রক্ত–২য় পর্ব- জুবায়ের হুসাইন

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সলিম আলীর স্বাস্থ্য বেশ ভালো ছিল। এই তো মাত্র সেদিনের কথা, চওড়া বুকের ছাতি ছিল তার। হাত ও পায়ের পেশিগুলো ছিল তেমনি ফোলা ফোলা। আর চলার মধ্যেও ছিল একটা রাজকীয় স্টাইল। কিন্তু আজ আর চেহারার সেই জৌলুস নেই তার। শ্যামলা গায়ের বর্ণ কেমন কালচে হয়ে গেছে। কতদিন সেখানে … বিস্তারিত পড়ুন

রক্ত–৩য় পর্ব- জুবায়ের হুসাইন

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মৌরি বানু ছেলেকে নিয়ে দারুণ বিপদে পড়লেন। ছেলের জন্যই বাপের বাড়ির সাথে একরকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল তার। তারপরও ছুটে গেলেন তিনি। বড় ভাই বেশ সহযোগিতাও করলেন। কিন্তু তাতে আর কয়দিন চলে! ফলে পরের বাড়িতে ঝুটা ঝিয়ের কাজে লেগে গেলেন তিনি। একদিন ছেলে এক মেয়েকে নিয়ে হাজির। তাকে … বিস্তারিত পড়ুন

রক্ত –শেষ পর্ব-জুবায়ের হুসাইন

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মৌরি বানু এখন বাকহারা। মুখে কিছুই বলতে পারেন না। কেবল ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকেন। আর বুক ফাটিয়ে ‘খক খক’ করে কাশেন। সলিম আলী সোজা বাড়ি চলে আসেন। আজ তার মনে নতুন একটা ভয় দানা বেঁধেছে। দু’দিন ধরে তার কফের সাথে রক্ত উঠছে। আর মা তো সেই কবে ধরে … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–দ্বাদশ তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ত্রেয়োদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। হরিপুর ছাড়িয়ে মাইল পাঁচেক আসার পর মোপেড থামিয়ে কাঁধের থলি থেকে একটা শক্তিশালী ক্ষুদে দূরবীন বের করে পেছনের দিকটা ভাল করে লক্ষ্য করলেন সুজন, না, কেউ আসছে না অনুসরণ করে। নিশ্চিন্ত হয়ে তিনি ফের গাড়ি ছাড়লেন । প্রায় কুড়ি মাইল তফাতে সাতগাঁ। গ্রামের উত্তর দিকে একখানা পাকা বাড়ির … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–ত্রেয়োদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের চর্তুদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন রামহরি আসলে সাহসী মানুষ, বন্ধ ঘরের ভেতর থেকে কথার আওয়াজ পেয়ে প্রথমটায় ভয় খেলেও সামলে গেলেন। তারপর জানালার বন্ধ পাল্লায় গিয়ে কান পাতলেন, ঝড়-বৃষ্টির শব্দে প্রথমটায় কিছু শুনতে পেলেন না। কিন্তু প্রাণপণ মনঃসংযোগ করে থাকার ফলে একটু বাদে শুনতে পেলেন, কে যেন কাকে বলছে, “হাঁ হাঁ বাবু ও … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–চর্তুদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । রামহরি ভাবলেন, মনের ভুলই হবে। এই দুর্যোগে কে এসে তাঁর পেছনে লাগবে? তবে এখানে আর কালক্ষেপ করা যে যুক্তিযুক্ত হবে না সেটা বুঝতে পারলেন রামহরি। সুতরাং ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করেই তিনি দাওয়া থেকে নেমে পড়লেন, তারপর বয়স অনুপাতে ঝড়বৃষ্টির মধ্যে যত জোরে ছোটা যায় তত জোরেই ছুটতে লাগলেন। … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–পঞ্চদশ পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ষোড়শ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ঝড়-জলের রাত বলে তো আর ঘরে শুয়ে নাক ডাকলে জগার চলবে না। জগা তাই নিশুত রাতে শহিদলালের দক্ষিণের ঘরের একখানা কমজোরি জানালার পুরো কাঠামটাই খুলে ফেলল, ঝড়-জলের রাত বলে দুটো সুবিধে, আজ রাত-পাহারার লোকেরা কেউ বোরোয়নি, আর দুনম্বর সুবিধে হল, একটু-আধটু শব্দ হলেও কেউ শুনতে পাবে না। জগা … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড–ষোড়তম পর্ব-শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের সপ্তদশ তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। জগা বলল, “তখন থেকে জুতো-জুতো করে চেঁচিয়ে মরছে দ্যাখো! কেমন চোর তুমি যে জুতো খুলে চুরি করতে ঢোকো? চুরি তো আর পুজো আচ্চা নয় যে জুতো খুলতে হবে!” “তু দো দিনক ছোকরা, তু কুছু জানিস না। হামারা নাগরা জুতির এইসান আওয়াজ হয় কি মুর্দা ভি উঠকে বৈঠেগা, … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –সপ্তদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের অষ্টদশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বহুকাল এমন খাবার খায়নি দুজনে। সরে ভরা ঘন দুধ, মর্তমান কলা, বাতাসা আর চিড়ে যে কী অমৃত তা বলে শেষ করা যায় না। শীতলালক্ষ্মী একেবারে মুক্তহস্ত হয়ে খাওয়াচ্ছেন। ফলে দুজনেরই দেদার খেয়ে পেট একেবারে টাই টাই হয়ে গেল। শীতলালক্ষ্মী দুঃখ করে বললেন, আহা রে বাছারা, কতকাল বুঝি পেট … বিস্তারিত পড়ুন

হরিপুরের হরেক কান্ড –অষ্টদশ পর্ব -শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

গল্পের ঊনবিংশ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । হঠাৎ রামহরি বলে উঠলেন, “আপনার ঘরে নেই-নেই করেও দামি জিনিস বেশ কিছু আছে। ডাকাতরা তেমন কিছু নেয়নি, এটা খুব আশ্চর্যের কথা, এমন নয় তো যে, ওরা একটা বিশেষ কোনও জিনিসেরই খোঁজে এসেছিল?” সুজন রামহরির দিকে চেয়ে বললেন, “কাল আপনি সময়মতো না এলে আমার কপালে আরও কষ্ট ছিল। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!