সততার পুরস্কার

গ্রামের মেঠো পথের দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে উঠে আসা একটি ছেলে নাম আবীর। সে খুবই ভালো ছেলে, ছোট বেলা থেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তো, বাবা-মা আত্মীয় স্বজনের কাছেও সে খুবই প্রিয়, ভালো ছেলে হিসেবে সকলে আবীরকে এক নামে চিনে ও জানে। গ্রামের ছোট বড় সকলেই আবীর কে ভালোবাসতো। গরীব ঘরের সন্তান বলেই পড়াশুনার পাশাপাশি কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

স্বামী মানেই আসামি—- শিবরাম চক্রবর্তী

বীরেনবাবু ধীরে ধীরে বাড়ি ঢুকলেন–চোরের মত পা টিপে টিপে। রাত ১০টা বেজে গেছে–একজন স্বামীর দণ্ডলাভের পক্ষে এই যথেষ্ট প্রমাণ–বীরেনবাবুর তাই এই চোরের দশা। আসলে চোরের পক্ষে অবশ্যি রাত ১০টা কিছুই নয়, আসলে তারা যখন খুশি আসতে পারে, যাতায়াতের ব্যাপারে তারা অনেকটা স্বাধীন এবং আপ্যায়ালি। একটা চোরের ‘পরগৃহ প্রবেশের’ বেলায় যে স্বাধীনতা আছে, অতটুকুও তার নিজ … বিস্তারিত পড়ুন

আমি নই ক্ষত্রিয়—- কুলদা রায়

স্বপ্নের মধ্যে শুধু বৃষ্টি আসে। আর আসে সেই পুকুরটা। কেন বাবা হেমামালিনী আর জুহু বীচ আসতে পারে না? কিছুক্ষণ আগে বৃষ্টি হয়ে গেছে। পাতা থেকে এখনো টুপাটাপ জল ঝরছে। কিন্তু গরম। জলে নামতে পারলে বেশ হয়। একটি লোক হাতছানি দিলেন। খোঁচা খোঁচা দাড়ি। চোখ দুটো উজ্জ্বল। বললেন, এত ছোট ছেলে তুমি। পূর্ব বাংলা থেকে এসেছ? … বিস্তারিত পড়ুন

রক্তজবার ঘ্রাণ—— জায়েদ ফরিদ

ঘুম থেকে ঊঠে কাউকে কিছু না বলেই হেঁটে যাই এক মাইল দূরের রেল স্টেশনে। একরাশ ধোঁয়ামেঘ ছড়িয়ে পুরনো একটি কয়লার ইঞ্জিন এসে থামে, প্ল্যাটফর্ম পার হয়ে বেশ খানিকটা দূরে। লাইনের দুপাশে দাঁড়ানো ছাইমাখা কয়েকটি পরিবারের চোখ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে- এখনি গনগনে কয়লা ঝরাবে ইঞ্জিন। রেলসড়কের ঢালে মজা পুকুর। সেখান থেকে এক বালতি জল তুলে এনে … বিস্তারিত পড়ুন

কাঠিবাবু —- সায়ন্তনী পুততুন্ড

লোকটার নাম বটকৃষ্ণ। অপভ্রংশে বটকেষ্ট। বয়স ত্রিশ থেকে তেতাল্লিশ পর্যন্ত যে কোন সংখ্যা হতে পারে। দৈর্ঘ্যে পাঁচ ফুট দু ইঞ্চি। ওজন চল্লিশ কে জি! উস্কোখুস্কো চুল, আমের আঁটির মতো মুখে তেল মজুত রাখার উপযুক্ত দুটি গাল, কাদা ঘোলা চোখ এবং খিটখিটে মেজাজের মালিক! নিন্দুকেরা বলে বটকেষ্টর মুখ দেখলে নাকি একটানা সাতদিন ডিসেকশন টেবিলে কাটানোর এফেক্ট … বিস্তারিত পড়ুন

মনিবকে বাঁচাও (শিশুতোষ গল্প)

অপু’র লাল রঙ্গের, গুলাকার বড় একটি বেলুন আছে। তার একটি ছোট্ট কুকুরও আছে। এর নাম চুটকু। চুটকু অপু’কে খুব পছন্দ করে। চুটকু অপু’র সাথে খেলতেও পছন্দ করে। অপুদের বাড়িতে বড় কালো একটি বিড়াল আছে। চুটকু বিড়ালটিকে একদুম পছন্দ করে না। ওদের বাড়িতে ছোট্ট একটি বাদামি রঙ্গের ইদুরও আছে। বড় কালো বিড়ালটি ইদুরটিকে পছন্দ করে না। … বিস্তারিত পড়ুন

লুল্লু … ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়

“লে লুল্লু”- আমীর শেখের মুখ দিয়া যখন এই কথা দুইটি নির্গত হইল, তখন তিনি জানিতেন না ইহাতে কী বিপত্তি ঘটিবে। কথা দুইটি আমীরের অদৃষ্টে বজ্রাঘাতরূপে পতিত হইল। আমীরের বাটী দিল্লী শহরে, আমীর জাতিতে মুসলমান। একদিন অন্ধকার রাত্রিতে আমীরের বিবি একেলা বাহিরে গিয়াছিলেন। পরিহাস করিয়া, স্ত্রীকে ভয় দেখাইবার নিমিত্ত আমীর ভিতর হইতে বলিলেন, “লে লুল্লু”। অর্থাৎ … বিস্তারিত পড়ুন

টেংরা আর টেংরি

টেংরা মাছের বিষ! নাম শুনলেই গা ঝাড়া দিয়ে ওঠে! এর কাঁটার ঘা একবার যে খেয়েছে সে-ই বলতে পারবে এতটুকুন মাছের ভেতরে কতটা বিষ আর ত্যাজ লুকিয়ে আছে। টেংরার বিষাক্ত কাঁটার ঘা খাওয়ার দুর্ভাগ্য আমার একবার হয়েছিল। এতে কী আছে তা আমি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলাম! মাছটা দেখতে সুন্দর, খেতেও বেশ কিন্তু আদরে আরাম নেই। গায়ে … বিস্তারিত পড়ুন

তিনজন হোমলেস এবং কাঠবিড়ালী

এক সুমিনের ঘর থেকে রেল ষ্টেশন বেশি দূরে না । হাঁটলে সাত আট মিনিটে স্টেশনে পৌছা যায় । সপ্তাহে পাঁচদিন কাজ করার কারণে তাকে পাঁচদিন ট্রেন স্টেশনে যেতে হয় । এক লাস্ট ষ্টপজে সে উঠে আরেক লাস্ট ষ্টপজে গিয়ে সে নামে । স্টেশনে যাওয়ার পথে তার ঘর থেকে দুই ব্লক পরেই একটা চাইনিজ রেস্টুরেন্ট পাওয়া … বিস্তারিত পড়ুন

সুকুমার রায় এর আশ্চর্য কবিতা …

চণ্ডীপুরের ইংরাজি স্কুলে আমাদের ক্লাশে একটি নূতন ছাত্র আসিয়াছে। তার বয়স বারো-চোদ্দোর বেশি নয়। সে স্কুলে আসিয়া প্রথম দিনই সকলকে জানাইল, “আমি পোইট্রি লিখতে পারি!” এ কথা শুনিয়া ক্লাশসুদ্ধ সকলে অবাক হইয়া গেল; কেবল দু-একজন হিংসা করিয়া বলিল, “আমরাও ছেলেবেলায় ঢের ঢের কবিতা লিখেছি।” নূতন ছাত্রটি বোধ হয় ভাবিয়াছিল, সে কবিতা লিখিতে পারে, শুনিয়া ক্লাশে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!