রক্ত–৩য় পর্ব- জুবায়ের হুসাইন

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মৌরি বানু ছেলেকে নিয়ে দারুণ বিপদে পড়লেন। ছেলের জন্যই বাপের বাড়ির সাথে একরকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তার। তারপরও ছুটে গেলেন তিনি। বড় ভাই বেশ সহযোগিতাও করলেন। কিন্তু তাতে আর কয়দিন চলে! ফলে পরের বাড়িতে ঝুটা ঝিয়ের কাজে লেগে গেলেন তিনি। একদিন ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে হাজির। তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

রক্ত –শেষ পর্ব-জুবায়ের হুসাইন

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মৌরি বানু এখন বাকহারা। মুখে কিছুই বলতে পারেন না। কেবল ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকেন। আর বুক ফাটিয়ে ‘খক খক’ করে কাশেন। সলিম আলী সোজা বাড়ি চলে আসেন। আজ তার মনে নতুন একটা ভয় দানা বেঁধেছে। দু’দিন ধরে তার কফের সাথে রক্ত উঠছে। আর মা তো সেই কবে ধরে … বিস্তারিত পড়ুন

পাখির বাসা–পঙ্কর বেরা

পিছনের দিকে আমগাছে বেশ কয়েকদিন ধরে গোপলা লক্ষ্য করেছে টিয়া পাখি বাসা করেছে। আমগাছটা তাদের নয়। এখন প্রায় শীত কমে আসছে। আমে বকুলও আসে নি। বাসায় টিয়া ডিম পেড়েছে কি না, না উঠলে জানা যাবে না। গোপলা এর আগে গাছে ওঠার চেষ্টা করেছে তাতে হাবু, পেলা, মৌ, তাপা এমন হেসেছিল যেন মনে হয় গোপলার  গাছে … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –ঊনবিংশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের বিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা আর রামপ্রসাদের এক রাত্তিরেই বেশ ভাব হয়ে গেছে। রামপ্রসাদ দুপুরে জগার ঘরে খেতে বসে বলল, আরে এ জগুয়া, তু কি রোজ এইসন খানা খাস নাকি রে বেওকুফ? জগা কাঁচুমাচু হয়ে বলল, আমি গরিব মানুষ, এর চেয়ে আর বেশি কী করতে পারি বলো তো রামপ্রসাদদাদা? ডাল ভাত আর … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –বিংশ তম পর্ব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের একবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সব শুনে সুজনবাবু একটু উত্তেজিত হয়ে বললেন, “সাতপয়সার হাট! গগনচাঁদের হাটই সাতপয়সার হাট ! খবর ঠিক তো !” পাগলু বলল, “যে আজ্ঞে। দিনুগুণ্ডা এদের দুজনকে বলেছে।” “তার কথায় বিশ্বাস কী ?” “আজ্ঞে সেটা যে দিনুর মামার বাড়ি। দিনুর মামাই হল সাতকড়ি।” “বটে!” “যে আজ্ঞে। তার সাতানব্বই বছর বয়স … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –এক বিংশ তম পর্ব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের দ্বাবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। পবনকুমার আর মহেন্দ্র যখন স্থানত্যাগ করার উপক্রম করছে তখন হঠাৎ একটা শব্দ পেয়ে দুজনেই দাঁড়িয়ে পড়ল। শব্দটা বেশ জোরালোই, কে যেন সুজনের দরজার তালা ভাঙার চেষ্টা করছে। ঝনাৎ-ঝনাৎ করে বারতিনেক শব্দ হল। তারপরই ঝড়াক করে দরজাটা খুলে ঘরে ঢুকল একটি অন্ধকার মানুষ।অন্ধকার বলে তাকে দেখা গেল না ঠিকই, … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –দ্বাবিংশ তম পর্ব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। তিনজনেই ফের উঠে পড়লেন । পরঞ্জয় বললেন, বিশ্রাম নিয়ে ভাববেন না। আমরা বরং সাতকড়ির বাড়ির ধারে কাছে থানা গেড়ে থাকি। পবনকুমার বললেন, সেইটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। মহেন্দ্র বলে উঠলেন, কিন্তু সুজনবাবু যে রকম মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাতে গুলিটুলি চালিয়ে দেবেন না তো ! পরঞ্জয় গম্ভীর হয়ে বললেন, অসম্ভব … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–সপ্তম পর্ব- শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের অষ্টম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ওরে না না, এ সেইসব কাণ্ড নয়। এ হল অশৈলী ব্যাপার। শূলপাণিকে যে নিয়েছে তোর পিসেমশাইকে সে-ই নিয়েছে। তাকে চিরকাল দেখে এসেছি, কোনও কালে আমাকে না বলে এক পাও কোথাও যায় না। তেমন মানুষই নয়। বাক্স, বিছানা, বন্দুক এত সব জিনিস বয়ে নিয়ে যাওয়া কি একজন মানুষের কাজ, … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –শেষ পর্ব – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

 গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। পাগলু সঙ্গে সঙ্গে হাতজোড় করে বলল, উরেববাস, পবনবাবু! প্রাতঃপেন্নাম হই, প্রাতঃপেন্নাম হই, তা আপনি এখানে? কাজেই এসে পড়েছি। ভিনগাঁয়ে অচেনা জায়গায় তোমাদের দেখে ভারি ভালও লাগছে। তোমরা কেন এসেছে তাও জানি। আর দেরি না করে এই গাছ বেয়ে ছাদে উঠে যাও। ভেতরে ঢোকার পথ পাবে, সুজনবাবু আর নিতাই … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড– অষ্টম পর্ব – পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ঊনবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা ভয় খেয়ে বলল, যে আজ্ঞে। খালের ওপর একখানা পুরনো নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো। তার ওপারে বাবলাবনের ভেতর দিয়ে একখানা জঙ্গুলে পথ আছে বটে, কিন্তু লোকবসতি নেই। লোকটা জগাকে বাঁশের সাঁকোর মুখটায় এনে ফেলল, ঘাড়টা এমন চেপে ধরে আছে যে জগা অন্যরকম কিছু করতে পারছে না। সে বলল, এবার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!