ডজিলা

রাতের সমুদ্র। বিশাল বিশাল গাঢ় কালচে নীল রঙের ঢেউ একের পর এক এসে আছড়ে পড়ছে, তারপর সাদা হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে। চারদিক নিঃশব্দ, ফাঁকা, শুধু ঢেউয়ের গর্জন আর বাতাসের শোঁ শোঁ। মাঝে মাঝে তীক্ষ চিৎকার করে উড়ে যাচ্ছে দু একটা নিশাচর সামুদ্রিক পাখী। সমুদ্রের রঙ যেখানে আরও ঘন, প্রায় অন্ধকারের সাথে মিশে গেছে, সেই দূরে খুব … বিস্তারিত পড়ুন

বাবার চিঠি

সন্ধ্যার আগেই প্রতিদিন ঘরে ফেরে ‘টুনু’ কিন্তু একদিন আর ফিরলনা। লোকজন সব ফিরে এসে জানাল- কোথাও পাওয়া গেলনা। এবার উকিল সাহেব নিজেই বেরুলেন। বাজারের মধ্যে এসে ডাক দিতে একটি বন্ধ মদের দোকান থেকে সাড়া মিলল। এবার পৌ্র চেয়ারম্যানের কন্ঠে হুকুম দিলেন- হয় দোকানদারকে হাজির কর আর না পেলে দোকানের তালা ভেঁঙ্গে ফেল। দোকানদার এসে তালা … বিস্তারিত পড়ুন

মজার দুষ্টু বিদ্রোহ

মধুমতি নদী থেকে উঠে আসা বড়খালের জোয়ার ভাটার পানিতে সাঁতার কাটার সময় ওরা এক আলাদা জগত তৈরি করে। ওরা সবাই প্রায় কিশোর বয়সের। তবে ভালো সাঁতার জানা ছোটদের কেউ কেউও ওই খেলায় খেলার সুযোগ পায়। দেখলে মনে হবে ওরা বুঝি পৃথিবীর সবচেয়ে আনন্দদায়ক ওই খেলা খেলছে আর সে খেলায় ওরাই সবচেয়ে সেরা। এই খেলায় অন্যসব … বিস্তারিত পড়ুন

থানায় কবুল—- জিয়া হাশান

এক. থানা সদর আর বিশারকান্দি গ্রামের মাঝখানে শোয়ানো পনের কিলোমিটার নাড়ীপথ, অসংখ্য তার প্যাঁচঘোঁচ। তাও স্থল নয় জল । যাতায়াতের একমাত্র ভরসা নৌকা। তা ইদানিং পুচ্ছে যন্ত্র জুড়ে নতুন নাম ধারণ করেছে— ট্রলার। এতে করে জলে তার তাণ্ডব বাড়লেও থানা সদর থেকে যাত্রা করে বিশালকান্দিতে পৌঁছতে ঘড়ির কাঁটাকে পুরো দুটো ঘর হাঁটাতে হয়। সে গ্রামের … বিস্তারিত পড়ুন

শ্বেতপাথরের টেবিল —– সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়

শ্বেতপাথরের টেবিলটা ছিল দোতলায়, দক্ষিণে রাস্তার ধারের জানালার পাশে। ঠিক চৌকোও নয়, গোলও নয়। চারপাশে বেশ ঢেউ-খেলানো। অনেকটা আলপনার মতো। বেশ বাহারি একটা ফ্রেমের ওপর আলগা বসানো। নিজের ভারেই বেশ চেপে বসে থাকত। পাথরটা প্রায় মণ দুয়েক ভারী। ফ্রেমের চারদিকে জাফরির কাজ করা কাঠের ঝালর লাগানো ছিল। সারা ফ্রেম ঘিরে ছিল অসংখ্য কাঠের গুলি। গোল … বিস্তারিত পড়ুন

এক্সকিউজ মি স্যার আমার নাম সাজ্জাদ— আনোয়ার সাদী

এক্সকিউজ মি, আমার নাম সাজ্জাদ স্যার। একটা লেটেষ্ট এডিশন বই এনেছি। এটা ভালো। ছেলেটি ছিপছিপে, ভেসে থাকা চোয়ালে সামর্থ্যের ছাপ ষ্পস্ট। তার হাসিমাখা মুখে তাকিয়ে বিব্রত রফিক। কেননা তার চোখ চিক চিক করছে অপ্রকাশিত কান্নায়। ভেতরটা কাঁপছে অজানা এক আশঙ্কায় । হাসপাতলের কৃত্রিম আলো তার চোখ থেকে মুছে দিতে পারছে না এই শঙ্কা। বউ হাসপাতলে … বিস্তারিত পড়ুন

মালতি—- মহি মুহাম্মদ

মালতির খবরে উন্মাতাল হলো রতনপুর। অন্যপ্রতিযোগিরা এখন কানাইর ঘরে। চোলাইর রসে বেভুল হবে। রতনপুর চা বাগানের যাত্রাপালা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মালতির অনেক ডিমান্ড বেড়ে গিয়েছিল যুবকদের মধ্যে। শুধু যে যুবকদের মধ্যে তাই নয়, ওর চাহিদা তৈরি হয়েছিল বিবাহিত পুরুষদের মধ্যেও। হঠাৎ চোখের সামনে বেড়ে ওঠা একটি মেয়ে রাতারাতি এমন পরিবর্তন হয়ে গেল তা যেন … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটগল্প: ভূপ—বর্ণালি সাহা

“ভাইয়া, ভাইয়া…দেখো পেয়ারাটা কামড় দিলে ভিতরে লাল দেখা যায়!” আমি দেখলাম সত্যি পেয়ারার ভিতরটা কেমন কা-কা করতে থাকা কাকের হাঁ-করা লাল টাগ্‌রার মত। “পেয়ারা কে দিসে? এহ! কেমন একটা পাকা কৎকতা পেয়ারা! এইটা আনছিস ক্যান্‌? তোর কি হরমুজের মা’র মত সব দাঁত পড়ে গেসে? আরেকটু কচকচা পাস নাই?” “দাদাজান দিসে। কোচিংএর কে জানি আনসে। ওদের … বিস্তারিত পড়ুন

তাশের ঘর— তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

অমর শখ করিয়া চায়ের বাসনের সেট কিনিয়াছিল। ছয়টা পিরিচ, পেয়ালা, চাদানি ইত্যাদি রঙ-চঙ করা সুদৃশ্য জিনিস, দামও নিতান্ত অল্প নয়- চার টাকা। চার টাকা মধ্যবিত্ত গৃহস্থের পক্ষে অনেক। অমরের মায়ের হুকুম ছিল,সেটটি যত্ন করে তুলে রেখো বউমা, কুটুম্বসজ্জন এলে, ভদ্রলোকজন এলে বের করো। কলিকাতা-প্রবাসী, হলেন্দ্রবাবুরা দেশে আসিয়াছেন, আজ তাঁহাদের বড়ির মেয়েরা অমরদের বাড়িতে বেড়াইতে আসিবেন; … বিস্তারিত পড়ুন

এক কাপ চা এবং নাক—-কাটার গল্প

এক কাপ চা  আজ তিরিশে কার্তিক। অগ্রহায়ণ আসছে। বাংলাদেশের নবান্নের কাল। বাতাসে শীতের টান। ভোরবেলা পায়ের কাছের কাঁথাটা টেনে নিতে হয়। ফুটপাতে ঝরে পড়ে থাকা ভোরের শিউলিতে টলমল করে শিশিরবিন্দু। আদিগন্ত বিস্তৃত ধানখেতের সবুজে সোনালির আভাস। গতকাল ১৩ নভেম্বর ছিল হুমায়ন আহমেদের জন্মদিন। তিনি নেই, কিন্তু তিনি আছেন, এবং আছে তাঁর জন্মদিনের উৎসবও। একবার আমরা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!