থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃঅষ্টম পর্ব

শাওয়ার সেরে মহিব দুপুরের খাবার খেয়ে কম্পিউটারে বসল মেইল চেক করার জন্য। নতুন কোনো মেইল নেই। শ্রীরাধা নামটা লিখে গুগলে সার্চ দিল। যে ক’টি শ্রীরাধা এল তারা কেউ ওর চেনা শ্রীরাধা নয়। বুঝতে পারে কোনো বিষয়ে সে অস্থির। বিষয়টা কী, কেনই বা অস্থির সেটা বুঝে উঠতে পারছে না। ওয়েবক্যামে কথা বলার সময় দুইপ্রান্তের ছবি যেমন … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃনবম পর্ব

এখনকার চাকরিতে পয়সা একটু বেশি পাচ্ছি। শ্রীরাধা বলে যাচ্ছে, আওয়ার্সও বেশি দিচ্ছে। রেন্ট দিয়ে, খেয়েপরে সঞ্চয় ভালই হবে। ভবিষ্যতে একটা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার স্বপ্ন দেখছি। কিছু বলছ না যে! ভাল শ্রীরাধা, মহিব হেসে বলল, কিন্তু তুমি কি আর বিয়ে করবে না? আই মীন বাচ্চাকাচ্চা? আগে নিজে বাঁচি, তারপর বাচ্চা। তুমি নিজ দেশে, আই মীন শ্রীলংকায় ফিরে … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃশেষ পর্ব

ঠিক আছে, বলব। রোজমেরি এগিয়ে এসে দরজা খুলে দিল। অফ-ডে গুলো ফুড়ুৎ করে উড়ে যায়। দুইদিন ঘরে বসে থেকে মহিবের মনে হল ভেরেণ্ডা ভেজেছে সে। বেশ ক’বার কল করেও শ্রীরাধাকে যখন সেলফোনে পাওয়া গেল না, তখন চট করে আরেকবার ওয়াইডব্লিওসিএ ঘুরে এলে কী হত। শেষমুহূর্তে মানে, রাত সাড়ে দশটায় মহিব সিদ্ধান্তে এল ওয়াইডব্লিওসিতে যাবে। অথচ … বিস্তারিত পড়ুন

কাঁপতে শেখা–জার্মানের রূপকথাঃশেষ পর্ব

তাকে দেখে রাজার ভালো লাগল । তিনি বললেন, “বেশ । দুর্গে তিনটে জিনিস নিয়ে যেতে পার তুমি। কিন্তু কোনো জীবন্ত জিনিস নয় ।” ছেলেটা বলল, “মহারাজ ! আমাকে তা হলে এই তিনটে জিনিস দিন—প্রথমটা একটা আগুন । দ্বিতীয়টা ছুতোরের বেঞ্চি । তৃতীয়টা ছুরি লাগানো একটা লেদমেশিন ।” ছেলেটার কথামতো জিনিসগুলো সেদিনেই রাজা পাঠালেন দুর্গে । … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–১ম অংশ

ভালো করে গায়ে চাদর জড়িয়ে রাবুমামা বললেন,সে অনেক বছর আগেকথা বুঝলি। সে সময় আমার একবার সুপারন্যাচারাল এক্সপিরিয়েন্স হয়েছিল। আজ পর্যন্ত আমি যার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারিনি।বলে রাবুমামা চুপ করে রইলেন। মুখ তুলে একবার আকাশের দিকে তাকালেন। আকাশে পরিপূর্ণ একখানি চাঁদ। উথাল-পাথাল জ্যোস্নায় ভেসে যাচ্ছে চরাচর। নভেম্বর মাস; গ্রামাঞ্চচলের দিকে এই সময়ই শীত বেশ জেঁকে বসে। … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–২য় অংশ

জ্বী, চাচা। রাজারহাট শহরে। রাহাপাড়া পানির ট্যাঙ্কির কাছে।যেখানে নদী গবেষনার ইন্সিস্টিটিউট-এর যে নতুন ভবন হচ্ছে । হ্যাঁ, হ্যাঁ। জায়গাটা আমি চিনি। রাজার হাটে আমার এক মামা থাকেন। আব্বাস মামা আফগানিস্তান থেকে আখরোট আর নাশপাতি ইমপোর্ট করেন। আর আমি থাকি মিঞাবাড়ির বালাই দীঘির পাড়। ওখানেই আমাদের পৈত্রিক ভিটে। উবাইদ মালিক- এর কথা শেষ হল না সেই … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–৩য় অংশ

আমি মাথা নাড়লাম। আমার হাতের তালু ঘামছিল। এত শীতের মধ্যেও কন্ঠনালী শুকিয়ে কাঠ। আমার জন্মপূর্ব বাংলার একটি মুসলিম পরিবারে। পারিবারিক ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে বড় হয়েছি। জিনের অস্তিত্ব যে অস্বীকার করিতাও না। কিন্তু, তাই বলে-… আমি আফসানাদের দিকে তাকালাম। ওরা তিনজনই এদিকে তাকিয়ে রয়েছে। ওরাআমাদের কথাবার্তা শুনতে পাচ্ছে বলে মনে হল। আশ্চর্য! আফসানা ওর মাকে নীচু … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–শেষ অংশ

মহিলাটি নেকাব সরিয়ে নিল। আমি চমকে উঠলাম। আফসানা! গায়ের রং দুধে আলতা গায়ের রং। কিছুটা বাদামী চুল। ঘন জোরা ভুঁরু। মায়াবী চোখ। নীলাভ মনি। ধবধবে গলায় মুক্তার মালা। কুড়ি বছর। অবিকল। মিষ্টি রিনরিনে কন্ঠে আফসানা বলল, আপনি কি আমাকে চিনতে পেরেছেন? আমি বললাম, হ্যাঁ। আপনি ভালো আছেন কি? হ্যাঁ। আমি মাথা নেড়ে বলাম। সারা শরীর … বিস্তারিত পড়ুন

আব্দুল গফুরের গল্প

ধীরে ধীরে চোখ খুলার চেষ্টা করলো আব্দুল গফুর।  চোখের পাতা একটু ফাঁক করতেই তার চোখে এসে ঢুকল রাজ্যের আলোকরশ্মি ।  এতো তীব্র আলোকরশ্মি সহ্য করতে না পেরে সে আবার চোখ বন্ধ করে দেয়।  আব্দুল গফুর তার শরীরের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অনুভব করার চেষ্টা করে, কিছুটা বাতাস নাসারন্ধ্র দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে নেয়।  দুহাতের আঙুলগুলো নাড়াচাড়া করার চেষ্টা করে, … বিস্তারিত পড়ুন

কাঁপতে শেখা–জার্মানের রূপকথাঃ ১ম পর্ব

একটি লোকের ছিল দুই ছেলে। বড়োটি চালাক-চতুর। ছোটোটা হাবাগোবা। কিছুই সে বোঝে না, কিছুই পারে না শিখতে। তাকে দেখে লোকে বলে, “ছেলেটার জন্যে বাপের কপালে অনেক দুঃখ আছে।” কোনো কিছু করার দরকার হলে ডাক পড়ে বড়ো ছেলের । কিন্তু কোনো জিনিস অনার জন্য সন্ধে কিংবা রাতে তার বাবা যেতে বললে আর পথটা গিজের কবরখানা বা … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!