মেঘ এবং আষাঢ়ের বৃষ্টি— রমজান মাহমুদ

ফোনে কথা বলার মাঝে মজা করে বলতাম, আচ্ছা আমাদের কি কখনো দেখা হবে? মেঘ আলতো করে হাসতো, সে হাসি আমার কাছে খুব রহস্যময় মনে হতো। মাঝে মাঝে ভাবতাম, আমার দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বন্ধুদের মধ্যে থেকে কি কেউ মজা করছে, নাকি মেঘ নামে রহস্যময় এ বালিকা মেঘের রাজ্য থেকে খানিকটা সময় মজা করে সময় পার করছে, … বিস্তারিত পড়ুন

কর্ম কন্যা

আমার শ্বাশুড়ির দরকার নাই! কাজের বুয়া চাই; কাজের বুয়া। বুঝতে পেরেছো? বুঝে কি করবো? বয়স একটু নাজুক হলেইতো তোমাকে আবার সতীনের ভয় তাড়া করে! ওসব কবর চাপা দাও! এখন এই নবাবের বেটীকে বিদেয় করো প্লিজ! কাজের মেয়ে নিয়ে জামী মহাবিপাকে। ক’দিন পরপরই এক ধান্দা। এখানে যাও। ওখানে খোঁজো। যত্তেসব! ইচ্ছে করে সব ছেড়ে ছুঁড়ে একতারা … বিস্তারিত পড়ুন

মানুষ–শাওন চৌধুরী

||১|| পেছন থেকে একটা কষে লাথি মারলাম প্রাণীটাকে। এমনিতেই বিশাল মাথাটার কারণে প্রানীটা ঠিকভাবে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে না, তার ওপর প্রচন্ড বল প্রয়োগ করা হয়েছে। তাল সামলাতে না পেরে মুখ থুবড়ে পড়ে গেল প্রাণীটা। আমি নাক দিয়ে ফোঁস করে একটা শব্দ করে অন্যদের দিকে তাকিয়ে বল্লাম,”তোমাদের গবেষণায় সুবিধা করে দিলাম। মানুষ রেগে গেলে কি … বিস্তারিত পড়ুন

খেলাবুড়া— জাহেদ মোতালেব

মরা গরুর উপরে বসা মাছির ঝাঁক দেখছে-এ রকম চোখে দর্শকের দিকে তাকায়। বুড়া খেলা দেখাবে। তার সারা শরীরে প্রস্তুতির ভঙ্গি। শহীদ মিনারের সামনে লোকেরা গোলাকার দাঁড়িয়েছে। সে এক পাক ঘুরে মুখে চিতা বাঘের আদল আনে। বলে, শোনেন ভাইসকল, মাইনষের পোঁদে লাত্থি মারা এহন দারুণ কাজ। গাঢ় সন্ধ্যায় বুড়ার ন্যাড়া মাথা সোডিয়াম লাইটে চকচক করে। সে … বিস্তারিত পড়ুন

নিভে যাবার আগে— লাবিব ওয়াহিদ

চারপাশ অন্ধকার করে মাঝখানে একফোঁটা জলের মতো ছোট্ট হয়ে বসে আছে রোদ্দুর। রোদের চোখে জল শরতের মেঘের মতো ছুটে ছুটে আসে যায়। যদি দূর থেকে কেউ তাকায়, দেখবে অনেক অন্ধকারের মাঝখানে একটা আলোকবিন্দু। সেই বিন্দু নিজে যখন সামনে তাকায়, তখন শুধুই জেলীর মতো থকথকে অন্ধকার। রোদ্দুর ৫ বছর আগে থেকেই জানে, কেউ বাচবে না। কিন্তু … বিস্তারিত পড়ুন

আমার বেলা যে যায় —দেবাশিস কোনার

আমি এখন হাওয়ায় উড়ছি । উঠতি বয়েস । মা-বাবার কথা শুনছি না । এদিক সেদিক করে একটা দুচাকা মটোর সাইকেল কিনে টো টো করে ঘুরছি দিন রাত । সকলেই যে যার কাজে ব্যস্ত । কারোর আমার দিকে নজর দেবার সময় বা ইচ্ছা কোনটাই নেই । সুতরাং আমি বিন্দাস আছি । কেবল মা মাঝে মাঝে আমাকে … বিস্তারিত পড়ুন

পাপ ও পরিণতি—- মনোজিৎ কুমার দাস

গল্পগুলো আমার শোনা, তবে সবগুলোই লোক মুখ থেকে নয়। প্রত্যক্ষদর্শী, সাগরেদ কিংবা ভুক্তভোগেী ভিকটিমদের কাছ থেকে শোনা। লোক মুখে শোনা গল্পও যে তা কিন্তু নয়। দুষ্কৃতি যত গোপনেই খারাপ কাজ করুক না কেন , তা এক সময় না এক সময় প্রকাশ হয়ই। প্রথম গল্পটা যে কোন লোকের মুখ থেকে নয়, লম্পটার এক সাঙাতের মুখ থেকে … বিস্তারিত পড়ুন

প্রতিবিম্বন—- পলাশ কুমার পাল

বৃষ্টি ভেজা মেঘাচ্ছন্ন রাত। ঘড়ির কাঁটা প্রায় বারোটার ঘর ছুঁতে চায়। হাতে স্টিয়ারিং, ক্লান্ত চোখ সারিবদ্ধ ল্যামপোস্টের আলোয় পথ বের করে যায়। মৃণ্ময় যেন আজ বেশী বিধ্বস্ত। ক’দিন শরীরটাও ভালো নেই। তবু অফিসের কাজের চাপ। রাত পর্যন্ত কাজ। প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি, করার কিছু নেই- জোঁকের মতো রক্ত চুষে খায়। এইসব সাত-পাঁচ ভাবনা মাথায়। হঠাত্ মৃণ্ময়ের … বিস্তারিত পড়ুন

বৃক্ষছায়া —– মকৃষ্ণ ভট্টাচার্য সান্যাল

কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেস ট্রেনে এসে নামল, অমল হাসিমারা ষ্টেশনে । ষ্টেশন থেকে বেরিয়েই দেখতে পেলো- অমল বোস “ ডুবপাড়া টি এষ্টেট” লেখা একটা বোর্ড নিয়ে দাঁড়িয়ে, একজন। প্লেনে যাবার কথা বলেছিল কোম্পানি, কিন্তু বাবার বাধা । কে জানে, প্লেনে আবার কি সব গণ্ডগোল হচ্ছে আজকাল । কাছে যেতেই লোকটা নমস্কার করে বলেছিল :- স্যার, আপনিই তো … বিস্তারিত পড়ুন

বিধান—- নির্মলেন্দু কুন্ডু

—”না,না,তুমি যা বলছো,তা কিছুতেই সম্ভব নয় ৷” —”কেন সম্ভব নয় অর্চিতা ! আমার প্রতি তোমার কী কোন ফিলিংস নেই ?” —”আছে,তবে সেটা নিখাদ বন্ধুত্বের ৷” — শুধুই কী বন্ধুত্বের ?তাহলে আমি আঘাত পেলে তোমার অত কষ্ট হয় কেন ? জ্বর হলে কেন বুবাইকে নিয়ে আমার বাড়িতে এসে সময় কাটাও ? কেন মন্দিরে আমার নামে পুজো … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!