পথের বাঁকে–জুবায়ের হুসাইন-৩য় পর্ব

গল্পের শেষ পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ‘আচ্ছা রাহেলা, তোমার মনে আছে সেই দিনগুলোর কথা, যখন আমরা গ্রামে থাকতাম। ছোটখাট ব্যবসা করতাম আমি। সকালে বেরিয়ে যেতাম আর সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসতাম। তুমি গরম ভাত হাজির করতে সামনে। আমি খেতাম আর তুমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখতে। আমি কতবার বলেছি, কিন্তু তুমি কখনও আমার সাথে খেতে রাজি হওনি। … বিস্তারিত পড়ুন

পথের বাঁকে–জুবায়ের হুসাইন-শেষ পর্ব

গল্পের ১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন। অতীত না থাকলে মানুষের কিছুই থাকতো না। এই দেখ না, অতীত আছে বলেই তো আমরা সেই অতীত থেকে স্মৃতি রোমন্থন করতে পারছি। আসলে প্রত্যেকটা মানুষের জীবনেই কিছু না কিছু সুখের স্মৃতি থাকে যেগুলো কখনও মুছে যাবার নয়। জীবনের কোনো না কোনো বাঁকে মানুষ সেগুলো স্মরণে আনে এবং সেখান … বিস্তারিত পড়ুন

চার মহিষের ডাক- ১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মেঘের তুমুল হাকডাক চলছে। কিছুক্ষণ আগেই শুরু হয়েছে মাত্র। সময়ের সাথে তার গর্জনও বাড়ছে। শুরুতে দুই চার মিনিট পর পর। কোথাও যেন জড়ো হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছে মেঘ। দূরে কোথাও ঘুম ভাঙছে বাকি সব মেঘেদের। একটা মেঘের ডাকের পরে দূর থেকে ভেসে  আসে আরও কয়েকটি মেঘের ডাক। মুহূর্তেই আলো … বিস্তারিত পড়ুন

চার মহিষের ডাক- ২য় পর্ব

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। চার মহিষ মনে করেছিল এবার বুঝি একটা স্থায়ী ঠিকানা হলো। কিন্তু দিন কয়েক পরে একদিন উদয় সিংয়ের বসার ঘর থেকে তাদের নিয়ে বেশ কথা শুনতে পায়। হরিয়ানার গ্রাম থেকে  ছুটে আসা তাদের গৃহস্থের কণ্ঠও শোনা যায়। উদয় সিং গৃহস্তকে বলে, চার চারটে মহিষ চুরি যাচ্ছে, আর আপনারা কেউ … বিস্তারিত পড়ুন

চার মহিষের ডাক-৩য় পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। লাফিয়ে উঠল সে। চারটি মহিষ একসাথে সমান তালে দৌড়াচ্ছে আর চিৎকার করছে। মঈনুলের বুঝতে বাকি রইল না মহিষ চারটা ভারত থেকে পালিয়ে এসছে, অথবা চোরের হাত থেকে ছুটে এসেছে। মুতু বাদ দিয়ে মঈনুল মহিষ চারটাকে আটকানোর চেষ্টা করল। কিন্তু এত বড় বড় মহিষ তার পক্ষে আটকানো সম্ভব না। … বিস্তারিত পড়ুন

চার মহিষের ডাক- শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। শবাকি দুটো কসাইদের দিয়ে দেয়া যাবে। কিন্তু না, সুবেদার সাহেব আইনের বাইরে যাবেন না। তিনি মহিষ চারটাকে কাস্টমসে দিয়ে দেবেন বলে চেয়ারম্যানকে জানিয়ে দিলেন। সেখানে সবার সম্মুখে নিলামে ওঠানো হবে। কাঁঠালের ছায়ায় বেশ ঘুম ঘুম লাগছে মহিষগুলোর। বিকেল হয়ে গেছে। সামনের খাবারগুলো শেষ হয়ে আবার নতুন খাবারও এসেছে। … বিস্তারিত পড়ুন

বৃদ্ধা নারী ও চিকিৎসক–ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

এক বৃদ্ধা নারীর চক্ষু নিতান্ত নিস্তেজ হইয়া গিয়াছিল। এ জন্য তিনি কিছুই দেখিতে পাইতেন না। নিকটে এক প্রসিদ্ধ চিকিৎসক ছিলেন। বৃদ্ধা তাঁহার নিকটে গিয়া বলিলেন, আমার চক্ষুর দোষ জন্মিয়াছে। আমি কিছুই দেখিতে পাই না। আপনি আমার চক্ষু ভাল করিয়া দিন। আমি আপনাকে বিলক্ষণ পুরস্কার দিব। কিন্তু ভাল করিতে না পারিলে, আপনি কিছুই পাইবেন না। চিকিৎসক … বিস্তারিত পড়ুন

কীর্তি কাহিনী–সৌরেন চট্টোপাধ্যায় – ১ম পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন টানা গা-জ্বলানো গরমের পর অবশেষে বর্ষা এসেছে। বুদ্ধিটা কূটজীবি উকিল ভানু মিত্তিরই বাতলে ছিল, নব-বর্ষার আগমন উপলক্ষে আমাদের আদি-অকৃত্রিম অকৃতদার ভুলোদা অর্থাৎ ভোলানাথ সমাদ্দারের দক্ষিণ কলকাতায় পৈত্রিক বাড়ির তিনতলার বিশাল ঘরে জমিয়ে ফিস্টি হবে। সরু চাল আর ভাজা মুগডালের খিচুড়ি সঙ্গে ইলিশ মাছ ভাজা। ইলিশটা আমাদের বলাই, অর্থাৎ … বিস্তারিত পড়ুন

কীর্তি কাহিনী–সৌরেন চট্টোপাধ্যায় -শেষ পর্ব

গল্পের ১ম পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সবাই মেঝের ওপর গোল হয়ে আসনপিঁড়ি হয়ে বসেছি। ভুলোদার বশংবদ চাকর গোবিন্দ কলা পাতায় গরমগরম খিচুড়ি পরিবেশন করেছে, সঙ্গে ইলিশের গোবদা গোবদা ভাজা পেটি। আহা! ঝমঝমে বর্ষায় এর চেয়ে উপাদেয় আর কিছু হতে পারে না কি! — উফ্! এই ভানুটা নির্ঘাত মহাভারতের আমলে রাক্ষস ছিল আর ভীমের হাতে … বিস্তারিত পড়ুন

কর্তাবাবু

কামারগাঁয়ের কর্তাবাবু হরপ্রসাদ সেনে উঠানে চেয়ার পেতে বসে তামাক খাচ্ছিলেন। আরো কিছু জমি কেনার তার খায়েস হয়েছে। কেদারপুরের শহর আলী ও সাহেদ আলীর কিছু জমি তিনি, পরপর দুই বছরের খরায় যে আকাল লেগেছিল, তখন কিনে নিয়েছিলেন। বাকী জমিগুলোও কেনা দরকার। এজন্যই ডেকে পাঠিয়ে ছেন, এখনো না আসার কারণ ভাবছিলেন। এই ভাবনার মধ্যে শহর আলী নমস্কার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!