হরিপুরের হরেক কান্ড –অষ্টদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ঊনবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । হঠাৎ রামহরি বলে উঠলেন, “আপনার ঘরে নেই-নেই করেও দামি জিনিস বেশ কিছু আছে। ডাকাতরা তেমন কিছু নেয়নি, এটা খুব আশ্চর্যের কথা, এমন নয় তো যে, ওরা একটা বিশেষ কোনও জিনিসেরই খোঁজে এসেছিল?” সুজন রামহরির দিকে চেয়ে বললেন, “কাল আপনি সময়মতো না এলে আমার কপালে আরও কষ্ট ছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–৩য় পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। নয়ন বলে উঠল, “কিন্তু আপনার তো পিস্তল নেই।” নগেন কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, তাতে কি? আমার দুটাে চোখই জোড়া পিস্তলের সমান। এই গদাইকেই জিজ্ঞেস করো না, কোনওদিন চোখে চোখ রেখে কথা কয়েছে?” “কিন্তু খুনির কাছে পিস্তল থাকতে পারে তো নগেনবাবু?” নগেন দারোগা হো হো করে হেসে উঠে বলল, “পারেই … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–চতুর্থ পর্ব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন “সেটা ধরতে তোমার এতদিন সময় লাগল কেন? যাকগে, এখন এসো, শূলপাণির ঘরদোর ভাল করে দেখে পরিস্থিতিটা খতিয়ে দেখা যাক৷” একটু কাঁপা গলায় পেছন থেকে ভূতনাথ বলে উঠল, “দেখার কিছু নেই ভায়া। আমি সেই কবেই শূলপাণিকে বলেছিলুম, ওরে শূল, ভূত-প্রেত ধরে অধৰ্ম করিস না। ওরাই একদিন তোর ঘাড় মটকাবে। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–পঞ্চম পর্ব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ষষ্ঠ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন যত রাত বাড়ছে দুর্যোগও ততই বাড়ছে। ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে তুমুল বৃষ্টি শুরু হওয়ায় শূলপাণির বাড়িতে জড়ো হওয়া লোকজন টকাটক সরে পড়তে লাগল। শেষ অবধি দারোগাবাবু, গদাই আর পবনকুমার ছাড়া কেউ রইল না। নগেন বলল, পবনবাবু, আপনার অভিজ্ঞতা অনেক। শূলপাণির কী হতে পারে বলে আপনার মনে হয় ? পবনকুমার … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–ষষ্ঠ পর্ব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের সপ্তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। শেষরাতে বৃষ্টি থেমে দুর্যোগ কেটে গেল। সকালবেলায় কুয়াশায় মাখা একটু রোদও উঠল। এই সাতসকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়েছে মদন হালদার আর সুজন বোস। দুজনেরই বয়স সত্তরের ওপরে। মদন বলল, এবার গাঁয়ে একটা অনাসৃষ্টি না হয়েই যায় না। সুজন সায়েন্স জানা লোক। বিলেতে আমেরিকায় বিজ্ঞানী হিসেবে অনেকদিন চাকরি করে এসেছে। শেষ … বিস্তারিত পড়ুন

একজন মা–১ম পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ছেলের বউটা খুব অত্যাচার করে মনার মার উপর। কত আশা নিয়ে ছেলেটাকে বিয়ে করিয়েছিলেন। স্বামী যতদিন বেচেছিলো সবই ঠিক ছিলো। স্বামী মারা যাওয়ার পর কখন যে সব বদলে গেলো টেরই পায়নি মনার মা। যেই সংসারে সে ছিলো কর্ত্রি সেই সংসারে আজ সে বোঝা। তারচেয়ে বড় কথা প্রতিদিন এমন … বিস্তারিত পড়ুন

একজন মা–শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। একদিন অনুরোধ করলো যাতে তার ছেলেকে একটা চাকরি দেখে দেওয়া হয়। যেহেতু পরিবারটির নিজস্ব রিয়েল এস্টেট ব্যাবসা ছিলো তারা তাই আসাদকে একটি সাইটে দারোয়ান হিসেবে নিয়োগ দিয়ে দিলো। আর মনার মাকে বুদ্ধি দিলো গ্রামে নিজের টাকায় একটা ঘর করতে লাগলে তারা সহায়তাও করবে। দিন বেশ ভালোই কেটে যাচ্ছিলো। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–১ম পর্ব–শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। গদাই নস্কর ডাকাতি ছাড়লে হবে কী,হাক ডাক ছাড়েনি,আরে নগেন দারাগা চাকুরি থেকে রিটায়ার করছেন বটে,কিন্তু দাপট যাবে কোথায়?গদাই যখন ডাকাত ছিল আর নগেন যখন দারোগা,তখন দুজনে বিস্তর লড়াই হয়েছে।গদাই কে দুইবার গ্রেফতার করেছিল নগেন,দুইবার নগেন গারদ ভেঙে পালায়।দু,জনেই ছিলেন দুজনের জাত শত্রু এখন যে তারা দু,জন দুজকে পছন্দ … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–২য় পর্ব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। আবার ওই হাসির শব্দ পেলেই মহেন্দ্র তার মুদির দোকানের ঝাঁপ ফেলে হিসেব করতে বসে। শূলপাণি যেই হাসল, অমনি অন্নদাপিসি তাঁর জপ-আহ্নিক সেরে উঠে পড়েন। আর প্রবৃদ্ধ অন্নদাচরণ তাঁর ঠাকুদার আমলের পকেট-ঘড়িটার সময় ওই হাসির সঙ্গে রোজ মিলিয়ে নেন। আটটা বাজে-বাজে। ঘন ঘন ঘড়ি দেখছেন রাজদ্রোহী পবনকুমার। আটটা বাজলেই … বিস্তারিত পড়ুন

“ওয়ারন” (মা দিবসের গল্প)— রংবাহারী

এক ভয়ংকর স্বপ্নটা কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না রু এর। স্বপ্নে সে একটা ছোট শিশুকে দেখে। শিশুটি ভয়ে কান্না করছে। নিজের শৈশবের কোন কিছুই মনে নেই রু এর। তবুও সে শিশুটিকে চিনতে পারে। শিশুটি সে নিজেই। ভয়ে কান্নারত। এমন সময় একজন মমতাময়ী মহিলা এসে তার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। আদর করে বলে, ” কি হয়েছে আমার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!