দারুন চাঁদের হাসি— মুহাম্মাদ হাবীবুল্লাহ হাস্সান

চাঁদ মুচকি হেসে সালাম দিল সীমাকে। তাকে স্বাগত জানাল। সীমা আববুর পাশে বসে পাঠ মশ্কে করছিল। সে চাঁদের মুচকি হাসির দিকে খেয়ালই করে নি। চাঁদের কাছে ব্যাপারটা খুব আশ্চর্য মনে হলো। চাঁদ বিস্ময়ে ভাবছে, কত আদুরে হাসি সীমাকে আমি উপহার দিলাম, অথচ সে আমার হাসি ও সালামকে পাত্তাই দিল না। হাজার হাজার বছর ধরে আমি … বিস্তারিত পড়ুন

নিদ্র এক রজনী—-মুহাম্মদ ইব্রাহীম

নিস্তব্ধ নিঝুম রাত। ভয়ঙ্কর অন্ধকার। প্রকৃতির প্রতিটি প্রাণী গভীর নিদ্রায় অচেতন। এমনকি একটি বৃক্ষপত্রও নড়াছড়া করছে না। ঘন্টা দু’য়েক আগে হুতুম পেঁচার যে ডাক শোনা গেল তাও খুব ভংঙ্কর। সারা শরীরে লোম খাড়া হয়ে উঠে। এমন পিনপতন নিশ্চুপ রাতে এই ডাক কি কোন অশুভ বার্তা নিয়ে এল? রহিম মিয়ার ঘুম আসছেনা। চোখের পাতা বন্ধ হতে … বিস্তারিত পড়ুন

একটি গরুর রচনা—- কাজী মুহাম্মদ সোলাইমান

আবদুল্লাহ ইব্রাহিম

ইশ যদি গরু হতাম !—–স্বগতোক্তি করল মুন্না। মুন্নার দীর্ঘদিনের গবেষণার ফল এ স্বগতোক্তি। ধলিকে অনেকদিন যাবৎ গভীর পর্যবেক্ষণে রেখেছে মুন্নার বাবা মা। রাত বিরাতে এটির খোঁজ খবর নেওয়ার জন্য বেরিয়ে পড়ে তারা। মুন্না অনেকদিন যাবৎ ব্যাপারটা খুব লক্ষ্য করে আসছে। হঠাৎ করে ধলির প্রতি তাদের মনোযোগ বৃদ্ধি পাওয়ায় নিজেকে অবহেলিত মনে করতে লাগল মুন্না। তার … বিস্তারিত পড়ুন

নিস্তব্ধ স্মৃতি—-মোঃ সোহরাব হোসেন বিটুল

খুলনার ব্যস্ততম বাইপাস সড়ক দিয়ে হাঁটছিলাম। সেদিন ছিল শুক্রবারের ছুটির দিন। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ, পড়াশোনার চাপ নেই। দিনভর এক রকম অবসর পেয়ে গেলাম। আমি একজন সিনিয়র ভাইয়ের সাথে বেশ কয়েকদিন আগে থেকে দেখা করবো বলে কথা দিয়ে ছিলাম। কিন্তু ক্লাস, পরীক্ষা আর ভাইভার ব্যস্ততার কারণে তার সাথে আমি দেখা করার সময় হয়ে ওঠেনি। আগেরদিন মোবাইলে ঐ … বিস্তারিত পড়ুন

না ঘুমানোর দল —- কাজী মুহাম্মদ সোলাইমান

ঘুমিয়ে আছে সবাই এখন, ঘুমিয়ে আছে দেশ ঘুমের ঘোরে চলছে ঘড়ি, যাচ্ছে জীবন বেশ। ‘ওরা কত বৎসর ঘুমিয়ে ছিল, তোমরা কি জান?’ জানতে চাইলেন রাকিব স্যার। ছাত্ররা সবাই নীরব রইল। ‘ওরা শত বৎসরের অধিক ঘুমিয়েছিল।’ রাকিব স্যার বলতে লাগলেন। ‘এক সময় তাদের ঘুম ভাঙল। তাদের মনে হলো তারা গতকাল ঘুমিয়েছে। এখন ঘুম ভেঙেছে। তারা ছিল … বিস্তারিত পড়ুন

ঝ রা মু কু ল— মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান

কিছুক্ষণ আগে সূর্য অস্ত গেছে। সোনালী আভা তখনও পশ্চিম আকাশের গায়ে লেগে আছে। কামাল হারিকেনটা জ্বালিয়ে জানালা খুলে বই বের করে পড়তে বসেছে। কিন্তু পড়তে মন বসছে না। খোলা জানালা দিয়ে দূর আকাশের অসংখ্য তারকারাজী দেখা যাচ্ছে। শরতের স্নিগ্ধ বাতাস ঝির-ঝির করে বয়ে চলেছে। হঠাৎ পাশের বাড়ি থেকে রেডিওতে গান ভেসে আসে ‘‘স্মৃতির বেদনা…. আজ … বিস্তারিত পড়ুন

পানিশমেন্ট —– খোন্দকার মাহফুজুল হক

পিটি স্যার আজ খুব রেগে আছেন। রাগের কারণে তার হাতের বেত মাঝে মধ্যে দু’একজনের গায়ে পড়ছে। মাকসুরা বুঝতে পারছে না তার কী করা উচিত। গতকাল সে পিটি ক্লসে ছিল না। রোল কল হয়নি এখানো। তবে হবে। তখনই সে ধরা খেয়ে যাবে। ধরা খাওয়ার পর কী হবে- এয়ার ডন হবে, নাকি বেত! বিষয়টা চিন্তা করতে গিয়েই … বিস্তারিত পড়ুন

ভয়—- সোহেল নওরোজ

সাঁঝসকালে দরজা খুলেই ফারুক মামাকে দেখে যথেষ্ট বিরক্ত হলো নাইমা। সময়-অসময় নেই কোত্থেকে যে তিনি উদয় হন আল্লাহমালুম! পানের ব্যবসায় নামার পর এ বাড়িতে মামার যাতায়াত উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। হাটের দিন খুব ভোরে ট্রাকে পান তুলে দিয়ে সোজা এখানে এসে হাজির হন। ‘কেমন আছিস রে, কাঁচকি?’ চোয়াল ভাঙা গাল বাঁকা করে বিশ্রী ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলেন। রাগে … বিস্তারিত পড়ুন

কেবিন বয়—- সোলায়মান আহসান

প্রচন্ড শীত। মাঘ মাসের শৈত্য প্রবাহ চলছে। লঞ্চ চলছে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীর উদ্দেশে। ঘ্যা… ঘ্যা… ঘ্যা। বুড়িগঙ্গা থেকে পটুয়াখালী এক দীর্ঘ যাত্রা। নদীর পর নদী পার হতে হয় লঞ্চকে রাতের অাঁধারে। রাতে বলেই লোকজন বুঝতে পারে না ভয়াবহ সেই দৃশ্য। উত্তাল নদী পাড়ি দিয়ে যাচ্ছে একটা লঞ্চ। কী সাহস মানুষের। শীতের কুয়াশা নদীকে ঢেকে দিয়েছে। … বিস্তারিত পড়ুন

চন্দ্রগ্রহণ— মনির মুকুল

ঘুমের আবেশ জড়ানো অবস্থায় আরেকটু আরাম করে বাম পাশে পাশমোড়া দিয়ে শোয় রহমত আলী। টুপটাপ বৃষ্টি ঝরছে। ইদানিং প্রায় প্রতি রাতেই কমবেশি বৃষ্টি হয়। বৃষ্টির উষ্ণ আবেশে ঘুমাতে বেশ ভালো লাগে তার। হঠাৎ সে অনুভব করে তার ডান চোয়ালের উপর এক ফোটা শীতল পানির পরশ। সঙ্গে সঙ্গে ঘুমের আবেশ কেটে যায় তার। পানির ফোটাটি চোয়াল … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!