অচেনা শহর–দারা মাহমুদ

  ব্যাপারটা কি? তোরা সব এমন করছিস যেন বাড়িতে কেউ মরে গেছে! একটু চড়া গলায় কথাগুলো বললো আরিফ। খুকু কোনো কথা বললো না। আরিফ একটা লুচি মুখের মদ্যে ঢুকিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চিবুলো। একটু পানি খেলো। হঠাৎ করেই খুকুর চোখের দিকে সন্দেহের চোখ ছুঁড়ে দিয়ে বললো, তুই বিকেলে পড়তে যাসনি কেনো? এবার খুকু কথা বললো। বেশ … বিস্তারিত পড়ুন

হিমু : হুমায়ুন আহমেদ–২য় অংশ

ঘরের ভেতর দু’টা চিঠি। একটির খাম দেখেই বোঝা যাচ্ছে রুপার কাছে থেকে এসেছে। কার্টিস পেপারে ধবধবে সাদা খাম। খামের এক মাথায় রুপালি কালিতে এমবস করা রুপার নাম। সাদার উপর রুপালি ফোটে না, তবুও এটাই রুপার স্টাইল। অন্য চিঠিটি ব্রাউন কাগজের। ঠিকানা ইংরেজিতে টাইপ করা। দু’টা চিঠির কোনোটিতেই স্ট্যাম্প নেই—হাতে হাতে পৌছে দেয়া। আমি রুপার চিঠি … বিস্তারিত পড়ুন

হিমু : হুমায়ুন আহমেদ–৩য় অংশ

  ধুম-ধুম করে দরজায় কিল পড়ছে। আমি ঘুমের ঘোরে বললাম, কে? কেউ জবাব দিল না। দরজায় শব্দ হতে থাকল। আমার সমস্যা হচ্ছে—শীতের ভোরে একবার লেপের ভেতর থেকে বের হলে আবার ঢুকতে পারি না। এখনো ঠিকমতো ভোর হয়নি—চারদিক আঁধার হয়ে আছে। কাঁচের জানালায় গাঢ় কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। এত ভোরে আমার কাছে আসার মতো কে আছে ভাবতে-ভাবতে … বিস্তারিত পড়ুন

হিমু : হুমায়ুন আহমেদ–চতুর্থ অংশ

বড় রাস্তার ফুটপাতে উবু হয়ে বসে বয়স্ক এক ভদ্রলোক ঠোঙ্গা থেকে বাদাম নিয়ে নিয়ে খাচ্ছেন। খাওয়ার ব্যাপারটায় বেশ আয়োজন আছে। খোসা থেকে বাদাম ছড়ানো হয়। খোসাগুলি রাখা হয় সামনে। ভদ্রলোক অনেকক্ষণ বাদামে ফুঁ দিতে থাকেন। ফুঁয়ের কারণে বাদামের গায়ে লেগে থাকা লাল খোসা উড়ে যায়। তখন তিনি অনেক উপর থেকে একটা একটা করে বাদাম তাঁর … বিস্তারিত পড়ুন

আঙ্গুর

হিমু বসে বসে দু আঙ্গুলের নখ দিয়ে বেশ কসরত করে আঙ্গুরের খোসা ছাড়াচ্ছে.. যদি ও এটা খুব ই আজগুবি এবং বেশ কস্ট সাধ্য ব্যাপার। তবু সময় কাটানোর জন্য ভালো কাজে দিচ্ছে… প্রায় এক ঘন্টা হয়ে গিয়েছে নিতুদের বসার ঘরে বসে আছে। এই এক ঘন্টায় সে মাত্র বারোটি আঙ্গুরের ছোলা খসিয়ে মুখে পুরতে পেরেছে।বাসার পিচ্চিটা ভিতরের … বিস্তারিত পড়ুন

কাকের গু

তিনটা কাজ প্রায় একই সময়ে পর পর ঘটে গেল। যেন ঠিক করাই ছিল আগে থেকে। এটা হলে ওটা হবে। তারপর আরেকটা হবে। মুহূর্তের মধ্যে। সুইচ টিপে দেয়া ছিল। ঘটে গেল পর পর। উদয় এক প্লেট চটপটি নিয়ে গাছের নিচের চেয়ারটাতে বসে ছিল। সাথে রিয়াদ আর আদিব। আশেপাশে আরো কিছু মানুষ। চটপটি বা ফুচকা নিয়ে। হাসি-গল্পে … বিস্তারিত পড়ুন

আমার অতীত নেই… ভবিষ্যৎও নেই কোনোখানে

কোনো একদিন কোথাও থেকে ফিরছিলাম। কবে যেন। দিন ভুলে গেছি। তবে, ফিরছিলাম কি? কোথায় ফিরি? ফিরে কি আসি আসলে? ফিরে আসা কি কখনো বাধ্যতামূলক হয়? বরং ইচ্ছাকৃত হবার কথা। ভেবে নিলাম আমি ফিরি না। মানুষ কোথায় তাহলে ফেরে – যারা ফেরে? কোনো পদার্থের পার্থিব টানে ফিরতে থাকে তারা? নাকি সত্যিকারেই তাদের এই ফিরে যাওয়া কোনো … বিস্তারিত পড়ুন

বিষাদের গান

কোন বেদনা প্রকাশ করো নি তুমি? কোন বিষাদে হও নি নিমগ্ন! কোন বেদনার পলি জমেছে তিলে তিলে? ফোঁটায় ফোঁটায় বিষাদে ঢেকে গেছে সব। তাদের অধিকারে তুমি। তাদের নিয়ন্ত্রণে তোমার মস্তিষ্ক। তারা কুরে কুরে খায়। তোমাকে। বিষণ্ণতা একটি রোগ। যে রোগে বিন্দুমাত্র নড়তে গেলেও পুরানো বাতের রোগীর মতো শরীরের সবক’টা হাড় আর পেশী, শিরা আর কোষ … বিস্তারিত পড়ুন

উইশলিস্ট

ইচ্ছে ছিল অনেক দূরের পাহাড়ের মাটির রাস্তায় হেঁটে বেড়াব। চেয়েছিলাম পাহাড়ি ওই লাল মাটির রাস্তায় খালি পায়ে হেঁটে নতুন পথে দিগন্ত ছোঁয়ার চেষ্টা করবো। নতুন পথে পায়ের ছাপ রেখে হারাবো অজানায়। ইচ্ছে ছিল একলা এক সন্ধ্যায় সাগরের জলে দু’পা ভিজিয়ে নোনা জলে সব অপূর্ণ স্বপ্ন ভাসিয়ে দিব। বালুতে রেখে যাবো মুছে যাওয়া পদচিহ্ন। হারাবো ওই … বিস্তারিত পড়ুন

চক্র বন্দি

মাঝ রাতের ঘুম ঘুম চোখেও আজকাল একটু পুরনো ঘ্রাণ নিতে প্রাণ ব্যাকুল হয়ে ওঠে। এ ঘ্রাণ ঠিক পুরনো না , এ ঘ্রাণটা অনেক প্রিয় কিছুর, খুব মাতাল করা কিছু। ঘ্রাণটা স্মৃতির , ঘ্রাণটা প্রিয় গানের একটা লাইনে। ঘ্রাণটা কবিতার ছন্দে। ঘ্রাণটা এক রাশ স্মৃতি ছুঁয়ে যাওয়া প্রিয় ফুলের। কেন মন এত ব্যাকুল হয়ে ওঠে এই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!