বেলা শেষের গান-৩

মডেল স্কুলে ভর্তি হবার কিছুদিন পরে যখন তার বৃত্তি পাবার সংবাদ জানতে পারল তখন আক্কাস সাহেব খুশি মনে নিজে চেয়ার চেড়ে এসে হাসানের ক্লাসে ঢুকে টিচারের অনুমতি নিয়ে সংবাদটা জানাল। এর মধ্যে তার নিজের স্কুলের প্রায় অর্ধেক ছাত্র বৃত্তি পেয়েছে এবং তা এরা খুব ধুমধাম করে উদযাপন করেছে। তবে হাসানের স্কুল দূরে থাকায় এ সংবাদ … বিস্তারিত পড়ুন

ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-১৩)

গাড়ি থেকে নেমে সামিয়া বাচ্চাটাকে বাচ্চার নতুন বাবার হাতে দিল। বাচ্চাটাকে অনভ্যস্ত হাতে একটুক্ষণ রেখে একবার মুখটা দেখেই সামিয়ার হাতে দিয়ে দিলেন মিনার মাহমুদ। রেখা এগিয়ে এসে বাচ্চাটাকে নিয়ে ফেলল। ডায়াপারের উপরে স্কার্টের ডিজাইনে প্যান্ট আর নরম সাদা পাতলা লিনেনের কোমর পর্যন্ত জামা পরা ফর্সা হাত পায়ের ছোট্ট মেয়েবাবুটার গালে লালচে আভা! কি সুন্দর করে … বিস্তারিত পড়ুন

জলন্ত অগ্নি

এতটুকু সময়ে কম দেখিনি। সম্মুখীন হয়েছি অনেক কন্টকাকীর্ণ পথের। ঢুকেছি অনেক বাঁধার জালে। কিন্তু মন কখনও বিগড়ে যায়নি। মনকে সবসময় সাহসের জালে আটকে রেখেছি। ফন্দি এঁটেছি বিভিন্ন কৌশলের। বীরের বেশে পেরিয়েছি বহুত কণ্টকময় পথ। গ্রামের সেই বন্দিশালায় পড়ার মুহূর্তেও মনকে জানালা দিয়ে বাতাসের নিমন্ত্রণে মিশতে দিয়েছি।। সুযোগ দিয়েছি বাঁধন গড়ার। অাসলে ঠিক তাই হয়েছে। বাঁধন … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক গল্পঃ পর্ব-১২)

ভালোবাসার সাতকাহন

বিউস। বিকালের আড্ডায়। আটজনের টেবিলে ইতোমধ্যেই পাঁচজন উপস্থিত। আলাপ হচ্ছে। বিষয় রেখা’র একটা লেখা।স্কুলের বাচ্চাদের মজার মজার সব কান্ড নিয়ে। গতকাল সবাইকে পড়তে দিয়ে গেছে। পাশে লতার একটা লেখা। একজন রেখার লেখাটা টেনে নিল। রেখার লেখার ধরণ সরল। কেউ কেউ প্রশংসা করল। কথা চলতে চলতে রেখার ব্যক্তিগত জীবন পর্যন্ত গড়াল। আজকাল রেখা মাঝে মাঝে বিউস … বিস্তারিত পড়ুন

মেঘারণ্যে-১

মনে সুখ থাকলে নিজের জরাজীর্ণ বসতবাড়িটাও প্রাসাদতুল্য মনে হয়, আর ভ্রমণের সাধ জাগলে রেলের লক্কড়ঝক্কড় ট্রেনও উন্নত যান হিসেবে ধরা দেয়। এখানে যাত্রীদের বিনোদনের জন্যে কিছু না থাকলে কি হবে, পাশেই জানালাটা খোলা আছে- প্রকৃতি, পরিবেশ ও লোকালয়ভেদে সেখানে একের পর এক দৃশ্যপট পাল্টে যাচ্ছে। এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা অপ্রতুল হলে কি হবে- কালিঝুলি মাখা … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক গল্পঃ পর্ব-১১)

ভালোবাসার সাতকাহন

দশ বছর হলো বাবা মা’কে ছেড়ে এসেছে রায়হান। দশ বছর! সে -ই কি ছেড়ে এসেছে? ছাড়াছাড়িটা আসলে কিভাবে যেন হয়েই গিয়েছিল। বাঁধনটা কেন যেন শ্বাসরোধ করে ফেলছিল সবার। নিরূপায় হলে হয়ত কোনভাবে জোড়াতালি দিয়ে একটা জীবন চলে যেত। হয়ত রায়হানই ছেড়ে এসেছে। একটা পরিবারের কর্তা হিসাবে সে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করেছে ভাংচুর করে! বাবা মা’কে … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক গল্পঃ পর্ব-১০)

ভালোবাসার সাতকাহন

শমশেরনগর আবাসিক এলাকার বাসাটিতে নিরুপদ্রবে দিন কেটে যাচ্ছে রায়হানের। অফুরন্ত অবসর! বড্ড একঘেয়ে। তারপরও কিছু কাজ তো থেকেই যায়। মিতুকে স্কুলে দিয়ে আসে রুমা। তবে স্কুল থেকে নিয়ে আসার কাজটি রায়হান করে। ওদের পাশেই একটি দুই রুমের টিনশেড ইউনিট আগে থেকেই অর্ধসমাপ্ত ছিল। সেটাকে কমপ্লিট করা হল। সেখানে এক ভাড়াটে উঠেছে। লোকটি বয়স্ক। আদম ব্যাপারি। … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক গল্পঃ পর্ব-৯)

ভালোবাসার সাতকাহন

বন্ধের দিনটা শাহেদের কাটে পরিবারের সদস্যদেরকে নিয়ে। সদস্য বলতে মোটে তিনজন। বিথী, সে আর ওদের একমাত্র সন্তান মিনহাজ। মিনহাজুল করীম অন্তর। শাহেদ ওর বাবার নামের সাথে মিলিয়ে নাম রেখেছে। আর বিথী ছেলের ডাক নামটি নিজের পছন্দে রেখেছে। এই নাম রাখা নিয়েও কত কি! জীবন এতো জটিল কেন? শাহেদ যত সহজভাবে জীবনকে পেতে চায়, ততই পদে … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক গল্পঃ পর্ব-৮)

ভালোবাসার সাতকাহন

গত পাঁচটা দিন প্রচন্ড মানসিক কষ্টে কেটেছে শিহাবের। সেই শনিবার বাসা থেকে এসেছে। আজ বৃহস্পতিবার। রাতে সবার সাথে দেখা হবে। কিন্তু সেদিনের ঝগড়ার পরে, কয়েকবার কণার সাথে কথা বলেছে। কেমন যেন আলগা আলগা মনে হল কণাকে শিহাবের কাছে। মেয়েদের কথাই মূলতঃ জিজ্ঞেস করেছে। গতকাল বিকেলে একবার ফোন করেছিল। তখন শিহাব জানতে চেয়েছিল, ‘ কেমন আছ … বিস্তারিত পড়ুন

ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-৭)

একটানা কত কিছু ভেবে ভেবে ক্লান্ত হয়ে পড়ে রুমা। একটু কি উদাসও হয়? তারপরও ভাবনারা ওকে ছাড়তে চায় না। আজ প্রায় দশ বছর হতে চলল, রায়হানের সাথে ওর সংসার জীবনে পথ চলার বয়স। তারপরও মনে হয়, এই তো সেদিনের ঘটনা। কত স্মৃতি, কত আনন্দ, বেদনা-এসবের মিশেলে হৃদয়ে বয়ে চলা এক নস্টালজিক সোনালী অতীত রুমাকে আরো … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!