তিনজন হোমলেস এবং কাঠবিড়ালী

এক সুমিনের ঘর থেকে রেল ষ্টেশন বেশি দূরে না । হাঁটলে সাত আট মিনিটে স্টেশনে পৌছা যায় । সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করার কারণে তাকে পাঁচদিন ট্রেন স্টেশনে যেতে হয় । এক লাস্ট ষ্টপজে সে উঠে আরেক লাস্ট ষ্টপজে গিয়ে সে নামে । স্টেশনে যাওয়ার পথে তার ঘর থেকে দুই ব্লক পরেই একটা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট পাওয়া … বিস্তারিত পড়ুন

সুকুমার রায় এর আশ্চর্য কবিতা …

চণ্ডীপুরের ইংরাজি স্কুলে আমাদের ক্লাশে একটি নূতন ছাত্র আসিয়াছে। তার বয়স বারো-চোদ্দোর বেশি নয়। সে স্কুলে আসিয়া প্রথম দিনই সকলকে জানাইল, “আমি পোইট্রি লিখতে পারি!” এ কথা শুনিয়া ক্লাশসুদ্ধ সকলে অবাক হইয়া গেল; কেবল দু-একজন হিংসা করিয়া বলিল, “আমরাও ছেলেবেলায় ঢের ঢের কবিতা লিখেছি।” নূতন ছাত্রটি বোধ হয় ভাবিয়াছিল, সে কবিতা লিখিতে পারে, শুনিয়া ক্লাশে … বিস্তারিত পড়ুন

আঁকা আর দাদুর গল্প —- রত্নদীপাদেঘোষ

ব্রিজমোহন পাশ ফিরে শুলেন । পাশবালিশটা সরাতেই বুঝতে পারলেন যে আঁকার শরীরটা ঠান্ডা হয়ে আছে । মেয়েটা কিছুতেই গায়ে কিছু দেবে না, সারারাত লাথি দিয়ে দিয়ে চাদরটাকে পায়ের নীচে নামাবেই আর ব্রিজমোহন সেটাকে আবার নাতনির গায়ে টেনে টেনে ওপরে তুলবেন । সারারাত এই এক যুদ্ধ চলে দাদু নাতনির । এই সময়টা হাল্কা ঠান্ডা পড়ে উত্তরবঙ্গে, … বিস্তারিত পড়ুন

রং টার্ন —- কালেক্টেড

সিগারেট টা ধরিয়ে বেশ আয়েশ করে বসল নীল । দশ মিনিটের বিরতিতে আছে এখন সে । তাছাড়া দুর্বা ও আশে পাশে নেই । দুর্বার যন্ত্রনায় তার সিগারেট টাও খাওয়া হয় না ঠিকমত । আগে বারান্দায় বসে রকিং চেয়ারে গা মেলে দিয়ে গান শুনতে শুনতে সিগারেটের ধোঁয়া ছাড়ত ! দুর্বা এসে তার পুরা জীবন টাই এলোমেলো … বিস্তারিত পড়ুন

ন্যাংচাদার হাহাকার — নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

ক্যাবলা বললে, বড়দার বন্ধু গোবরবাবু ফিলিমে একটা পার্ট পেয়েছে। টেনিদা চার পয়সার চীনে বাদাম শেষ করে এখন তার খোলাগুলোর ভেতর খোজাখুজি করছিল। আশা ছিল দু-একটা শাস এখনো লুকিয়ে থাকতে পারে। যখন কিছু পেলে না, তখন খুব বিরক্ত হয়ে একটা খোলাই তুলে নিলে, কড়মড় করে চিবুতে চিবুতে বললে, বারণ কর ক্যাবলা—এক্ষুণি বারণ করে দে । ক্যাবলা … বিস্তারিত পড়ুন

কালীঘাটের পাখা — তারাপদ রায়

‘এসি পাখা ডিসি পাখা আকাশের কানে কানে শিশি বোতল রেগুলেটার সরু সরু গানে গানে” কোনও পণ্ডিত পাঠক যাতে মনে না করেন যে এই অসামান্য পঙক্তি দুটি এই ব্যর্থ কবির রচনা, সেই জন্যে প্রথমেই তার ভ্রম নিরসন করা দরকার। এই শ্লোকটি মূলত সুকুমার রায়ের এবং প্রয়োজনবোধে এর কিঞ্চিৎ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছিলেন আমার স্বর্গীয় অগ্রজ। আমার … বিস্তারিত পড়ুন

পদ্মাসন –তারাপদ রায়

সকালবেলা বাজার করতে দেরি হয়ে গিয়েছিল, তাড়াতাড়ি দাড়ি কামিয়ে অফিস যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছিলাম। এমন সময় জরুরি খবর এল আমার এক মামাশ্বশুর সকালবেলা পদ্মাসন করতে গিয়ে আটকিয়ে গিয়েছেন। ভদ্রলোক কাছেই থাকেন, সুতরাং এই বিপদে সর্বপ্রথমে আমাকেই খবর দিয়েছেন। বিপদটা সত্যি যে কী, তা আমি প্রথমে বুঝে উঠতে পারিনি। যদি পদ্মাসন করতে না পারেন, আটকিয়ে যান, … বিস্তারিত পড়ুন

নৈশকাহিনী — তারাপদ রায়

আমার এই নৈশকাহিনী রাত্রির কোনও ঘটনা নিয়ে নয়। আমার এই কাহিনীর বিষয়বস্তু হল নেশা। আমার বিষয় অবশ্য ঠিক নেশা নয়, নেশার পরিমাপ নিয়ে এই আলোচনা। এক টিপ নস্যি, আড়াই প্যাকেট সিগারেট, তিন হেঁচকির জর্দা, সাত ছিলিম গাজা কিংবা চার পেগ হুইস্কি— একেক রকম নেশার সামগ্রীর মাপ হয় একেকভাবে— অন্তত এতকাল এই ছিল আমার সাবেকি ধারণা। … বিস্তারিত পড়ুন

কৌশিক জাতক

একবার বারানসি রাজা সবলে যুদ্ধ জাত্রা করছিলেন। তিনি নগর বাইরে এক উদ্যানে শিবির স্থাপন করেছিলেন। বোধিসত্ত্ব তখন রাজার অমাত্য ছিলেন। ঐ সময় সেই উদ্যানে এক পেচক বাঁশের বনের মধ্যে লুকিয়ে ছিল। পেচক নিশাচর প্রাণী। তারা দিনের বেলায় বের হয় না নিজ বাসা থেকে। পেচককে দেকতে পেয়ে দলে দলে কাক এসে তার চারিদিকে ভিড় করল। পেচক … বিস্তারিত পড়ুন

হারামি আর হারামিরা— নীলাব্জ চক্রবর্তী

বাস থেকে নেমে খিদে পেয়ে গেছিলো হারামির। কিছু পরে দ্যাখা যায় কচুরির দোকান থেকে বেরিয়ে আসছে সে। ‘বাবু, হামকো দোঠো কচোরি খিলাইয়ে না’ একটা মৃদু স্বর তার বাঁদিক থেকে আসছে টের পায় হারামি। প্রায় বুড়ো লোকটা। সেমি-আড়চোখে একবার মেপে নেয় হারামি। আর, স্রেফ ইগনোর করে। মাফ করো বা ঐ টাইপের কিছুও বলে না। সে শুনতেই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!