পণরক্ষা–রাবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-৪র্থ অংশ

নাই, ঘর নাই তবু ঘরের অভাব নাই, সম্মুখে অন্ধকার রাত্রি আসিতেছে তবু সে নিরুদ্‌বেগে নিরুদ্দেশের অভিমুখে ছুটিয়া চলিয়াছে— এই কথা ভাবিতে ভাবিতে রসিক একদৃষ্টে জলের স্রোতের দিকে চাহিয়া বসিয়া রহিল— বোধ করি তাহার মনে হইতেছিল, দুর্বহ মানবজন্মটাকে এই বন্ধনহীন নিশ্চিন্ত জলধারার সঙ্গে মিশাইয়া ফেলিতে পারিলেই একমাত্র শান্তি। এমন সময় একজন তরুণ যুবক মাথা হইতে একটা … বিস্তারিত পড়ুন

গল্প- সূর্যাস্ত, বৃষ্টি ও দরজা

জেগে ওঠার পর থেকে কিছুই বুঝতে পারছে না রেজা। অস্পষ্ট লাগছে সব। বিছানায় শুয়ে আছে ও, এটা শুধু বুঝতে পারে। কাঁথা একটা গায়ে চাপা দেয়া। গন্ধ আসছে সেটা থেকে। শুকনো গন্ধ। সর্দি লাগলে যেমন করে নাকটা, তেমন করছে। কয়েকবার শ্বাস ছাড়ে জোরে জোরে। সর্দি লাগল নাকি? ঘুমাবার আগে তো সর্দি ছিল না? ধুলো দিয়ে ভর্তি … বিস্তারিত পড়ুন

অসিলক্ষণ পণ্ডিত – সুকুমার রায়

রাজার সভায় মোটা মোটা মাইনেওয়ালা অনেকগুলি কর্মচারী। তাদের মধ্যে সকলেই যে খুব কাজের লোক, তা নয়। দ’চারজন খেটেখুটে কাজ করে আর বাকি সবাই বসে বসে মাইনে খায়। যারা ফাঁকি দিয়ে রোজগার করে, তাদের মধ্যে একজন আছেন, তিনি অসিলক্ষণ পণ্ডিত। তিনি রাজার কাছে এসে বললেন, তিনি অসিলক্ষণ (আর্থাৎ তলোয়ারের দোষ-গুণ) বিচার করতে জানেন। অমনি রাজা বললেন, … বিস্তারিত পড়ুন

অসুরের দেশ – সুকুমার রায়

যে-জাতি শিল্পে বাণিজ্যে বেশ অগ্রসর, যাহারা লেখাপড়ার চর্চা করে, হিসাব করিয়া পাকা দালান ইমারৎ গাঁথিতে জানে এবং নানারূপ ধাতু ও অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবহারে বেশ অভ্যস্ত, মোটের উপর তাহাকে সভ্য জাতি বলা যায়। ইতিহাসের প্রাচীন যুগে যে সকল সভ্য জাতির নাম পাওয়া যায় তাহার মধ্যে একটা জাতির কথা শুনি যাহার নাম অসুর বা আশুর। ইংরাজিতে তাহাকে বলে … বিস্তারিত পড়ুন

আজব সাজা – সুকুমার রায়

“পণ্ডিতমশাই, ভোলা আমায় ভ্যাংচাচ্ছে।” “না পণ্ডিতমশাই, আমি কান চুলকাচ্ছিলাম, তাই মুখ বাঁকা দেখাচ্ছিল !” পণ্ডিতমশাই চোখ না খুলিয়াই অত্যন্ত নিশ্চিন্ত ভাবে বলিলেন, “আঃ ! কেবল বাঁদরামি ! দাঁড়িয়ে থাক।” আধমিনিট পর্যন্ত সব চুপচাপ। তারপর আবার শোনা গেল, “দাঁড়াচ্ছিস না যে ?” “আমি দাঁড়াব কেন ?” “তোকেই তো দাঁড়াতে হবে।” “যাঃ আমায় বলেছে না আর কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

আশ্চর্য কবিতা – সুকুমার রায়

আমাদের ক্লাশে একটি নূতন ছাত্র আসিয়াছে। সে আসিয়া প্রথম দিন‌‌ই সকলকে জানাইল, “আমি পোইট্‌‌রি লিখতে পারি !” একথা শুনিয়া ক্লশের অনেকেই অবাক হ‌‌ইয়া গেল; কেবল দুই-একজন হিংসা করিয়া বলিল, “আমরাও ছেলেবেলায় ঢের ঢের কবিতা লিখেছি।” নতুন ছাত্রটি বোধহয় ভাবিয়াছিল, সে কবিতা লিখিতে পারে শুনিয়া ক্লাশে খুব হুলুস্থুল পড়িয়া যাইবে এবং কবিতার নমুনা শুনিবার জন্য সকলে … বিস্তারিত পড়ুন

উকিলের বুদ্ধি – সুকুমার রায়

গরিব চাষা, তার নামে মহাজন নালিশ করেছে। বেচারা কবে তার কাছে পঁচিশ টাকা নিয়েছিল, সুদে-আসলে তাই এখন পাঁচশো টাকায় দাঁড়িয়েছে। চাষা অনেক কষ্টে একশো টাকা যোগাড় করেছে; কিন্তু মহাজন বলছে, “পাঁচশো টাকার এক পয়সাও কম নয়; দিতে না পার তো জেলে যাও।” সুতরাং চাষার আর রক্ষা নাই। এমন সময় শামলা মাথায় চশমা চোখে তোখোড়-বুদ্ধি উকিল … বিস্তারিত পড়ুন

একটি বাবুই ও নীল পরীর গল্প

ছোট্ট একটি গ্রামে একটি ছোট্ট ঘরে একটি ছোট্ট ছেলে তার মায়ের সাথে থাকত। ছেলেটির নাম ছিল নিলয় মাহমুদ। তার নাম যা ই হোক, মা তাকে বাবুই নামেই ডাকতে বেশি পছন্দ করে। বাবুই মায়ের অনেক আদরের। আর বাবুইও মাকে অনেক বেশি পছন্দ করে। বিশেষ করে মায়ের সেই গল্প। মা তাকে প্রতি রাতেই গল্প শুনায়। মায়ের গল্প … বিস্তারিত পড়ুন

রহমত মিয়া !

রহমত মিয়া অনেক দিন হলো মাছ ধরে নদীতে খালে-বিলে। মাছ যারা ধরে তাদের সবার-ই কোন না কোন ভৌতিক ঘটনা আছে। রহমত মিয়ারও আছে কিন্তু এগুলো শুধু অন্যের কাছে বলার জন্য গল্প। রহমত মিয়া জীবনে কোনদিন ভয় পায় নাই এবং পাওয়ার সম্ভাবনাও কম। এইতো সেবার হিন্দুপাড়ার শ্বশানের পাশের নদীতে মাছ ধরতে যেয়ে লক্ষিন্দর এতবার ডাকার পরও … বিস্তারিত পড়ুন

স্বপ্ন

স্বপ্নকে আরবিতে হিলমুন, ফার্সিতে খাব এবং ইংরেজিতে ড্রিম বলে। সজাগ থেকে স্বপ্ন দেখা যায় না। আমরা ঘুমিয়ে যা দেখি তা স্বপ্ন নয়, বরং যা আমাদের ঘুমোতে দেয় না তাই স্বপ্ন। সবাই স্বপ্নপ্রেমি। সবাই স্বপ্ন দেখতে বড্ড ভালোবাসি। কেউ কেউ স্বপ্ন দেখাতে আবার বেশ ভালোবাসেন। স্বপ্নরাজ্য কারো পৈত্রিক সম্মতি নয়। এখানে কারো বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন চলে না। … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!