স্মৃতি —- আহমেদ পলাশ

ঈদে বাসার সবার জন্যে তাদের পছন্দের সব গুলো জিনিসই কেনাকাটা করেছি। আলাদা করে রেখেছি ঈদ সেলামিও। নিজের জন্যেও বেশ কিনেছি, শহরের নামিদামি মার্কেট থেকে। শুধু একজনের জন্যে কিছুই কেনা হয়নি। বার বার কিনতে গিয়েও হাত গুটিয়ে নিয়েছি। তার জন্যেই কেনা হয়নি, যার শরীরের ভ্রƒণে আমার জন্ম। যার রক্তে মাংসে জন্মেছে আমার এক টুকরো মাংসপিন্ড, পেয়েছে … বিস্তারিত পড়ুন

ভালবাসা শূণ্য

আঁকা-বাঁকা নদীর স্রোতে ভেসে বেডানো খড-কুটোর মত আমারো ডিম্বাকার পৃথিবীর কোথাও স্থান হচ্ছেনা। এই তীরে ধাক্কা খেয়ে ওই তীরে; সেখান হতে অন্য তীরে, ওখানেও নয়! কোথাও নয়। আমার বয়েস আমার মা’র মতে নয় ছুঁই ছুঁই অবস্থা। যখন আমি আমার বাবার নিয়ন্তিত নীরব আয়েশি নদীতে সুখের ভেলা ভাসিয়ে কিশোরত্বের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলাম। আবার আমার দৃষ্টি হারানো … বিস্তারিত পড়ুন

ভয়ংকর এক রাতের গল্প—-রফিকুল ইসলাম সাগর

এক. বড় ভাইয়ের সাথে প্রচন্ড রকমের ঝগড়া হয়েছে। মন খারাপ করে বাড়ি থেকে বের হয়েছি। আজ আর বাড়ি ফিরে যাবনা। কিন্তু কোথায় যাব? এই মুহুর্তে কোনো গৌন্তব্যের ঠিকানা মনে পড়ছে না। বন্ধু আবু তাহেরদের বাড়িতে গিয়ে থাকব কিছুদিন? নাহ! ওদের ওখানে যাওয়া যাবে না। তাহেরদের বাড়ি আমাদের পরিবারের সবাই চিনে। আমাকে খুঁজে পাওয়া না গেলে … বিস্তারিত পড়ুন

ডাবল বোকা !–এম ইয়াসিন আরাফাত

রাত ৩টা। গভীর ঘুমের মধ্যে আমি। হঠাৎ মোবাইল বেজে ওঠায় আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। এমন সময় ঘুম ভাঙলে বিরক্ত হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবুও কষ্ট করে মোবাইল রিসিভ করলাম। অপরিচিত নম্বর আর নারীকন্ঠের আওয়াজ। আমি হ্যালো না বলতেই ওই প্রান্ত থেকে মেয়েটি বলে, আসলে ভাইয়া, আমি এতরাতে আপনার ঘুম ভাঙাতে চাইনি, তবুও কোনো উপায় না থাকায় আপনাকে … বিস্তারিত পড়ুন

সর্বনাশা ঋণ —– প্রিয়াংকা মজুমদার

এ গ্রাম ও গ্রাম থেকে রুবির জন্য বর আসছে কিন্তু যৌতুক ছাড়া কেউ বিয়ে করতে রাজি হচ্ছে না। মোটা অংকের যৌতুক চায় সকলেই। রুবির মা জাহানারা ভিশন চিন্তায় পড়ে গেলেন। কি করে যৌতুকের এত টাকা সংগ্রহ করবে। ছুটাছুটি করতে লাগলেন চারিদিকে। অনেক কষ্টে জাহানারা জমি বন্ধক দিয়ে পাশের গ্রামের এক ধনী লোক থেকে যৌতুকের টাকা … বিস্তারিত পড়ুন

পাপের ফল—— মিশকাতুল জান্নাত মিশু

১. -স্যার, চাকরিটা আমার খুবই প্রয়োজন, না হয় অসুস্থ মা-বাবাকে নিয়ে পথে বসতে হবে। -চাইলে তো আর চাকরি দিতে পারি না আমি, তার জন্যতো কিছু করা লাগবে। -প্লিজ স্যার, আপনি চেষ্টা করলে অবশ্যই পারেন। -চেষ্টাতো করতে পারি কিন্তু …। -আপনার পায়ে পড়ি স্যার, চাকরিটা না হলে আমার সব শেষ হয়ে যাবে। – থাক থাক আর … বিস্তারিত পড়ুন

অন্ধকারের চরকাবুড়ি— নাসির আহমেদ

প্রচণ্ড একটা ঝাঁকি খায় অভিক। যেন দ্রুতগতির ১৩০ সিসির ছোট করোলার হঠাৎ ব্রেক কষল। না, তুলনাটা যুৎসই হল না। এই ধাক্কাটার মধ্যে আরও ভয়াবহতা আছে, আছে আতংক যা নেই যানবাহনের আচমকা ব্রেকে। কেন বাবা এমন কাণ্ডটা করলেন কিছুতেই ভেবে পায় না অভিক। সারা বাড়িতে যেন সংক্রামক ব্যাধির মতো শোকের আবহ ছড়িয়ে দিয়েছে। অথচ এটা তার … বিস্তারিত পড়ুন

হাত ঘড়ি—-এস ইলিয়াস বাবর

রিহানের এরকম চেহারা আর কখনো দেখিনি। আমাদের বন্ধুত্বের বয়স প্রায় এক যুগেরও বেশি। ওর ভাবনা বিলাস, জীবন যাপন, রুটিন ওয়ার্ক সবই আমার জানা। বলা চলে বন্ধুত্বের খাতিরে তার একান্ত অলিগলিতেও আমার অবাধ বিচরণ। সেও আমাকে চিনে অর্থাৎ আমরা পরস্পরকে জানি। বিশ্বাস আর বন্ধুত্বের দাবীতে আমরা কত কিছুই করেছি! থমথমে পুকুরে ঢেউ খেলানোর জন্য ঢিল ছুঁড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

আত্মীয়—- সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম

আলী হায়দার সাহেবকে গ্রামের একটা প্রবাদ শোনাতেই খুব জোরে হেসে উঠলেন। বলতে কী, এরকম জোরদার প্রতিক্রিয়ার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। সে জন্য ঠোঁট একটুখানি আড়ষ্ট হল, হাসিও আড়ষ্ট হয়ে পড়ল। শুধু মুখের ভুগোলে কিছু কুঞ্চন জাগল। আমি বলেছিলাম, স্যার, আমার গ্রামের লোক বলে, সৈয়দকে বাড়ি চেনাবেন না, চেনালে খবর আছে। আলী হায়দার ১৯৫৪ সাল … বিস্তারিত পড়ুন

বাবা, এক সাইজ বড় জুতা নিয়া আমি কোথায় যাবো?

তখন আমার বয়স কত? মনে নাই। আমার ভাইয়ের বয়স? তাও না। তাহলে কি মনে আছে? সেইটা ভাইবা দেখা যাইতে পারে। তখন গুলিস্তানে যাওয়ার পথে জয়কালি মন্দির হাতের বামে ফালায় আগাইলে একটা রহস্যময় মার্কেট চোখে পড়ত। যেখানকার বেশিরভাগ দোকান নির্মিয়মান। আরো একটু আগাইলে কালো কালো বাক্স নিয়া কিছু লোক খাড়ায়া থাকত। কারা যেন সেই বাক্সে মাথা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!