আত্মশুদ্ধি—- সম্বুদ্ধ সান্যাল

হাত দিয়ে কপালটা ঘষতেই কেমন যেন বালিময় লাগলো। কতক্ষণ এভাবে বসে আছি জানিনা। পেছন থেকে আরো একটা লোকাল ট্রেন বেড়িয়ে গেলো। ক’টা বাজে তাও জানিনা। রেললাইনের অপর পাশে বাড়ির গাছগুলোর ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে সূর্য্যটা নিভু নিভু। বোধহয় ঘুমিয়েই পড়েছিলাম খানিক। মাথাটা বড় ঝিমঝিম করছে। বাচ্চাদুটো খেলছিলো যে, তারাও বোধ হয় চলে গেছে। ভাইবোনই হবেমনে … বিস্তারিত পড়ুন

স্বপন—- প্রবীর কুমার রায়

  দীর্ঘ তের বছর পর হঠাৎ গড়িয়াহাটের মোড়ে স্বপনের সাথে দেখা। না, ঠিক বললাম না। মধ্যে বার দু’এক ওর সাথে দূর্গাপুর বা পানাগড়, কোথায় যেন, হাওড়া আসার পথে খুব অল্প সময়ের জন্য দেখা হয়েছিল। ভিড় ট্রেনে সে ভাবে কথা বলার সুযোগ ছিল না। তবু ওরই মধ্যে সামান্য দু’চার কথায়, তার পুরানো স্বভাবের ছবিটাই ফুটে উঠলো। … বিস্তারিত পড়ুন

খেলার পুতুল —– দেবাশিস কোনার

‘কত না রংবাহারি ফুলের মালায় খোঁপাটি মনের মত সবাই সাজায় ।’ এটি একটি গানের লাইন । লাইনটির মধ্যে ভুল থাকতে পারে আবার ঠিকও হতে পারে । কিন্তু এই বাক্যবন্ধের মধ্য দিয়ে যে কথা বলবার প্রয়াস , তা হল আমরা সকলেই নিজেকে ভালবাসি। নিজেকে সর্বদা সুন্দর করে সাজাতে চাই । আমরা আসলে খেলার পুতুল । কোনও … বিস্তারিত পড়ুন

মার্জার উপাখ্যান০—-সুবীর কুমার রায়

  ছোটবেলা থেকেই আমার পশুপাখির ওপর একটা কৌতুহল, ভালবাসা ও ভাললাগা আছে। পাখি পোষা আমার কপালে নেই, কিন্তু কুকুর, খরগোশ, গিনিপিগ, সাদা ইঁদুর, কী না বাড়িতে এনে যত্ন করে পুষেছি? তাদের সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্যও রেখেছি। একবার একটা পায়রার নখ বড় হয়ে গেছে মনে করে ব্লেড দিয়ে নখ কেটে দিয়ে, বাবার কাছে প্রহারও খেয়েছি। পায়রাটার পা … বিস্তারিত পড়ুন

টেনশন — সুবীর কুমার রায়

আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের থেকে দীনবন্ধুবাবুর জীবনটা অনেক সুখে, অনেক শান্তিতেই কাটছিল। বি.এ. পাশ করেই বেশ ভাল একটা চাকরী পেয়ে যাওয়ায়, জীবনটা আরও মসৃণ গতি পেয়েছিল। স্ত্রী রমলা ও ছেলে মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার। কিন্তু যত গোলমাল দেখা দিল রাঘবের মৃত্যুতে। রাঘব তার বন্ধু ভৈরব এর ছোট ভাই। তার থেকে বয়সে অন্তত বছর সাতেক এর … বিস্তারিত পড়ুন

রায়ট— সুবীর কুমার রায়

জলকাদা আগাছায় ভরা ছোট্ট একটা গ্রাম, কে যে এহেন গ্রামের নাম সাধ করে কুসুমপুর রেখেছিল কেউ জানেও না, জানার প্রয়োজনও বোধ করেনা। কুসুম বলতে আকন্দ, ঘেঁটু, পার্থেনিয়াম জাতীয় কিছু জংলি ফুল, আর কলকে, মাদার বা নাম না জানা কিছু গাছের ফুল। রাস্তাঘাটের বালাই নেই, নিজেরাই নির্দিষ্ট পথে পায়ে হেঁটে যাতায়াত করে করে ঘাসহীন কিছু পায়ে … বিস্তারিত পড়ুন

বাঘ—- রুখসানা কাজল

তেজগাঁ ষ্টেশনে ট্রেন থামতেই নেমে পড়ে সহেলি। দশ বছরের মেয়ে শাবনূর বেশ চটপট। কাঁধে ঝুলানো ভারী ব্যাগ নিয়ে আগেই বেরিয়ে গেছে ভিড় ঠেলেঠুলে । ছেলেটি একেবারে বুকের সাথে লেপ্টে আছে । সহেলি ঠিক মত পা ফেলতে পারছে না। এত মানুষ এই ষ্টেশনে ! গিজগিজে ভিড়ে ঘাম গন্ধে বমি আসে ওর । তার উপর দুঃখে বুকটি … বিস্তারিত পড়ুন

ধম্মের ষাঁড় —সাঈদা মিমি

ও বুজি, আমার পুরা বাগান শ্যাসl ওই দেহো, ক্ষেতে নামছে, তোমার সাধের লাউগাছ গেলো! বুজি নিরুত্তাপl খাইবার দে, উইডা ধম্মের ষাঁড়, কিছু কইলে আমাগের উপর অভিশাপ আইসপো । কে ছেড়ে দিয়ে গেছে এই ষাঁড়? যে গেছে সেতো এই গ্রামেও থাকে না । মাসান্তে গাড়ি হাঁকিয়ে আসে, নানা ঋতুর ফসল বুঝে নেয়, বিক্রি করে দিয়ে আবার … বিস্তারিত পড়ুন

ঊষা—- পলাশকুমার পাল

তখনও সকাল স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। ধীরে ধীরে রাত তলিয়ে যাচ্ছে সূর্যের আলোয়। ফর্সা হচ্ছে পৃথিবী ক্রমশ। ঋতমের আধখোলা চোখে ফর্সা পৃথিবীর আলো জানলা দিয়ে এসে লেপ্টে যাচ্ছে। ঘুমের ঘোরে বিছানায় এপাশ ওপাশ করতে করতে কানে ভেসে আসে বাইরে কোলাহলের শব্দ। আন্দাজ করতে পারে না। মনে হয় অনেক লোক জড়ো হয়েছে তাদের বাড়ির পাশেই। এপাশ করতে … বিস্তারিত পড়ুন

বিমল —- সুবীর কুমার রায়।

অফিসে বিমল জানা নামে এক চতুর্থ শ্রেণীর কর্মী ছিল। সে খুব ভালো রান্না করতে পারতো এবং মাঝেমধ্যে অফিসের ক্যান্টিনে ভালোমন্দ রান্না করে আমাদের খাওয়াতোও। ছেলেটা খুব ভাল ছিল, কিন্তু তার পিছনে লেগে আমরা খুব মজা পেতাম। হঠাৎ লক্ষ্য করলাম, সে রোজ দুটো করে ডিমসিদ্ধ খাওয়া শুরু করেছে। তখন আমার অল্প বয়েস, কথায় কথায় কবিতা লিখে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!