হরিপুরের হরেক কান্ড– দশম তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের একাদশ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা বলল, আজ্ঞে না। ওখানে গিয়ে হবেটা কী? শূলপাণি পাগল মানুষ, কুকুর-বেড়াল নিয়ে থাকত, তার বাড়িতে হানা দিয়ে হবে কোন লবডঙ্কা ? তা বটে। কিন্তু শূলপাণি যে নিয্যস পাগল একথাটা আমার প্রত্যয় হয় না। আমার বরাবরই মনে হয়েছে শূলপাণি একজন সাজা পাগল। পাগলু অবাক হয়ে বলে, বটে … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–একাদশ তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের দ্বাদশ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সুজন বোস সকালবেলা থেকেই একটু চিন্তিত, তিন কাপ কালো কফি খেয়ে বাগানে পায়চারি করে চিন্তার জট ছাড়ানোর চেষ্টা করছেন, তাতে মাথার মেঘ কাটেনি। এখন বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ নিজের ল্যাবরেটরিতে বসে একটা সায়েন্স ম্যাগাজিনের পাতা ওল্টাচ্ছেন। দক্ষিণের জানালার দিকটায় ফণিমনসার ঝোপজঙ্গল, সেদিক থেকেই মৃদু একটু গলা খাঁকারির … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–দ্বাদশ তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ত্রেয়োদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। হরিপুর ছাড়িয়ে মাইল পাঁচেক আসার পর মোপেড থামিয়ে কাঁধের থলি থেকে একটা শক্তিশালী ক্ষুদে দূরবীন বের করে পেছনের দিকটা ভাল করে লক্ষ্য করলেন সুজন, না, কেউ আসছে না অনুসরণ করে। নিশ্চিন্ত হয়ে তিনি ফের গাড়ি ছাড়লেন । প্রায় কুড়ি মাইল তফাতে সাতগাঁ। গ্রামের উত্তর দিকে একখানা পাকা বাড়ির … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–ত্রেয়োদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের চর্তুদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রামহরি আসলে সাহসী মানুষ, বন্ধ ঘরের ভেতর থেকে কথার আওয়াজ পেয়ে প্রথমটায় ভয় খেলেও সামলে গেলেন। তারপর জানালার বন্ধ পাল্লায় গিয়ে কান পাতলেন, ঝড়-বৃষ্টির শব্দে প্রথমটায় কিছু শুনতে পেলেন না। কিন্তু প্রাণপণ মনঃসংযোগ করে থাকার ফলে একটু বাদে শুনতে পেলেন, কে যেন কাকে বলছে, “হাঁ হাঁ বাবু ও … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–চর্তুদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । রামহরি ভাবলেন, মনের ভুলই হবে। এই দুর্যোগে কে এসে তাঁর পেছনে লাগবে? তবে এখানে আর কালক্ষেপ করা যে যুক্তিযুক্ত হবে না সেটা বুঝতে পারলেন রামহরি। সুতরাং ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তিনি দাওয়া থেকে নেমে পড়লেন, তারপর বয়স অনুপাতে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে যত জোরে ছোটা যায় তত জোরেই ছুটতে লাগলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–পঞ্চদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ষোড়শ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ঝড়-জলের রাত বলে তো আর ঘরে শুয়ে নাক ডাকলে জগার চলবে না। জগা তাই নিশুত রাতে শহিদলালের দক্ষিণের ঘরের একখানা কমজোরি জানালার পুরো কাঠামটাই খুলে ফেলল, ঝড়-জলের রাত বলে দুটো সুবিধে, আজ রাত-পাহারার লোকেরা কেউ বোরোয়নি, আর দুনম্বর সুবিধে হল, একটু-আধটু শব্দ হলেও কেউ শুনতে পাবে না। জগা … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–ষোড়তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের সপ্তদশ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা বলল, “তখন থেকে জুতো-জুতো করে চেঁচিয়ে মরছে দ্যাখো! কেমন চোর তুমি যে জুতো খুলে চুরি করতে ঢোকো? চুরি তো আর পুজো আচ্চা নয় যে জুতো খুলতে হবে!” “তু দো দিনক ছোকরা, তু কুছু জানিস না। হামারা নাগরা জুতির এইসান আওয়াজ হয় কি মুর্দা ভি উঠকে বৈঠেগা, … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –সপ্তদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের অষ্টদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বহুকাল এমন খাবার খায়নি দুজনে। সরে ভরা ঘন দুধ, মর্তমান কলা, বাতাসা আর চিড়ে যে কী অমৃত তা বলে শেষ করা যায় না। শীতলালক্ষ্মী একেবারে মুক্তহস্ত হয়ে খাওয়াচ্ছেন। ফলে দুজনেরই দেদার খেয়ে পেট একেবারে টাই টাই হয়ে গেল। শীতলালক্ষ্মী দুঃখ করে বললেন, আহা রে বাছারা, কতকাল বুঝি পেট … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –অষ্টদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ঊনবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । হঠাৎ রামহরি বলে উঠলেন, “আপনার ঘরে নেই-নেই করেও দামি জিনিস বেশ কিছু আছে। ডাকাতরা তেমন কিছু নেয়নি, এটা খুব আশ্চর্যের কথা, এমন নয় তো যে, ওরা একটা বিশেষ কোনও জিনিসেরই খোঁজে এসেছিল?” সুজন রামহরির দিকে চেয়ে বললেন, “কাল আপনি সময়মতো না এলে আমার কপালে আরও কষ্ট ছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –ঊনবিংশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের বিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা আর রামপ্রসাদের এক রাত্তিরেই বেশ ভাব হয়ে গেছে। রামপ্রসাদ দুপুরে জগার ঘরে খেতে বসে বলল, আরে এ জগুয়া, তু কি রোজ এইসন খানা খাস নাকি রে বেওকুফ? জগা কাঁচুমাচু হয়ে বলল, আমি গরিব মানুষ, এর চেয়ে আর বেশি কী করতে পারি বলো তো রামপ্রসাদদাদা? ডাল ভাত আর … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!