নদীর পারের জীবন

ধনাগোদা নদীর তীরে অর্ধেকটা চাঁদ তখন পশ্চিম দিকে হেলে পড়েছে। মাছ কাটার বড় ধামার চেয়ে খানিকটা চওড়া হবে চেহারায়। পশ্চিম আকাশে হেমন্তের ফুলে ওঠা শাদা মেঘের গায়ে আছড়ে পড়ছে তার হলদেটে ঘিয়ে রঙের আলো। তার নিচে দিগন্তবিস্তারী মাইল-মাইল জলে ডোবা ফসলের ক্ষেত। জলাজমির ওপর সেই অর্ধেকটা চাঁদের আলো দুধের সরের মতো জমে আছে। কোথাও কোনো … বিস্তারিত পড়ুন

ছোটকা ও ছুটকির কা-কারখানা

সামিহা আল মামুন পলাশপুর গ্রামে বাস করত ছোটকা ও ছুটকি। তারা থাকত তাদের দাদিমার সঙ্গে। দাদিমা ছিল খুব বৃদ্ধ। ছোটকা ও ছুটকির বাবা-মা ওদের ছোট রেখেই মারা যায়ু। ওদের দাদিমা আগে কাগজের প্যাকেট বানিয়ে বিক্রি করত। কিছু দিন ধরে অসুস্থ থাকায় কাগজের প্যাকেট বানাতে পারছিল না। তাই ওদের খাবার জোগাড় করতে কষ্ট হচ্ছিল। ছুটকি : … বিস্তারিত পড়ুন

বুড়ির মেয়ে তিন পরী—– মোঃশামীম মিয়া

গ্রাম আমদির পাড়া। চারদিক সবুজে ঘেরা, আমাদের পাড়া। মাঠে মাঠে রাখালের বাঁশি বাজানো সুর, চলে যায় গ্রাম পেড়িয়ে বহুদুর। গাছে, গাছে, হরেক রকম ফুল, ফল,পাখির ডাক। রাতে জোনাকী পোকার মিটমিট আলো,আহা খুব সুন্দর লাগে দেখতে ভালো। এই গ্রামকে কেন্দ্র করে আছে একটা বটগাছ। বটগাছটার বয়স প্রায় একশত বছর হবে। এই বটগাছটার চারদিক দিয়ে গড়ে উঠেছে … বিস্তারিত পড়ুন

হারামখোরের পেট —– মাহবুব আলী

এত রাতে সে লোক আসার আর কোনো সম্ভাবনা নেই। রহমান তারপরও স্টেশনে কুণ্ডলী পাকিয়ে বসে আছে। প্রচণ্ড শীত। হু হু করে বইছে হিমেল বাতাস। রাতের শেষ ট্রেন প্লাটফরম কাঁপিয়ে চলে যায়। সে অলীক কোনো স্বপ্নের মতো তার পেছনে তাকিয়ে থাকে। একটি ধাবমান লাল আলোকবিন্দু খুব দ্রুত দিগ্বলয় ভেদ করে পুবের জমাট অন্ধকারে মিশে যাচ্ছে। যেনবা … বিস্তারিত পড়ুন

ফুলবানুর দুঃখের কথা

গ্রামের নাম কাঞ্চনবাড়ি। চারদিকে আমবাগান। মাঝে মাঝে ছোট আমের গাছের মধ্যে আখ ও ধানের ক্ষেত। গ্রামের উপর দিয়ে বিশ্বরোড চলে গেছে সোনামসজিদ চেকপোষ্ট পর্যন্ত। সে গ্রামে চার সন্তান নিয়ে বসবাস করে নান্টু পাজি। নান্টু পাজির অঢেল জমি জমা ও সম্পদের অভাব ছিল না। সন্তানের মধ্যে মাসুদ সবার ছোট। কিন্তু অন্ধ। তাকে নিয়ে পরিবারের চিন্তা ভাবনা … বিস্তারিত পড়ুন

সাইকোপ্যাথ

এক. আমার রাতে ঘুম ভাঙল। সারা ঘরে সবুজ রঙা ডিমলাইটের আবছা আলো। আমাদের পুরাতন ঘড়িটা টিকটিক করে সময় গুনে চলেছে। ঘুম ভাঙ্গার সাথে সাথে আমি পাশে হাত দিলাম। মা পাশে নেই। আমার আবছা আলোতে মনে হতে লাগলো,দূরে কিছু একটা নড়ে উঠল। মায়ের উপর রাগ হল অনেক। আমার বয়স সবে ৬-এ পড়েছে। রাতে ঘুমানোর আগে আমি … বিস্তারিত পড়ুন

কষ্ট —- ফারুক হাসান

টুকুদের বাইরের হেলান দেয় খোলা জানালার পাশে সেই পুরনো বাদাম গাছটা। গাছটার ঠিক মাঝ ডালে দু’টি কাকের বাসা। তার একটিতে বেশ কয়েকদিন আগে দু’টি কাকের ছানা চোখে পড়লো টুকুর। ছানা দু’টি চোখের পলকেই একটু একটু করে বড় হতে লগলো। মা কাকটি এসে বাচ্চা দু’টিকে খাবার দিয়ে যায়। কখনো মুখ ঘেষে আদর করে খাইয়ে দেয় ঠোঁট … বিস্তারিত পড়ুন

কটি ভোর ও দুখের স্মৃতি

বয়স হয়েছে,রাতে ঘুম হতে চায় না,আর জেগে থাকার মুহূর্তগুলিতে দুখের স্মৃতিরা এসে মনের দোরে ভিড় জমায়। ছোটবেলার এক ভোরের কথা খুব করে মনে আসছিল।সে বয়সে ভাবনার মধ্যে সবুজতা বেশী থাকে,পৃথিবীর বাস্তবতা অনেকটা দুরে থেকে যায়। রংমন নীলাকাশের সূর্য করোজ্বলে উড়ে বেড়ায়।ফুল,প্রজাপতি,হরিত অরণ্য,গ্রামের আল রাস্তার দু পারের ঢেউ খেলা ফসলের দিগন্ত ভালো লাগে–খুব ভালো লাগে।মনে প্রাণে … বিস্তারিত পড়ুন

ডজিলা

রাতের সমুদ্র। বিশাল বিশাল গাঢ় কালচে নীল রঙের ঢেউ একের পর এক এসে আছড়ে পড়ছে, তারপর সাদা হয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে। চারদিক নিঃশব্দ, ফাঁকা, শুধু ঢেউয়ের গর্জন আর বাতাসের শোঁ শোঁ। মাঝে মাঝে তীক্ষ চিৎকার করে উড়ে যাচ্ছে দু একটা নিশাচর সামুদ্রিক পাখী। সমুদ্রের রঙ যেখানে আরও ঘন, প্রায় অন্ধকারের সাথে মিশে গেছে, সেই দূরে খুব … বিস্তারিত পড়ুন

বাবার চিঠি

সন্ধ্যার আগেই প্রতিদিন ঘরে ফেরে ‘টুনু’ কিন্তু একদিন আর ফিরলনা। লোকজন সব ফিরে এসে জানাল- কোথাও পাওয়া গেলনা। এবার উকিল সাহেব নিজেই বেরুলেন। বাজারের মধ্যে এসে ডাক দিতে একটি বন্ধ মদের দোকান থেকে সাড়া মিলল। এবার পৌ্র চেয়ারম্যানের কন্ঠে হুকুম দিলেন- হয় দোকানদারকে হাজির কর আর না পেলে দোকানের তালা ভেঁঙ্গে ফেল। দোকানদার এসে তালা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!