কলঙ্কের শেষে — সূর্যনাথ ভট্টাচার্য

আজ কার মুখ দেখে অনুপমের ঘুম ভেঙ্গেছিল কে জানে? ছুটির দিনটা যে এইভাবে মাঠে মারা যাবে সে কি ভেবেছিল? ছেলেমেয়েদের নিয়ে চিড়িয়াখানায় বেড়াতে যাবার প্ল্যান ছিল। এখন কোনো রকমে হাজতবাস থেকে রক্ষা পেলেই বর্তে যায় অনুপম। এই শীতেও অনুপমের কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম। মুখটা একবার সে মুছে নিল। কপালে ঘাম হলেও হাত পা ঠাণ্ডা হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

পিন্টুর মৎস্যরাজ—- রামকৃষ্ণভট্টাচার্য্য

বাবা বাজার থেকে জিওল মাছ আনলেই পিন্টু সেগুলোকে প্যাট প্যাট করে চেয়ে দেখে । চিমটে দিয়ে ধরে কয়েকটাকে ছেড়েও দিয়েছে । কিন্তু, সেই মৎস্যরাজকে আর খুঁজেই পাচ্ছে না ! প্রত্যেকবার ভাবে, এবার বোধহয় ছাড়া পেয়ে মাছটা বলবে- পিন্টু, তুমি আমার প্রাণ বাঁচালে । তোমাকে আমি আশীর্বাদ করছি । এবার থেকে যা চাইবে খালি বলবে – … বিস্তারিত পড়ুন

আঁকা আর দাদুর গল্প —- রত্নদীপা

ব্রিজমোহন পাশ ফিরে শুলেন । পাশবালিশটা সরাতেই বুঝতে পারলেন যে আঁকার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে আছে । মেয়েটা কিছুতেই গায়ে কিছু দেবে না, সারারাত লাথি দিয়ে দিয়ে চাদরটাকে পায়ের নীচে নামাবেই আর ব্রিজমোহন সেটাকে আবার নাতনির গায়ে টেনে টেনে ওপরে তুলবেন । সারারাত এই এক যুদ্ধ চলে দাদু নাতনির । এই সময়টা হাল্কা ঠান্ডা পড়ে উত্তরবঙ্গে, … বিস্তারিত পড়ুন

ডালা শিকার (একটি রোমাঞ্চকর অনুগল্প)

‘ডালা শিকার’ আমার কাছে এক অদ্ভুত মায়াবী আকর্ষণের নাম। ছোট বেলা থেকেই কেউ যদি একবার আমার কানের কাছে একবার ডালা শিকারের কথা বলে যেত তাহলে সারাদিনের নাওয়া খাওয়া ভুলে নিশি পাওয়া মানুষের মতো তার পিছে পিছে ঘুরতাম। যারা ডালা শিকার শব্দটার সাথে পরিচিত নন তাদের জন্য বলছি, ডালা শিকার হলে রাতে বাতি, মশাল বা টর্চের … বিস্তারিত পড়ুন

প্ন-মঙ্গল —– সরদার মেরাজ

ঘুমিয়ে আছি। নদীর পানির ঢেউ ভাঙার শব্দ। স্বপ্নে দেখলাম, কেউ একজন এসে আমাকে বলছে‘, তোর বাড়ির দক্ষিণ দিকের পুকুর, পুকুরে অনেকগুলো শাপলা ফুল ফুটে আছে। তার মধ্যে একটি শাপলা ফুটেছে লাল। সেই লাল শাপলাটির নিচে, পানির তলায় সোনার ডেক। তাতে কাঁড়ি কাঁড়ি সোনার মোহর। ঘুম থেকে তুই জাগবি, আজানের ঠিক আগে। কেউ যেন না দেখে, … বিস্তারিত পড়ুন

লিও—-রূপঙ্কর সরকার

কি দুঃখে যে জগদীন্দ্র বাবু ছেলেকে বাড়ির নাম রাখতে বলেছিলেন । এখন তো কলকাতায় কেন, কলকাতার উপকণ্ঠেও বাড়ি করার যো নেই । প্রথম কথা, প্ল্যান পাশ করাতে গেলেই হাজার ঝামেলা। আসলে প্রোমোটাররা নিগমবাবুদের হাত বড়ো করে দিয়েছে, আজকাল দু-পাঁচ হাজারে কিছু হবার নয়। ঘ্যান ঘ্যান করলেই ভাববাচ্যে শুনতে হবে, আজকাল ইলিশ যাচ্ছে বারোশো করে, কাঁচা … বিস্তারিত পড়ুন

দুটি বিলেতি গল্প – তারাপদ রায়

প্যারিস শহরের এক রেস্তোরাঁয় বসে সকালে দুই বন্ধু খবরের কাগজ পড়তে পড়তে চা খাচ্ছে। হঠাৎ এক বন্ধুর চোখ খবরের কাগজের এক জায়গায় পড়তে সে আঁতকিয়ে উঠল, সে অন্য বন্ধুকে দেখাল তারপর পড়ে শোনাল। ঘটনাটি সামান্য নয়, মাদাম দুভালের স্বামী মঁশিয়ে দুভাল গতকাল রাতে অতর্কিতে বাড়ি ফিরে এসে তাঁর স্ত্রীকে ঘরের মধ্যে এক অপরিচিত লোকের সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

পুষ্প ধনু – সৈয়দ মুজতবা আলী

রস কি? অর্থাৎ যখন কোনো উত্তম ছবি দেখি, কিংবা সরেস সঙ্গীত শুনি, অথবা ভালো কবিতা পড়ি, কিংবা নটরাজের মূর্তি দেখি, তখন যে রসানুভূতি হয় সে রস কি, এবং সৃষ্ট হয় কি প্রকারে? এ রসের কাছাকাছি একাধিক রস আছে। গোয়েন্দা কাহিনী পড়ে, ধাঁধার উত্তর বের করে, মনোরম সূর্যোদয় দেখে, প্রিয়াকে আলিঙ্গন করে যে সব রসের সৃষ্টি … বিস্তারিত পড়ুন

সাগর রহমানের গল্প : হোলা চোর

কলুকাটি গ্রামে কথা এবং আ-কথা ছড়ায়- হয় কলুকাটিহাট হতে, কিংবা মুৎসুদ্দী দীঘির ঘাট হতে। যা-ই ছড়াক: কথা কিংবা আ-কথা, যেখান থেকেই ছড়াক: কলুকাটিহাট কিংবা মুৎসুদ্দী দীঘির ঘাট, তা বিদ্যুৎ বেগে সমস্ত গ্রামের আনাচে-কানাচে, আগানে-বাগানে ঘুরে আবার ছড়ানো জায়গায় আসতে আসতে, লোকজনের মুখে মুখে দৈর্ঘ্যে এবং প্রস্তে বেড়ে, কিংবা সংকুচিত হয়ে যায়। কথাটি তখন ঘরে ঘরে ইনিয়ে-বিনিয়ে, … বিস্তারিত পড়ুন

ডুংড়ি

বাপরে, য্যামন বিস্টি, ত্যামনি ঝড়। কুটার লাখান ব্যাবাক জিনিস উইর্যা যাইতাছে। পাতাপূতি যা কিছু পাইল তাই দিহাই লিজের পাতাখান চাইপ্যা ধরত্যাছে ডুংড়ি। পানির খুড়ি, টুকরা ইট… মায় দু ঠ্যাং ছড়াইয়্যা কলাপাতাখান ধরার চ্যাষ্টা করতে লাগল সে। সক্কাল থেইক্যাই ডুংড়ি বেজায় ব্যাস্ত, মানে পাইরলে মুখখান পুখুরের জলে না পাকলাইয়াই দৌড় লাগায় ঘরের থন। একটু খুইল্যাই কই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!