মিস্‌মিদের কবচ-দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ

গাঙ্গুলিমশায় চলে গেলে আমি মামাকে বললাম—আপনি মাছ নিলেন না কেন? উনি দুঃখিত হলেন নিশ্চয়। মামা হেসে বললেন—তুমি জানো না, নিলেই দুঃখিত হতেন—উনি বড় কৃপণ। —তা কথার ভাবে বুঝেচি। —কি করে বুঝলে? —অন্য কিছু নয়—বৌ-ছেলেরা কলকাতায় থাকে, উনি থাকেন দেশের বাড়িতে। একটা চাকর কি রাঁধুনী রাখেন না, হাত পুড়িয়ে এ-বয়সে রেঁধে খেতে হয় তাও স্বীকার। অথচ … বিস্তারিত পড়ুন

মিস্‌মিদের কবচ–পঞ্চম পরিচ্ছেদ

কোনো কিছু সন্ধান পাওয়া গেল না ননীর কাছে। তবুও আমার সন্দেহ সম্পূর্ণরূপে গেল না। ননী হয় সম্পূর্ণ নির্দোষ, নয়তো সে অত্যন্ত ধূর্ত। মিঃ সোম একটা কথা সব-সময়ে বলেন, ‘বাইরের চেহারা বা কথাবার্তা দ্বারা কখনো মানুষের আসল রূপ জানবার চেষ্টা কোরো না—করলেই ঠকতে হবে। ভীষণ চেহারার লোকের মধ্যে অনেক সময় সাধুপুরুষ বাস করে—আবার অত্যন্ত সুশ্রী ভদ্রবেশী … বিস্তারিত পড়ুন

মিস্‌মিদের কবচ—সপ্তম পরিচ্ছেদ

আমার মনে একটা বিশ্বাস ক্রমশ দৃঢ়তর হয়ে উঠচে। গাঙ্গুলিমশায়কে খুন করতে এবং খুনের পরে তাঁর ঘরের মধ্যে খুঁড়ে দেখতে খুনীর লেগেছিল সারারাত। যুক্তির দিক থেকে হয়তো এর অনেক দোষ বার করা যাবে—কিন্তু আমি অনেক সময় অনুমানের ওপর নির্ভর করে অগ্রসর হয়ে সত্যের সন্ধান পেয়েছি। কিন্তু ননী ঘোষকে আমি এখনও রেহাই দিই নি। শ্যামপুরে ফিরেই আমি … বিস্তারিত পড়ুন

মিস্‌মিদের কবচ—অষ্টম পরিচ্ছেদ

শীতল পোদ্দার টাকা বার করে নিয়ে এল একট থলির মধ্যে থেকে। বললে—সেদিনকার তহবিল আলাদা করা ছিল। সোনা বিক্রির তহবিল আমাদের আলাদা থাকে, কারণ, এই নিয়ে মহাজনের সোনা কিনতে যেতে হয়। টাকা হাতে নিয়ে দেখবার আগেই শীতল একটা কথা বললে—যা আমার কাছে আশ্চর্য বলে মনে হলো। সে বললে—বাবু, এগুলো পুরোনো টাকা, পোঁতা-টোতা ছিল ব’লে মনে হয়, … বিস্তারিত পড়ুন

তাবিজ মহিমা-শ্রীক্ষিতীন্দ্র নারায়ন ভট্টাচার্য-১ম পর্ব

ফেব্রয়ারি মাস প্রায় শেষ হইতে চলিল,হু-হু করিয়া ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা আসিয়া পড়িল।সপ্তাহ খানেক রোগে ভুগিয়া উঠিয়া সোমেশকে আজ আবার বই খুলিয়া বসিতে হইবে।জ্বরের সময় শুইয়া মনের মধ্যে কতরকম আশাই না ঘুরিয়া বেড়াইত-আর কয়েক টা দিন এই ভাবে কাটাইয়া দিতে পারিলেই এবছরের মতো পরীক্ষার হাত হইতে রেহাই পাওয়া যায়।একটা দিন চোখ বুজিয়া সাণ্ড খাইয়া কাটাইয়া তাতে তাহার … বিস্তারিত পড়ুন

ডুমরুধরের কুমির শিকার –ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাকধ্যায়

শঙ্কর ঘোষ জিজ্ঞাসা করিলেন,-শুনিয়াছি যে,সন্দুরবনে নদী নালায় অনেক কুমির আছে!তোমার আবাদে ঐ জলাভূমিতে কুমির কিরূপ? ডমরুধর বলিলেন,-কুমির!আমার আবাদের কাছে যে দনী আছে,কুমিরে তাহা পরিপূর্ন।খেজুরের পাতার মতো তাহারা ভাসিয়া বেড়ায়।অথবা কিনারায় উঠে তারা পালে পালে রৌদ্র পোহায়।গরু মানুষ,ভেড়া,বাগে পাইলেই লইয়া নিয়া যায়।কিন্তু এসব কুমির কে আমতা গ্রাহ্য করি না।একবার আমার আবাদের নিকট এক কুমিরের আবির্ভাব হইয়াছিল।ইহার … বিস্তারিত পড়ুন

সাগর কেন লোনা?–উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক যে ছিল রাজা, তার নাম ফ্রদি। তার ছিল একটা যাঁতা, তাকে বলত গ্রত্তি। সে যাঁতা যেমন তেমন যাঁতা ছিল না, তাকে ঘুরিয়ে যে জিনিস ইচ্ছা, তাই তার ভিতর বার করা যেত। কিন্তু ঘোরাবে কে? সে যাঁতা ছিল পাহাড়ের মত বড়। রাজার চাকরেরা সেটা নাড়তেই পারল না। রাজার দেশে যত জোয়ান ছিল, সকলে হার মেনে … বিস্তারিত পড়ুন

ফুল পাখিদের দেশে -আল জাবিরী

পিতা-মাতার একমাত্র সন্তান মাহমুদ। সে আবার একটি ফুলের বাগান করল। তাতে গোলাপ, পলাশ, হাসনাহেনা, রজনীগন্ধা, জুঁই, চামেলী, গাঁদা, রক্তজবাসহ আরো অনেক ফুলগাছ লাগিয়েছে। সে প্রতিদিন বাগানে গিয়ে ফুলের গন্ধ শুঁকে এবং বাগানে আসা পাখিদের গান শোনে তাদের সাথে কথা বলে। আর পাখিরাও তাকে ভালবেসেই গান শুনায়। মাঝে মাঝে লুকিয়ে থেকে ফুল, পাখি আর প্রজাপতির মিতালী … বিস্তারিত পড়ুন

নুতন গল্প-উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

এক রাজা, তার তিন ছেলে। বড় ছেলে গাঁজা খায়, মেজ ছেলে লাঠি হাতে ঘুরিয়া বেড়ায়, ছোট ছেলে বাপের কাছে বসিয়া রাজ্যের কাজকর্ম দেখে। বড় দুটো ছোটটিকে দেখিতে পারে না। ‘সোনার গাছ রূপোর পাতা, শ্বেত কাকের বাসা তাতে!’ রাজার বড় ইচ্ছা এই গাছ ছেলেরা আনিয়া দেয়। তিন ছেলে কত জায়গায় ঘুরিল। বড় দুটির কি হইল জানা … বিস্তারিত পড়ুন

গিল্‌ফয় সাহেবের অদ্ভুত সমুদ্র-যাত্রা–উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

তোমরা ‘ইউনাইটেড্‌ স্টেট্‌স’ কোথায় জান? পৃথিবীর মানচিত্রের বাঁ ধারে গোলাকাটির নাম নূতন মহাদ্বীপ। নূতন মহাদ্বীপের বড় দেশটা আমেরিকা। আমেরিকার মাঝখানটা খুব সরু, দেখিতে দুটি দেশের মত দেখায়। এই দুইটির উপরেরটির নাম উত্তর আমেরিকা আর নীচেরটির নাম দক্ষিণ আমেরিকা। উত্তর আমেরিকার যত দেশ, ইউনাইটেড্‌ স্টেট্‌স তাহার মধ্যে সকলের বড়। ইউনাইটেড্‌ স্টেট্‌সে গিলফয় সাহেবের বাড়ি। গিলফয় সাহেব … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!