খেলার পুতুল —– দেবাশিস কোনার

‘কত না রংবাহারি ফুলের মালায় খোঁপাটি মনের মত সবাই সাজায় ।’ এটি একটি গানের লাইন । লাইনটির মধ্যে ভুল থাকতে পারে আবার ঠিকও হতে পারে । কিন্তু এই বাক্যবন্ধের মধ্য দিয়ে যে কথা বলবার প্রয়াস , তা হল আমরা সকলেই নিজেকে ভালবাসি। নিজেকে সর্বদা সুন্দর করে সাজাতে চাই । আমরা আসলে খেলার পুতুল । কোনও … বিস্তারিত পড়ুন

স্বপন—- প্রবীর কুমার রায়

  দীর্ঘ তের বছর পর হঠাৎ গড়িয়াহাটের মোড়ে স্বপনের সাথে দেখা। না, ঠিক বললাম না। মধ্যে বার দু’এক ওর সাথে দূর্গাপুর বা পানাগড়, কোথায় যেন, হাওড়া আসার পথে খুব অল্প সময়ের জন্য দেখা হয়েছিল। ভিড় ট্রেনে সে ভাবে কথা বলার সুযোগ ছিল না। তবু ওরই মধ্যে সামান্য দু’চার কথায়, তার পুরানো স্বভাবের ছবিটাই ফুটে উঠলো। … বিস্তারিত পড়ুন

মার্জার উপাখ্যান০—-সুবীর কুমার রায়

  ছোটবেলা থেকেই আমার পশুপাখির ওপর একটা কৌতুহল, ভালবাসা ও ভাললাগা আছে। পাখি পোষা আমার কপালে নেই, কিন্তু কুকুর, খরগোশ, গিনিপিগ, সাদা ইঁদুর, কী না বাড়িতে এনে যত্ন করে পুষেছি? তাদের সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্যও রেখেছি। একবার একটা পায়রার নখ বড় হয়ে গেছে মনে করে ব্লেড দিয়ে নখ কেটে দিয়ে, বাবার কাছে প্রহারও খেয়েছি। পায়রাটার পা … বিস্তারিত পড়ুন

টেনশন — সুবীর কুমার রায়

আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের থেকে দীনবন্ধুবাবুর জীবনটা অনেক সুখে, অনেক শান্তিতেই কাটছিল। বি.এ. পাশ করেই বেশ ভাল একটা চাকরী পেয়ে যাওয়ায়, জীবনটা আরও মসৃণ গতি পেয়েছিল। স্ত্রী রমলা ও ছেলে মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু যত গোলমাল দেখা দিল রাঘবের মৃত্যুতে। রাঘব তার বন্ধু ভৈরব এর ছোট ভাই। তার থেকে বয়সে অন্তত বছর সাতেক এর … বিস্তারিত পড়ুন

রায়ট— সুবীর কুমার রায়

জলকাদা আগাছায় ভরা ছোট্ট একটা গ্রাম, কে যে এহেন গ্রামের নাম সাধ করে কুসুমপুর রেখেছিল কেউ জানেও না, জানার প্রয়োজনও বোধ করেনা। কুসুম বলতে আকন্দ, ঘেঁটু, পার্থেনিয়াম জাতীয় কিছু জংলি ফুল, আর কলকে, মাদার বা নাম না জানা কিছু গাছের ফুল। রাস্তাঘাটের বালাই নেই, নিজেরাই নির্দিষ্ট পথে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে করে ঘাসহীন কিছু পায়ে … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ—- রুখসানা কাজল

তেজগাঁ ষ্টেশনে ট্রেন থামতেই নেমে পড়ে সহেলি। দশ বছরের মেয়ে শাবনূর বেশ চটপট। কাঁধে ঝুলানো ভারী ব্যাগ নিয়ে আগেই বেরিয়ে গেছে ভিড় ঠেলেঠুলে । ছেলেটি একেবারে বুকের সাথে লেপ্টে আছে । সহেলি ঠিক মত পা ফেলতে পারছে না। এত মানুষ এই ষ্টেশনে ! গিজগিজে ভিড়ে ঘাম গন্ধে বমি আসে ওর । তার উপর দুঃখে বুকটি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃসাহসিক —- শ্রীপর্ণা বন্দ্যোপাধ্যায়

অনেকে ফোনেই নানা রকম বিদঘুটে প্রস্তাব আসে – বোল্‌ড দৃশ্য, বোল্‌ড পোশাক, প্রযোজক ও পরিচালকের সঙ্গে বোল্‌ড সম্পর্ক। কত রকম টোপ! আনকোরা নতুন মুখকেও লাখ লাখ টাকা দেওয়া হবে যদি সংস্কার ত্যাগ করে তারা দুঃসাহসী হয়। কেউ বা রাতপোশাক দিয়ে কথা শুরু করে ক্রমশ ডিজাইনার অন্তর্বাস, অর্ধনগ্নতা ও শেষে প্রায় পুরোপুরি উন্মোচনের দাবি জানায়। অডিশন … বিস্তারিত পড়ুন

শুভদা—— অভীক মুখোপাধ্যায়

শুভদা। তার শুভনাম শ্যামাশ্যাম কৃষ্ণপূজারী চৌধুরী হলেও পাড়ায় এবং পরিচিত মহলে শুভ নামেই সকলে চিনত আর ডাকতও। এই শুভদাই আজ আমার কাহিনীর মূল চরিত্র। শুভদার সবথেকে বেশি পরিচিতি হয়েছিল অ্যাংলো কলেজের জি.এস. হিসাবে। বলা যেতে পারে পপুলারিটির দিক দিয়ে একেবারে গোল্ডেন টাইম। যদিও আমি ওকে চিনতাম সেই ছোট থেকেই, আর সেটা অবশ্যই এক পাড়ায় থাকার … বিস্তারিত পড়ুন

অন্তর্ধান —– হিমাদ্রি বন্দ্যোপাধ্যায়

সকাল থেকে বাবা-কে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাবা মর্নিংওয়াকে কখনও যান না। শরীর তো তাঁর দিব্যি সুস্থ, সবল। সামান্য সর্দি-কাশি ছাড়া বড়ো একটা প্রবলেম তাঁর ছেলে-মেয়েরা দেখে নি। অসুস্থ ব’লতে যিনি ছিলেন, তিনি মা। মিতুর প্রবলেমটা ধরা প’ড়তে তিনি সেই যে বিছানায় প’ড়ে গিয়েছিলেন, আর ওঠেন নি। পাঁচটা মাস তিনি ভুগেছেন আর ভুগিয়েছেন বাড়ির মানুষকে। … বিস্তারিত পড়ুন

ডাকাতি—- কনাদ মুখোপাধ্যায়

গড়ের পাঁচিলটা এখানেই ভেঙে ভেঙে শেষ হয়েছে। না, কেউ থাকে না ওই গড়টায়। কবে কার একটা পুরনো দুর্গ, সাত বুড়োর আমলের। ভূতের ভয়ে কেউ তার চারধারও মাড়ায় না। আলোছায়া ঘেরা, শাল-পিয়ালের জঙ্গলে ভরা এই জায়গাটায় পা দিলেই গা ছমছম করে। অথচ আজ না এসে উপায় ছিল না। বাবা এখনও ঘরে আসেনি। রাতদিন যে কোথায় থাকে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!