বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র — শৈবাল চক্রবর্তী- পঞ্চম পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ভাল করে দেখবে বলে একটু এগুতে গেছে এমন সময় পেছন থেকে ক্যাক করে কে তার ঘাড়টি চেপে ধরে। ভোম্বল দেখে বংকিম-স্যার। মুখে নিষ্ঠুর হাসি, এইবার তোমায় আমি ব্যঙ্গচিত্র বানাচ্ছি, দাঁড়াও। ডোম্বল পাঁচিলের দিকে আঙুল তুলে বলে, স্যার দেখুন। স্যার পাঁচিলের দিকে তাকান। আর সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজে কার্টুন … বিস্তারিত পড়ুন

বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র — শৈবাল চক্রবর্তী-শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। পাছে নিজের চেহারা দেখলে লোকে চিনে ফেলে, দুয়ো দেয় বুড়ে বয়সে পড়তে আসছে, তাই একটা সাজ গায়ে চাপিয়ে হাজির হতো উন্টে রাস্তা ধরে.যদি একটুও বুঝত যে ওকে এইভাবে দেখলে কেউ ভূত ভাববে তাহলে কি ভুলেও এমন কাজ…কি জটাইদা, সত্যি কিনা? জটাই জিভ কাটে, মাথা নাড়ে। অর্থাৎ রাম বল, … বিস্তারিত পড়ুন

বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র –শৈবাল চক্রবর্তী-১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ভর সন্ধেবেলার ইস্কুল। ছাত্র এক এক করে বেড়ে তিন মাসে দাঁড়িয়েছে দশে। এরা সাধারণ গৃহস্থবাড়ির ছেলে। যে বয়সে লেখাপড়া শেখার কথা তখন কোনো কারণে তা করা হয়নি, খেয়াল হয়েছে পরে। মাস কয়েক হল গ্রামের দু-চারজন মাতধ্বর মিলে সরকারি সাহায্য জুটিয়ে এই সব ছেলেদের পড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। ঝাপড়দার তেঁতুলতলার … বিস্তারিত পড়ুন

বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র — শৈবাল চক্রবর্তী–২য় পর্ব

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। কিন্তু এঁরা দুজন রয়ে গেছেন সাবেক ঝাঁপড়দায়। ভোম্বলও এখনও বংকিম-স্যারের পিছু পিছু এসে দাঁড়িয়েছে। রাজেনবাবুর মাথা জোড়া টাক, গালভরা হাসি, বুকের ওপর মোট পৈতে, গায়ে সাদা সুতির চাদর। ভোম্বলকে দেখে একগাল হেসে বলেন, ‘কে ও ? ভোম্বল না? আজ আমাদের টিম কেমন খেলল, বল । মোহনবাগানকে কেমন ঠেসে … বিস্তারিত পড়ুন

বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র — শৈবাল চক্রবর্তী -৩য় পর্ব

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সবে বোর্ডে একটা আঁচড় টেনেছে এমন সময় চক্কোতিপাড়ার বিম্ব বলে ওঠে, এই কি করছিস?’ চাপা গলায় ধমক দেয় তাকে ভোম্বল, ‘তুই চুপ কর। হাতের লেখা কর মন দিয়ে। ‘ দু বন্ধুর আলোচনা তখন একটু অন্যদিকে মোড় নিয়েছে। খানিক আগে এক পশলা বৃষ্টি হয়ে গেছে, সঙ্গে ঝড়। এখন বৃষ্টি … বিস্তারিত পড়ুন

বংকা স্যারের ব্যঙ্গচিত্র — শৈবাল চক্রবর্তী-চতুর্থ পর্ব

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বলছ কি তুমি? বংকিম-স্যারের মাথার চুল খাড়া হয়ে ওঠে। বলছি কি সাধে। লক্ষণ যে সব মিলে যাচ্ছে। লম্বা দাঁড়ি, পাঁচিলের ওপর বসে ফ্যালফ্যাল করে তাকানো ; রাম রাম।” লাঠিগাছাটা টেনে নিয়ে উঠে দাঁড়ান রাজেন ভট্টচার্জ, চলি হে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ভূতেদের আবির্ভাবের পক্ষে বড় অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে। আর … বিস্তারিত পড়ুন

প্রিয়জন নির্বাচন — মোবারক হোসেন

শুধু আমি নয়, আমার মত সবারই কেউ না কেউ প্রিয়জন থাকে।সেটা হতে পারে যে কেউ।আমরা একে আরেক জনের কাছ থেকে প্রিয়জনের নাম শুনে থাকি কিংবা জিঙ্গেস করি।কিন্তু যদি এভাবে নির্বাচন করি! এক টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন– জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে? মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল- জ্বী স্যার। আমার একটা দুই বছরের … বিস্তারিত পড়ুন

কাঁচপোকা

কি এক সময় ছিল! কেমন যেন উদ্ভ্রান্ত, পাগল করা সময়। সেই সময় খালি মনে হত কেউ আমাকে পাত্তা দেয় না। কেউ আমার কথা শোনে না। রাস্তায় বের হলে মনে হত আমার দিকেই যেন সবাই বিদ্রূপ সহকারে তাকিয়ে আছে। একলা দুপুরে গলার কাছে কান্না এসে আটকে থাকত গুটলি পাকিয়ে। কি যেন করতে ইচ্ছে হত! কোথায় যেন … বিস্তারিত পড়ুন

পথের বাঁকে–জুবায়ের হুসাইন-১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। শামসুল হকের মনটা হঠাৎ করে খারাপ হয়ে গেছে। তিনি নিজেও বুঝতে পারছেন না কেনো তার মনটা খারাপ হলো। অথচ যে কারণে মন খারাপ, সেটা বড় কোনো বিষয় নয়। অফিস শেষে বাসে করেই বাড়ি ফিরছেন তিনি। প্রতিদিনকার মতো আজও বাস থেকে নামলেন। এখান থেকে তার বাসা রিকসায় করে গেলে … বিস্তারিত পড়ুন

পথের বাঁকে–জুবায়ের হুসাইন-২য় পর্ব

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। দরোজা খুলে দিল রেহানা শামসুল হকের একমাত্র মেয়ে। ভাইবোনের মধ্যে সবার বড় সে। শামসুল হক ভেতরে প্রবেশ করলেন। ‘তোমার মা কই?’ জিজ্ঞেস করলেন তিনি। ‘মা একটু শুয়ে আছেন।’ জবাব দিল রেহানা। ‘কেনো, এই অবেলায় শুয়ে কেনো?’ ‘না, মানে—’ ‘তুমি কি জন্য এসেছো দরোজা খুলতে?’ ঝাঁঝিয়ে উঠলেন শামসুল হক। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!