হযরত আবু মুহাম্মদ জারীর (রঃ) – শেষ পর্ব

তাঁর বাণীসমূহ খুবই মূল্যবান। জগদ্বাসীর জন্য উহা অমূল্য সম্পদ। বাণীসমূহঃ ১. এমন এক যুগ ছিল, যখন মানুষ ধর্ম রক্ষার জন্য কাজ করত। কিন্তু এখন তা নেই। তার পরবর্তী যুগে বিবেক অনুযায়ী কাজ করা হত। এখন তাও নেই। তারও পরবর্তী যুগে লজ্জাবশতঃ কাজ হত। এখন তাও নেই। এখন অবস্থা এমন যে, শুধু ভয় আর দাপটের চোটে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু মুহাম্মদ জারীর (রঃ) – পর্ব ১

হযরত আবু মুহাম্মদ জারীর (রঃ) এক শীর্ষস্থানীয় সাধক। তাঁর সম্বন্ধে হযরত জুনায়েদ (রঃ) মন্তব্য করেন, আবু মুহাম্মদ আমার পরে আমার স্থলাভিষিক্ত হবে। বলাবাহুল্য, এই তত্ত্বদর্শী অক্লান্ত সাধক শরীয়ত, মারেফাত ও অন্যান্য শাস্ত্রসমূহে গভীর ব্যুৎপত্তি লাভ করে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী সফল করেছিলেন। হযরত আবু মুহাম্মদ (রঃ) বাগদাদবাসী ছিলেন। কেবল একটি বছর পবিত্র মক্কা নগরীতে কাটান। সেই একটি … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – শেষ পর্ব

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ৩  পড়তে এখানে ক্লিক করুন মক্কা থেকে তিনি আবার ফিরলেন বাগদাদে।  বাগদাদে এক জনসভায় প্রসঙ্গেক্রমে তিনি বললেন, আমার এ বিদেশযাত্রায় আমি চার দাং (চব্বিশ রতি) রুপা রেখেছিলাম।  তা এখনও আমার কাছ আছে, একথা শুনে এক তরুন বলল, হজু্র! আপনি যখন আমার সঙ্গে ঐ রুপা নেন তখন কি … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ৩

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ২  পড়তে এখানে ক্লিক করুন শ্রমজীবী মানুষের মতো মেহনত করে তিনি তাঁর জীবিকানির্বাহ করতেন।  তা দেখে একজন ধনী ব্যক্তি বললেন, কাজ করে খাচ্ছেন বলে মানুষ আপনাকে হেয় চোখে দেখছে।  তাঁর চেয়ে বরং আমি আপনাকে টাকা দেই।  আপনি তা ইচ্ছামতো খরচ করুন।  তিনি বললেন, যদি পাঁচটি জিনিসের ভয় … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ২

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ১ পড়তে এখানে ক্লিক করুন এই মহিমান্বিত মানুষটি হল হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ)।  বখলের এক মহান সাধক, বহু ধর্মগ্রন্থের রচয়িতা।  আল্লাহর প্রতি অন্তহীন নির্ভরতা ছিল তাঁর একটি বিশিষ্ট গুণ।  বহু জ্ঞান-তাপসের কাছ থেকে তিনি মারেফত বিদ্যা লাভ  করেন।  তিনি নিজেই বলেছেন, এক হাজার সাত’জন পীরের … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আলী শাকীক বখলী (রঃ) – পর্ব ১

তুরস্কের এক বিরাট মন্দির।  মন্দিরে পাথরের প্রতিমা।  মানুষ এ প্রতিমার উপাসনা করে।  বখল দেশের এক বণিক এসেছেন মন্দির দেখতে।  বাণিজ্য উপলক্ষে তিনি তুরস্কের এসেছেন।  কোথাও কী আছে ঘুরে ফিরে দেখছেন, এক পূজারী নতজানু হয়ে সাশ্রু নয়নে পাথর প্রতিমার পূজা করছেন। বণিক চুপ করে থাকতে না পেরে তাকে বলেই ফেললেন, আপনার সৃষ্টিকর্তা অসীম শক্তির আধার, চিরসঞ্জিব।  … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আবদুল্লাহ জাল্লা (রঃ) – শেষ পর্ব

একবার এক ব্যক্তি দারিদ্র সম্পর্কে তাঁকে প্রশ্ন করেন। প্রশ্ন শোনামাত্র তিনি বাইরে উঠে যান। তারপর কিছুক্ষণ পরে ফিরে এসে বললেন, আসলে আমার জামার পকেটে কিছু রূপোর টাকা ছিল সেগুলি গরীব-দুঃখীদের দিয়ে এলাম। কেননা দারিদ্র ও শূন্যতা সম্বদ্ধে কথা বলব, অথচ পকেটে থাকবে রূপোর টাকা, তা তো হয় না। সেটা বড় লজ্জার বিষয়। মানুষ কখন ফকির … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আবদুল্লাহ জাল্লা (রঃ) – পর্ব ১

একদিন একটি ছেলে তাঁর মা-বাবাকে বললেন, আমাকে আল্লাহর হাতে সঁপে দিন। আমি প্রাণভরে তাঁর এবাদত করি। তাঁরা সানন্দে সম্মতি দিলেন। তাঁর ইচ্ছা পূর্ণ হোক এ আশীর্বাদও করলেন। ছেলেটি আল্লাহর পথে গৃহত্যাগী হলেন। আর জ্ঞানের পিপাসা নিয়ে ঘুরে বেড়ালেন সে যুগের সাধক-দরবেশগণের দরবারে। আল্লাহর রহমতে তাঁর জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ হল। তারপর একদিন হঠাৎ মা-বাবার কথা মনে … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত শায়খ আবুল খায়ের আকতা (রঃ)

হযরত শায়খ আবুল খায়ের (রঃ) সর্বকালের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানী ও সাধক ছিলেন, তাঁর গুণ-বৈশিষ্ট্য নিয়ে অনায়াসে একখানি গ্রন্থ রচিত হতে পারে। ছিল তাঁর আশ্চর্য বন্ধুত্ব। এমনকি হিংস্র প্রাণীরাও তাঁর কাছে নিয়মিত আসত। তিনি ছিলেন পাশ্চাত্যের লোক। হযরত জাল্লা (রঃ)-এর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল। হযরত শায়খ আবু খায়ের (রঃ) একবার তাঁর সূফী শিষ্যদের নিয়ে কয়েকদিন লুবনান … বিস্তারিত পড়ুন

হযরত আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনে হুসাইন (রঃ)

তুস শহরের সর্বশ্রেষ্ঠ সাধক হলেন হযরত আবু আবদুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে হুসাইন (রঃ)। সত্যনিষ্ঠ, প্রেমিক, অলৌকিক শক্তিসম্পন্ন এই সাধক একাগ্র সাধনার জন্য সুখ্যাত। হযরত আবু ওসমান তিবরী (রঃ)- সহ বহু বিখ্যাত তাপসের সান্নিধ্য লাভের সৌভাগ্য তাঁর হয়েছিল। তাঁর বাণী অন্তর জীবনকে উদ্ভাসিত করে দেয়। তিনি বলেন – ১। মুরীদগণ যে দুঃখ-কষ্টে জীবন যাপন করেন, তা আনন্দদায়ক … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!