অদ্ভূত

এত সকালে মোল্লা বাড়িতে হৈ চৈ পড়ে যাবে, তা কে জানতো! গফুর মোল্লার অস্থিরতায় আরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছে। পাড়ার কোনো বাড়িতে এখন মানুষ নেই, সব মানুষ যেনো জড়ো হয়েছে মোল্লা বাড়ির দক্ষিণ ঘরটার উঠানে। মাঝখানে চেয়ারে বসে আছে গফুর মোল্লার ছোট ছেলে। পাশে লেকবার কবিরাজ। লেকবার কবিরাজ অত্র এলাকার অতি পরিচিত একটি মুখ। চোয়াল … বিস্তারিত পড়ুন

বাবার পায়ের আওয়াজ — সুহৃদ আকবর

আমার প্রিয় ঋতু শীত। কিন্তু গ্রীষ্মকাল আমার একেবারেই অসহ্য লাগে। বর্ষাও ভাল লাগে বেশ। কারণ তখন গাছের ডালে কোকিল ডাকে। বসমত্ম কার না ভাল লাগে। সে সময় বাগানে ফুল ফোটে। শরৎকে ভাল লাগে নদীর ধারে কাশফুল ফোটে বলে। হেমমেত্ম নবান্ন উৎসব হয়। তখন পাকা ধানের মৌ মৌ গন্ধে চারিদিক আমোদিত থাকে। মায়ের হাতের পিঠার কথাতো … বিস্তারিত পড়ুন

নিরুদ্দেশ — এম এ জিন্নাহ

জুন মাসের প্রথম দিক। কদিন পরেই হাফ ইয়ারলি পরীক্ষা হওয়ার কথা। আমি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ি। কিন্তু স্কুল বন্ধ। পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের যুদ্ধ তখন তুঙ্গে। পাংশা থানা সদরেই আমাদের ছোট্ট বাড়ি। বাবা পাংশা বাজারে কাপড়ের ব্যবসা করেন। ব্যবসা মানে মেয়েদের জন্যে থান কাপড়। সেই কাপড়ের মাঝে মাঝে ডোরা ডোরা দাগ থাকত। আর পুরুষদের মার্কিন কাপড়ের ‘থামি’। … বিস্তারিত পড়ুন

আকব্জিআঙুল নদীকূল—- খালেদ হামিদী

পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী বৃক্ষশোভিত স্বপ্নের শহর আল খোবারে এই অগাস্টেও দেশের শারদীয় বায়ুমণ্ডলের স্পর্শ কী করে মেলে তা বুঝে ওঠার বদলে অনেকটাই ফুরফুরে বোধ করে মনজুর। সেই সাথে, নাম জানার যেখানে প্রশ্নই আসে না, বরং নম্বরই শনাক্তকরণে বেশি সহায়ক হতো বলে তার বরাবরের ধারণা, সেখানে, কীভাবে দিলশাদের নাম জেনে ফেলে এবং দেশীয় নারীটির সঙ্গে ক্রমশ … বিস্তারিত পড়ুন

সে আমার মন কেড়েছে

ভালোবাসার সাতকাহন

পৃথিবীর সব ওয়েটিং রুমের বাহ্যিক অবস্থায় যতোটা বৈসাদৃশ্য ও বৈচিত্র থাক না কেন, তাদের মধ্যে কিছু কমন অভিজ্ঞতা থাকে। তার একটি হলো এর ক্ষণিক প্রেম রচনার ইতিহাস। জানা নেই, শোনা নেই, হঠাৎ করেই হালকা বাতাস ধেয়ে আসে। যেন কোনো তাবিজ গাছে আগে থেকেই বাঁধা ছিল বশীকরণ তাবিজ। হাওয়ায় তাবিজ দোলে আর ওয়েটিং রুমে তৈরী হয় … বিস্তারিত পড়ুন

ভবপুরে পরকথা— আবু রাশেদ পলাশ

সোনাতলা গ্রামের রমিজাকে চেনো ? ও এখন ঘোমটা পড়া পল্লীবধূ । সকালের সূর্য যখন ভূমিষ্ঠ হয় তাকালে রক্তাক্ত আভা দেখা যায় । ভেতরে তার আগ্নেয়গিরি আর তপ্ত লাভা । যে পুড়ে সে অঙ্গার হয়। আবার মরণকালে লালরঙা শাড়ি পড়ে সে । রমিজারা সূর্যের ন্যায় । ওদের চোখে তাকিয়ে দেখ সূর্যের সমস্ত রূপ সেখানে বিদ্যমান । … বিস্তারিত পড়ুন

মুড়ো – শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া

আকারে হাত খানেক হবে গজারটা। কিন্তু অসম্ভব শক্তি! দুহাতে সজোরে আঁকড়ে ধরেও রাখতে পারছে না টুকন। পিছল গা বলে মোচড় দিয়ে বেশ জুত পাচ্ছে মাছটা। এঁকেবেঁকে ওটা একটা করে ঠেলা মারে, আর অমনি সড়াৎ করে পড়ে যায় মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে টুকনও প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ে মাছটার ওপর। রীতিমতো কুস্তি লড়ে পাকড়াও করে মাছটকে। হাঁপাতে হাঁপাতে সোজা … বিস্তারিত পড়ুন

অপহরণ সিরিজ—দ্বিতীয় অংশ

সকালের কাগজে খবরটা দেখার পরেই গজেন্দ্রনাথ শীল ফোন করলেন গোয়েন্দা তিলক চৌধুরীকে। ফোনে গোয়েন্দার গল পেতেই গজেনবাবু ভাঙা ভাঙা গলায় বললেন, “কী সাংঘাতিক ব্যাপার মশাই, আবার সেই কিডন্যাপিং! কোনও ক্লু পেলেন না কি?” অস্বাভাবিক রকমের শান্ত গলায় জবাব দিলেন তিলক চৌধুরী, “না, এখনও পাই নি।” “আপনি একটু জোর চেষ্টা চালিয়ে যান মশাই। অ্যাঁ, এটা মগের … বিস্তারিত পড়ুন

বকুমার বয়ান

‘কী আর কব লো বুন, মানষির আক্কেল-পছন্দ দেকলি দুঃখে ঠোঁট কপাটি নাগার জো অয়! নতুন কত্তা আমাগের দুই জুটিরে কিনে আনে সেই রাত্তিরি থাকপার দিল মুরগীর ঘরে-একপাল দামড়া মোরগ আর মুরগীর সাথে! ঘরে ঢোকা মাত্তর-ই মুরগীর করকর আর মোরগের কক্ কক্ শব্দে কানের তালা প্রায় নাগে যায় আর কি। তার ওপর মুরগীগুলোর গায়ের বিদঘুটে গন্ধ … বিস্তারিত পড়ুন

নৈ

জেলেপাড়ার হাড় জিরজিরে কুকুরগুলোর রক্তে আগুন জ্বালিয়ে একনাগাড়ে ডেকে ডেকে কাশবনের হতচ্ছাড়া শিয়ালগুলো ক্লান্ত হলে, ভোঁস-ভোঁস, ফোঁস-ফোঁস, শীৎকার করতে করতে অবশেষে রাত্রি দ্বিপ্রহরে গগনবাবুর রতিপাত হলো! তাতে আমার শুষ্ক নিস্ফলা জঠর ক্ষণিকের জন্য কিছুটা আর্দ্র হলেও নতুন প্রাণের সঞ্চার হলো না। চৈত্র-বোশেখের তীব্র দাবদাহে আমার বুকটা ভীষণ জ্বলে গো বাবুমশাই। আমি সইতে পারি না। সূর্যদেবের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!