আফসানা–২য় অংশ

জ্বী, চাচা। রাজারহাট শহরে। রাহাপাড়া পানির ট্যাঙ্কির কাছে।যেখানে নদী গবেষনার ইন্সিস্টিটিউট-এর যে নতুন ভবন হচ্ছে । হ্যাঁ, হ্যাঁ। জায়গাটা আমি চিনি। রাজার হাটে আমার এক মামা থাকেন। আব্বাস মামা আফগানিস্তান থেকে আখরোট আর নাশপাতি ইমপোর্ট করেন। আর আমি থাকি মিঞাবাড়ির বালাই দীঘির পাড়। ওখানেই আমাদের পৈত্রিক ভিটে। উবাইদ মালিক- এর কথা শেষ হল না সেই … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–৩য় অংশ

আমি মাথা নাড়লাম। আমার হাতের তালু ঘামছিল। এত শীতের মধ্যেও কন্ঠনালী শুকিয়ে কাঠ। আমার জন্মপূর্ব বাংলার একটি মুসলিম পরিবারে। পারিবারিক ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে বড় হয়েছি। জিনের অস্তিত্ব যে অস্বীকার করিতাও না। কিন্তু, তাই বলে-… আমি আফসানাদের দিকে তাকালাম। ওরা তিনজনই এদিকে তাকিয়ে রয়েছে। ওরাআমাদের কথাবার্তা শুনতে পাচ্ছে বলে মনে হল। আশ্চর্য! আফসানা ওর মাকে নীচু … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–শেষ অংশ

মহিলাটি নেকাব সরিয়ে নিল। আমি চমকে উঠলাম। আফসানা! গায়ের রং দুধে আলতা গায়ের রং। কিছুটা বাদামী চুল। ঘন জোরা ভুঁরু। মায়াবী চোখ। নীলাভ মনি। ধবধবে গলায় মুক্তার মালা। কুড়ি বছর। অবিকল। মিষ্টি রিনরিনে কন্ঠে আফসানা বলল, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। আপনি ভালো আছেন কি? হ্যাঁ। আমি মাথা নেড়ে বলাম। সারা শরীর … বিস্তারিত পড়ুন

আংকেল–এস.কে.দোয়েল

কাল রাত থেকে শিশুদের চোখে ঘুম নেই। আগামীকাল সকাল সকাল দর্জিপাড়া প্রাইমারি স্কুলে যেতে হবে। কবির আংকেল শীতবস্ত্র দিবে। শিশুদের প্রিয় মানুষ, প্রিয় বন্ধু কবির আংকেল। সারা রাত অন্যসব শিশুদের মত ঘুম হয়না নিশাতেরও। ঘুমের মধ্যেও আংকেল আংকেল বলে বলে উঠে। পথ চলতে আংকেলের সাথে দেখা হলেই মোটর সাইকেলটা থামিয়ে জিজ্ঞেস করে, কেমন আছিস? হাসিমুখে … বিস্তারিত পড়ুন

আমতলি

রিদয় বলে ছেলেটা নামেই হৃদয়, দয়ামায়া একটুও ছিল না। পাখির বাসায় ইঁদুর, গরুর গোয়ালে বোলতা, ইঁদুরের গর্তে জল, বোলতার বাসায় ছুঁচোবাজি, কাকের ছানা ধরে তার নাকে তার দিয়ে নথ পরিয়ে দেওয়া, কুকুর-ছানা বেরাল-ছানার ল্যাজে কাঁকড়া ধরিয়ে দেওয়া, ঘুমন্ত গুরুমহাশয়ের টিকিতে বিচুটি লাগিয়ে আসা, বাবার চাদরে চোরকাঁটা বিঁধিয়ে রাখা, মায়ের ভাঁড়ার-ঘরে আমসির হাঁড়িতে আরশোলা ভরে দেওয়া … বিস্তারিত পড়ুন

বিকাশদা ও একটি পুকুর–বিপ্লব গঙ্গোপাধ্যায়

জমিজায়গা টাকাপয়সা আর ঝকঝকে একখানা বাড়ি । এর বাইরেও যে জীবন আছে বিকাশদা জানত না । একটি মাত্র পুকুর ছিল বিকাশদার । ঠিক পুকুর নয় । আমাদের আঞ্চলিক গোদা বাংলায় তার নাম ছিল শালুকগড়্যা । ক্লান্ত বর্ষণ শেষে ভাদ্র মাসের দুষ্টু রোদের আভায় ঝলমল করত সেই জলাশয় । তার তীরে বসে গম্ভীর মুখে বিকাশদা মাছ … বিস্তারিত পড়ুন

নীল হাতি–নুজহাত আয়েশা

  বড়মামা ফোন দিয়েছেন।  ‘জন্মদিনে তোমার কী চাই মা?’ -‘কিচ্ছু লাগবে না মামা।’ -‘তোমার কী পছন্দ তাই বল।’ -‘আমার তো সবচেয়ে ভালো লাগে গল্পের বই।’ -‘বাহ্‌! এটা তো অনেক ভালো কথা!’ নীতু অনেক খুশি হয়! মা-বাবা ছাড়া অন্য কারও কাছে কিছু চাওয়া ঠিক না, এটা ওকে মা শিখিয়ে দিয়েছেন। নীতু নিজ থেকে কিছু চায় না … বিস্তারিত পড়ুন

একজন পানওয়ালা

বিল্লাল কে দেখে বোঝা যায় না যে ওর বয়স পনেরতে পড়েছে। দেহের গড়নে বয়স একদম ঠাওর করা যায় না, মনে হয় বড়জোর দশ বছর হবে। ছিপছিপে গড়নের খুব দুরন্ত এক কিশোর সে। কাঁধে পানের ডালা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় সমস্থ হাতিরঝীল এলাকা জুড়ে। রামপুরা ব্রিজ থেকে কাওরান বাজার পর্যন্ত। সব সময় মুখে একটা মিষ্টি হাসি দিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

অসংজ্ঞায়িত আজও

যে ঘটনার বর্ননা আমি করতে যাচ্ছি তা নিঃসন্দেহে একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং আমি ছিলাম সেই অভিজ্ঞতা বর্ননার একজন প্রত্যক্ষ শ্রোতা। ঘটনাটি নিম্নরূপঃ তালুকদার বাবু ময়মনসিংহ শহরের একটি নামী কলেজের গনিতের শিক্ষক। এখন অবসরপ্রাপ্ত। নিঃসন্দেহে বাস্তববাদী, যুক্তিবাদী এবং কুসংস্কার মুক্ত। কিন্তু তার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ব্যাখ্যা তিনি আজও খুঁজে বেড়ান। কোনো প্রকার যুক্তি দিয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

সমাপিকা

উড়ো ভাষায় এসে গেলো হাতে-খড়ির খবরটা আমার কানে । কিন্তু রামলাল রেখেছিলো পাক্কা খবর ঠিক কখন, কোন তারিখে, কোন মাসে হবে হাতে-খড়িটা । কেননা এই শুভ কাজে তার কিছু পাওনা ছিলো । কাজেই সে ঠিক সময় বুঝে, রাত ন’টার আগেই আমাকে খাঁচার মধ্যে বন্ধ করে বললে, ‘ঘুমিয়ে নাও, সকালে হাতে-খড়ি, ভোরে ওঠা চাই ।’ দু’কানের … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!