টেনশন — সুবীর কুমার রায়

আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের থেকে দীনবন্ধুবাবুর জীবনটা অনেক সুখে, অনেক শান্তিতেই কাটছিল। বি.এ. পাশ করেই বেশ ভাল একটা চাকরী পেয়ে যাওয়ায়, জীবনটা আরও মসৃণ গতি পেয়েছিল। স্ত্রী রমলা ও ছেলে মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু যত গোলমাল দেখা দিল রাঘবের মৃত্যুতে। রাঘব তার বন্ধু ভৈরব এর ছোট ভাই। তার থেকে বয়সে অন্তত বছর সাতেক এর … বিস্তারিত পড়ুন

রায়ট— সুবীর কুমার রায়

জলকাদা আগাছায় ভরা ছোট্ট একটা গ্রাম, কে যে এহেন গ্রামের নাম সাধ করে কুসুমপুর রেখেছিল কেউ জানেও না, জানার প্রয়োজনও বোধ করেনা। কুসুম বলতে আকন্দ, ঘেঁটু, পার্থেনিয়াম জাতীয় কিছু জংলি ফুল, আর কলকে, মাদার বা নাম না জানা কিছু গাছের ফুল। রাস্তাঘাটের বালাই নেই, নিজেরাই নির্দিষ্ট পথে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে করে ঘাসহীন কিছু পায়ে … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ—- রুখসানা কাজল

তেজগাঁ ষ্টেশনে ট্রেন থামতেই নেমে পড়ে সহেলি। দশ বছরের মেয়ে শাবনূর বেশ চটপট। কাঁধে ঝুলানো ভারী ব্যাগ নিয়ে আগেই বেরিয়ে গেছে ভিড় ঠেলেঠুলে । ছেলেটি একেবারে বুকের সাথে লেপ্টে আছে । সহেলি ঠিক মত পা ফেলতে পারছে না। এত মানুষ এই ষ্টেশনে ! গিজগিজে ভিড়ে ঘাম গন্ধে বমি আসে ওর । তার উপর দুঃখে বুকটি … বিস্তারিত পড়ুন

ধম্মের ষাঁড় —সাঈদা মিমি

ও বুজি, আমার পুরা বাগান শ্যাসl ওই দেহো, ক্ষেতে নামছে, তোমার সাধের লাউগাছ গেলো! বুজি নিরুত্তাপl খাইবার দে, উইডা ধম্মের ষাঁড়, কিছু কইলে আমাগের উপর অভিশাপ আইসপো । কে ছেড়ে দিয়ে গেছে এই ষাঁড়? যে গেছে সেতো এই গ্রামেও থাকে না । মাসান্তে গাড়ি হাঁকিয়ে আসে, নানা ঋতুর ফসল বুঝে নেয়, বিক্রি করে দিয়ে আবার … বিস্তারিত পড়ুন

ঊষা—- পলাশকুমার পাল

তখনও সকাল স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। ধীরে ধীরে রাত তলিয়ে যাচ্ছে সূর্যের আলোয়। ফর্সা হচ্ছে পৃথিবী ক্রমশ। ঋতমের আধখোলা চোখে ফর্সা পৃথিবীর আলো জানলা দিয়ে এসে লেপ্টে যাচ্ছে। ঘুমের ঘোরে বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে করতে কানে ভেসে আসে বাইরে কোলাহলের শব্দ। আন্দাজ করতে পারে না। মনে হয় অনেক লোক জড়ো হয়েছে তাদের বাড়ির পাশেই। এপাশ করতে … বিস্তারিত পড়ুন

বিমল —- সুবীর কুমার রায়।

অফিসে বিমল জানা নামে এক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী ছিল। সে খুব ভালো রান্না করতে পারতো এবং মাঝেমধ্যে অফিসের ক্যান্টিনে ভালোমন্দ রান্না করে আমাদের খাওয়াতোও। ছেলেটা খুব ভাল ছিল, কিন্তু তার পিছনে লেগে আমরা খুব মজা পেতাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম, সে রোজ দুটো করে ডিমসিদ্ধ খাওয়া শুরু করেছে। তখন আমার অল্প বয়েস, কথায় কথায় কবিতা লিখে … বিস্তারিত পড়ুন

ডাকাতি—- কনাদ মুখোপাধ্যায়

গড়ের পাঁচিলটা এখানেই ভেঙে ভেঙে শেষ হয়েছে। না, কেউ থাকে না ওই গড়টায়। কবে কার একটা পুরনো দুর্গ, সাত বুড়োর আমলের। ভূতের ভয়ে কেউ তার চারধারও মাড়ায় না। আলোছায়া ঘেরা, শাল-পিয়ালের জঙ্গলে ভরা এই জায়গাটায় পা দিলেই গা ছমছম করে। অথচ আজ না এসে উপায় ছিল না। বাবা এখনও ঘরে আসেনি। রাতদিন যে কোথায় থাকে … বিস্তারিত পড়ুন

অকপট —- হিমাদ্রি বন্দ্যোপাধ্যায়

সমবেত গুণীজন ও এই সোসাইটি-র মান্যবর অধিবাসিবৃন্দ! আমাকে যে আপনারা আজ এ্যাতো মূল্য দিয়ে সম্বধর্না আর বিদায় অভিনন্দন জানাতে ইচ্ছে প্রকাশ ক’রেছেন, এতেই আমি সম্মানিত ও ধন্য। তবে এ্যাতোটা দরকার ছিল না। আমাকে আপনারা যে ভালোবাসা দিয়েছেন, আমার অভিনীত ছবিগুলো যে আপনারা নানা থিয়েটারে গিয়ে দেখে আমাকে আর আমার কাজ-কে সার্থক করেছেন, তাতেই আমার প্রতি … বিস্তারিত পড়ুন

অবয়ব —– হিমাদ্রি বন্দ্যোপাধ্যায়

নিতাই নাকি একেবারে রাতারাতি ব’দলে গেছে। গোটা কুবেরপুর গ্রামজুড়ে ওকে নিয়ে এই তিনটে দিনেই একটা মাত্র আলোচনা ছড়িয়ে প’ড়েছে। সকালবেলা পঞ্চায়েত প্রধান সাহেবের সাথে দেখা পণ্ডিতমশাই মাধব ভট্টাচার্জের। প্রধান সাহেব জিজ্ঞেস ক’রলেন, — কী ব্যাপার, পণ্ডিতমশাই! কি সব শুনছি! পণ্ডিতমশাই-এর বয়স হয়েছে। ভ্রু-তে লোমগুলো বিরাট বিরাট আকৃতি নিয়েছে। তাও পাক ধ’রে গেছে আজকাল। এ অবস্থায় … বিস্তারিত পড়ুন

পর্ণমোচী— ঝর্না চট্টোপাধ্যায়

দোকানে কাউন্টারের উপরে নানান রঙের উলের গোলা। তার উপরে ঝুঁকে পড়ে রঙ বাছছিল তৃণা। হাতে বোনা সোয়েটার কেউ আর পরে না এখন। সে সব আগে পরত। শীত এলেই মা-কাকির দল উলের গোলা নিয়ে দুপুরে খাবার পরে রোদে বসে উল ছাড়ানো, কিংবা সন্ধ্যেয় রেডিওতে খবর শুনতে শুনতে, দেখতে দেখতে সোফায় বসে উলবোনার একটা রেওয়াজই ছিল বলা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!