ডাবল বোকা !–এম ইয়াসিন আরাফাত

রাত ৩টা। গভীর ঘুমের মধ্যে আমি। হঠাৎ মোবাইল বেজে ওঠায় আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। এমন সময় ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবুও কষ্ট করে মোবাইল রিসিভ করলাম। অপরিচিত নম্বর আর নারীকন্ঠের আওয়াজ। আমি হ্যালো না বলতেই ওই প্রান্ত থেকে মেয়েটি বলে, আসলে ভাইয়া, আমি এতরাতে আপনার ঘুম ভাঙাতে চাইনি, তবুও কোনো উপায় না থাকায় আপনাকে … বিস্তারিত পড়ুন

সর্বনাশা ঋণ —– প্রিয়াংকা মজুমদার

এ গ্রাম ও গ্রাম থেকে রুবির জন্য বর আসছে কিন্তু যৌতুক ছাড়া কেউ বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। মোটা অংকের যৌতুক চায় সকলেই। রুবির মা জাহানারা ভিশন চিন্তায় পড়ে গেলেন। কি করে যৌতুকের এত টাকা সংগ্রহ করবে। ছুটাছুটি করতে লাগলেন চারিদিকে। অনেক কষ্টে জাহানারা জমি বন্ধক দিয়ে পাশের গ্রামের এক ধনী লোক থেকে যৌতুকের টাকা … বিস্তারিত পড়ুন

পাপের ফল—— মিশকাতুল জান্নাত মিশু

১. -স্যার, চাকরিটা আমার খুবই প্রয়োজন, না হয় অসুস্থ মা-বাবাকে নিয়ে পথে বসতে হবে। -চাইলে তো আর চাকরি দিতে পারি না আমি, তার জন্যতো কিছু করা লাগবে। -প্লিজ স্যার, আপনি চেষ্টা করলে অবশ্যই পারেন। -চেষ্টাতো করতে পারি কিন্তু …। -আপনার পায়ে পড়ি স্যার, চাকরিটা না হলে আমার সব শেষ হয়ে যাবে। – থাক থাক আর … বিস্তারিত পড়ুন

হাত ঘড়ি—-এস ইলিয়াস বাবর

রিহানের এরকম চেহারা আর কখনো দেখিনি। আমাদের বন্ধুত্বের বয়স প্রায় এক যুগেরও বেশি। ওর ভাবনা বিলাস, জীবন যাপন, রুটিন ওয়ার্ক সবই আমার জানা। বলা চলে বন্ধুত্বের খাতিরে তার একান্ত অলিগলিতেও আমার অবাধ বিচরণ। সেও আমাকে চিনে অর্থাৎ আমরা পরস্পরকে জানি। বিশ্বাস আর বন্ধুত্বের দাবীতে আমরা কত কিছুই করেছি! থমথমে পুকুরে ঢেউ খেলানোর জন্য ঢিল ছুঁড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

অন্ধকারের চরকাবুড়ি— নাসির আহমেদ

প্রচণ্ড একটা ঝাঁকি খায় অভিক। যেন দ্রুতগতির ১৩০ সিসির ছোট করোলার হঠাৎ ব্রেক কষল। না, তুলনাটা যুৎসই হল না। এই ধাক্কাটার মধ্যে আরও ভয়াবহতা আছে, আছে আতংক যা নেই যানবাহনের আচমকা ব্রেকে। কেন বাবা এমন কাণ্ডটা করলেন কিছুতেই ভেবে পায় না অভিক। সারা বাড়িতে যেন সংক্রামক ব্যাধির মতো শোকের আবহ ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ এটা তার … বিস্তারিত পড়ুন

আত্মীয়—- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

আলী হায়দার সাহেবকে গ্রামের একটা প্রবাদ শোনাতেই খুব জোরে হেসে উঠলেন। বলতে কী, এরকম জোরদার প্রতিক্রিয়ার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। সে জন্য ঠোঁট একটুখানি আড়ষ্ট হল, হাসিও আড়ষ্ট হয়ে পড়ল। শুধু মুখের ভুগোলে কিছু কুঞ্চন জাগল। আমি বলেছিলাম, স্যার, আমার গ্রামের লোক বলে, সৈয়দকে বাড়ি চেনাবেন না, চেনালে খবর আছে। আলী হায়দার ১৯৫৪ সাল … বিস্তারিত পড়ুন

যাত্রা পথে — বুড়ো আংলা

মনে আছে আমায়? হ্যাঁ, আমি সেই জনগণেরই একজন, যাকে এই বিশাল মহানগরীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে দৈনন্দিন যাতায়াত করতে হয়। Yes, I am one of the ‘mango people’। এই দৈনন্দিন যাত্রা প্রসঙ্গেই আজ এই লেখা। প্রতিদিন অকুস্থলে পৌঁছানোর বিষম তাগিদে বহুপূর্বেই সুখনিদ্রার মায়া ত্যাগ করে ভোররাত্রিতেই আমাকে উঠতে হয়। না না, ভাববেন … বিস্তারিত পড়ুন

মদ ও মাতালের গল্প

মদ জিনিসটাকে কে ষড়রিপুর তালিকায় যুক্ত করেছিল জানিনা, তবে সেই তালিকাভুক্ত হওয়ার ফলেই মনে হয় বেচারা কোনোদিন বাঙালির গৃহস্থজীবনে কল্কে পেলনা, একেবারে ব্ল্যাকলিস্টেড হয়েই রয়ে গেল। মদ সম্পর্কে ধ্যানধারণাগুলোও বেশ একপেশে – খারাপ ছেলেমেয়েরাই মদ খায়, মদ খাওয়া মানেই বখে যাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি। অনেক অভিভাবকদের এও বলতে শুনেছি যে যারা মদ খায়, তাদের তাঁরা ঘৃণা … বিস্তারিত পড়ুন

দাসুর সংসার — শর্মিষ্ঠা দে

নেকদিন পরে আজ ভাতের থালায় মাছ পেয়ে আনন্দে চোখটা চকচক করে উঠল দাশুর। আজ কমলি মাছ নিয়ে এসেছে ফেরার পথে। কারখানার চাকরীটা চলে যাবার পর থেকে ভালো করে দুবেলা ভাত জোটানোই দায় হয়ে উঠেছে,মাছ তো অনেক পরের ব্যাপার। অনেকদিন তো শুধু নুন দিয়ে মেখেই ভাত খেয়ে নেয় দাশু। মাত্র পাঁচ বছর আগে অবধিও এই হাল … বিস্তারিত পড়ুন

ছিল, নেই, মাত্র এই — সুনন্দ

‘-“এই, এই! ওটা কি হচ্ছে!” -“অ্যাই কে আছিস, শিগগির ওকে এখান থেকে নিয়ে যা!” এরকম আরও অসংখ্য চেঁচামেচি, স্টেজের চড়া আলো, উইংসের দু’পাশ থেকে তটস্থ লোকজনের ধেয়ে আসা- এ সব কিছুই ছেলেটাকে দমাতে পারেনি। আপন মনের আনন্দে উদ্দাম নেচে চলেছিল একটানা। বি.দে. হলের বিরাট, পুরনো স্টেজ। সামনের দিকে একটু উঁচু প্ল্যাটফর্মের ওপর পাতা শতরঞ্চির ওপরে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!