিস্তারিত পড়ুন

অমানিশার আগুন —- তাহমিনা কোরাইশী

নন্দিতা আর কুলিয়ে উঠতে পারছে না। অফিস-বাসা এত কাজের চাপ। কাজের লোক ছাড়া যেন আর এক মুহূর্ত চলছে না। নন্দিতা চাতক পাখির মতো অপেক্ষায় থাকে পেয়ারার মায়ের। পেয়ারার মা অনেক দিন ধরেই এই কাজ করে। দেশ থেকে কাজের লোক এনে পরিচিত মানুষের বাসায় দেয়। নিজে কারও বাসায় আর কাজ করে না। এই দেয়া-নেয়াতেই ওর ভালো … বিস্তারিত পড়ুন

অন্তরালে

একজন সাদাসিদে সরকারি কর্মকর্তা বলতে যা বুঝায় রফিক সাহেব ঠিক তাই। তার পকেটে সব সময় একটা কৃত্রিম সংকট লেগেই থাকে। বড় চাকুরে বলে তার কাছে আত্মীয়-স্বজন, পাড়া প্রতিবেশীর আবদারও অনেক। কিন্তু একজন সরকারি কর্মকর্তা, তার বেতনই বা কতো? সে কয়জনকে সাহায্য করবে? তাই অনেককেই খালি হাতে ফিরতে হয়। মানুষকে এভাবে ফিরিয়ে দিতে তার অনেক কষ্ট … বিস্তারিত পড়ুন

অন্য ট্রেন—- ময়ুখ চৌধুরী

কাল-পরশু দুদিন ছুটি। প্ল্যাটফর্ম গিজগিজ করছে। কোলাহলের ফাঁকে ফাঁকে উড়ে আসছে ভাঙাচোরা কথা। যেমন : করলেই তো পারত। ট্রেন পাই না পাই, টিকিট তো পেয়েছি। এর চেয়ে বাস ভালো ছিল। আর কত অপেক্ষা করা যায়। আমি কিন্তু বলেছিলাম। টুকরো টুকরো এরকম আরও কথা। একটা কথার সঙ্গে আরেকটা কথা জোড়া দিয়ে মনে মনে মজা পাচ্ছিল সুমন। … বিস্তারিত পড়ুন

মানের পরীক্ষা—- সৈয়দ আবুল মকসুদ

এ ক লোক একবার ভীষণ বিপদে পড়েছিল। কোনো কিছুতেই উদ্ধারের সম্ভাবনা দেখা গেল না। কেউ কেউ তাকে পরামর্শ দেয়, সত্যপীরের দরগায় গিয়ে মানত করো। তোমার বিপদ কেটে যাবে। তাদের বুদ্ধিটা তার মনে ধরে। সে সত্যপীরের দরগায় গিয়ে হাত তুলে মানত করে, যদি তার বিপদ কেটে যায় সে তার আথালের একটি বলদ সত্যপীরের নামে ছেড়ে দেবে। … বিস্তারিত পড়ুন

বন্ধু স্বজন—– ইমদাদুল হক মিলন

ইছাপুরার ধীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী মহাশয়ের দোতলা দালানবাড়ির নিচতলার বারান্দায় বসে গুড়-মুড়ি খাচ্ছে স্বজন। আজ সাত মাস এই বাড়িতে আছে তারা। প্রায়ই গুড়-মুড়ি খাওয়া হয় সকালবেলা। প্রথম প্রথম তেমন সুবিধার লাগেনি। গত কয়েকদিন ধরে জিনিসটা এত পছন্দ হচ্ছে, মনে হচ্ছে নাশতা হিসেবে গুড়-মুড়ির চে উপাদেয় কোনও খাবার পৃথিবীতে নেই। মুঠোভর্তি মুড়ি আর এক কামড় গুড় মুখে দিলে … বিস্তারিত পড়ুন

ট্যাবলেট—–ইরাজ আহমেদ

আ মারে গাঞ্জা আইনা দিতে পারছ? আজমত মিঞার বাড়ির বাইরের বারান্দার একটা ঠুনিতে হেলান দিয়ে হিরু ঝিমাচ্ছে। দুদিন টানা বৃষ্টির পর চারপাশে লাফালাফি করছে রোদ। মাঝে মাঝে হাওয়া এসে নাড়িয়ে দিচ্ছে বড় গাছের মাথাগুলো। হিরুর আম-ঘুম ধরে আসে। আসার সময় বউ আম খেতে দিয়েছিল। বেশ বড় সাইজের ল্যাংড়া। গোটা চারেক পেটে চালান হয়েছে। এখন সেই … বিস্তারিত পড়ুন

তমসকাল— রেজানুর রহমান

বাসায় ঢুকেই গলগল করে বমি করে ফেললেন আবদুল আজিজ। সোমা দরজা খুলে দিয়ে চলে যাচ্ছিল। আবদুল আজিজকে বাথরুমে বমি করতে দেখে চিৎকার দিল- মা ওমা দেখে যাও। বাবা বমি করতেছে। সুফিয়া রান্নাঘরে কৈ মাছ ভাজছিলেন। মাছের সাইজ দেখে এমনিতেই তার মন খারাপ। পইপই করে বলেছিলেন মাছ যেন দেশী এবং বড় হয়। কে শোনে কার কথা? … বিস্তারিত পড়ুন

সেগুনবাগিচার সন্ধ্যায় কয়েকটি কল্পনা—- আলফ্রেড খোকন

আজ সন্ধ্যার আলো নিভে আসার পরও রহমতুল্লাহ তার বাড়ির বাগানে বসেছিলেন। আঙিনায় একটা মাত্র শিউলি ফুলের গাছ, এই গাছটিকে তিনি নিজের হাতে লাগিয়েছিলেন এবং যত্নে বড় করেছেন। বাগানের দক্ষিণ-পশ্চিম কর্নারে তিনি এই গাছটিকে লাগিয়েছিলেন। বিকাল উত্তীর্ণ সন্ধ্যায় আজ তাকে কিছুটা বিষণ্ণ এবং আচ্ছন্ন লাগছিল। যে কোনো ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও ঘটনার একটা আকস্মিকতা থাকে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!