মৎস বিলাস— ফারজানা কবীর খান (স্নিগ্ধা)

ছোট বেলায় আমার নানা বাড়িতে সবাই ডাঙ্গা মারতে যেত। যারা গ্রাম থেকে ঢাকায় এসেছে তারা বুঝবে ডাঙ্গা মারা কাকে বলে, আমার মতোশহরে জন্ম আর বসবাসকারী লোকজনের পক্ষে বোঝা একটু কঠিন। (শীতকালে খাল বিলের পানি শুকিয়ে যাওয়ার সময় বাড়ির পুরুষেরা নিজেদের জমিতে বাঁধ দিয়ে দিতো। তারপর ছেঁচে ফেলতো পানি। তারপর সবাই মিলে মাছ ধরতো। একেই ওরা … বিস্তারিত পড়ুন

তো?’—– অলোক কুমার বসু

ব্যাংকের কাউন্টারের সামনে লম্বা সোফাটায় রতন কখন এসে বসে আছে লক্ষ্যই করেনি সুপ্রিয়া। অবশ্য কখনই বিশেষ লক্ষ্য করার মতো ছিল না সে। ‘তৈলঢালা স্নিগ্ধ তনুনিদ্রা রসে ভরা, দৈর্ঘ্যে ছোট বহরে বড় বাঙালি সন্তান।’ গোঁফটা বড় করে আর চোখে নতুন চশমা লাগিয়েও বিশেষ সুবিধে হয়নি। এখন উঠে এসে তার পাশে খালি জায়গাটায় বসাতে নজর পড়ল আর … বিস্তারিত পড়ুন

যূথিকার এগিয়ে চলা—- মনোরমা বিশ্বাস

আজ আমার সকাল সাড়ে সাতটা থেকে ক্লিনিক ছিল। সকাল সাড়ে পাঁচটায় ঘুম ভেঙে যায়। অন্তুকে স্কুলে পাঠিয়ে ব্রেকফাস্ট না করেই ক্লিনিকে গেলাম। কিছুক্ষণ পর শুরু মাথাব্যথা। ঘুম কম হওয়া বা ব্রেকফাস্ট না করার জন্য এমনটা হয়েছে ধরে নিলাম। সারাক্ষণ মাথাব্যথা নিয়েই বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত রোগী দেখলাম। এই মাথাব্যথার মধ্যেও সারাক্ষণ মাথার মধ্যে যূথীর কথা ঘুরপাক … বিস্তারিত পড়ুন

চকোলেট, বাদাম এবং বৃদ্ধার গল্প— জান্নাত মৌ

একদিন এক লোক এক বৃদ্ধার বাড়িতে বেড়াতে এলেন। প্রচণ্ড ক্ষুধার্ত সেই লোক বৃদ্ধার কাছে খাবার চাইলেন। বৃদ্ধা তাকে অতি সম্মানের সঙ্গে ড্রইংরুমে নিয়ে বসালেন। তার জন্য নিজ হাতে কফি বানিয়ে আনলেন। তারা দু’জনই একসঙ্গে বসে গল্প করছিলেন। বিষয় তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সুখ-দুঃখের গল্প। জানা গেল মস্কো শহরে বৃদ্ধার আপন বলে কেউ নেই। বিশাল এই বাড়িতে … বিস্তারিত পড়ুন

মামা আসবে— হোসেন শওকত

‘হি হি হি.. .. ! কী যে বলো না! তুমি অনেক দুষ্টু!’ সোমার মুখে দুধসর হাসি। হাসির এ নামকরণ বাবার করা। এ হাসিতে হো হো করে শব্দ হয় না। মুখের ঝাঁপ খুলে বত্রিশ দাঁতের দোকান খুলে দেওয়া হয় না। ঘন জ্বাল দেওয়া দুধ খেলে সরের প্রলেপ ঠোঁটের ওপর যেমন থাকে, তেমনি লেগে থাকে এ হাসি। … বিস্তারিত পড়ুন

ওল গাছে ফুল এবং একটি হুজুগ —- সৌম্যকান্তি জানা

সকাল সকাল পয়লা মে-র খবরের কাগজ খুলতেই চক্ষু ছানাবড়া। কাটোয়ার খাজুরডিহি গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত মন্ডলহাট ঘোষপাড়ায় জনৈক নাড়ু পালের বাড়ির পাশে ঝোপের মধ্যে ওল গাছে গজিয়েছে ফুল, আর তা নিয়ে এলাকায় পড়ে গেছে হৈচৈ। শুরু হয়ে গেছে পুজো-পাঠ। জমে গেছে মেলা। মিলছে অঢেল দর্শনী। চোখ কচলে খবরটা বার দুয়েক পড়লাম। ওল গাছে প্রায় আট ইঞ্চি … বিস্তারিত পড়ুন

বিজয়ের লড়াই—- কামাল হোসাইন

সুনীল আকাশ। পেঁজা তুলোর পাহাড়ে ঘেরা। কুয়াশাচ্ছন্ন। আস্তে আস্তে ফিকে হয়। টুপ টুপ শিশির ঝরে পাতায়-ঘাসে। মৃদু হাওয়ায় দোল খায় লাউডগা। জারুল গাছের পাতার ফাঁকে দোয়েলের শিস। পুকুর-ডোবায় আকাশের তারার মতো শাপলা ফোটে। হাসে কুটিকুটি। ঢেউ লেগে আহ্লাদে ফেটে পড়ে। পুব আকাশে চিকচিক উঁকি দেয় সূয্যিমামা। শুরু হয়ে যায় নতুন একটা দিনের। আদিগন্ত বিস্তৃত আকাশের … বিস্তারিত পড়ুন

গল্প– চতুর্থ অধ্যায়

“আবার অখিল!–পালিয়েছিস বোডিং থেকে! তোর সঙ্গে কোনোমতে পারবার জো নেই। বারবার বলছি, এ-বাড়িতে খবরদার আসিস নে। মরবি যে।” অখিল কোনো উত্তর না দিয়ে গলার সুর নামিয়ে বললে, “একজন দাড়িওয়ালা কে পিছনের পাঁচিল টপকিয়ে বাগানে ঢুকল। তাই তোমার এ-ঘরে ভিতর থেকে দরজা বন্ধ করে দিলুম।–ওই শোনো পায়ের শব্দ।” অখিল তার ছুরির সব-চেয়ে মোটা ফলাটা খুলে দাঁড়াল। … বিস্তারিত পড়ুন

আধিয়ার

বিয়ের মাত্র এক মাস হয়েছে। শ্বশুড় সাহেব অসুস্থ শুনে বৌকে নিয়ে দেখতে গিয়েই বিপদ হল। নতুন জামাইকে আলুর বস্তা ধরিয়ে দিয়ে কেউ কোল্ড স্টোরেজে পাঠাবে এটা আশা করিনি। তারওপর কলেজ পাস জামাই আমি। এলাকায় একটা সুনাম আছে আমার- সেই আমাকেই কিনা আমার নতুন শ্বশুড় আব্বা তার এই বছরের আলু গুলো বস্তায় বেধে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, … বিস্তারিত পড়ুন

ভিন গাঁয়ের দেবদাস ও পার্বতী—- আকতার হোসেন

চন্দ্রবিন্দু, আমায় তুমি শেষ বিন্দুতে নিয়ে যাবে! কাঁখে কলস, হাতে বিজুলি চুড়ি, লোকে আমায় লক্ষ্মীছাড়া বলে। আমায় তুমি পাড়া ঘোরাবে! রাতের আগেই যদি রাত আসে সেদিন তোমার সাথে রাত কাটাবো, আমায় তুমি শয্যায় নিবে। সাঁতার শেখাবে! ডুবে গেলে তুলে আনবে? কোলে তুলে হটাৎ করে ফেলে দেবে নাতো। বল। ইতি তোমার লক্ষ্মী। সত্যি সত্যি মেয়েটা একদিন … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!