থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃষষ্টম পর্ব

সাইট বদল হবার পর শ্রীরাধার কথা ক’দিন খুব খেলল মাথায়। এরপর স্তিমিত হয়ে গেল। এই বিদঘুটে কালো মেয়েগুলোর পাশে শ্রীরাধাকে দাঁড় করালে মনে হবে আফ্রিকার গহিন জঙ্গলে জংলি পরিবেষ্টিত হয়ে শ্রীরাধা ‘বাঁচাও, বাঁচাও’ বলে আর্তনাদ করছে। এইসব চূর্ণকুন্তল ভাবনাগুলো মহিবকে একদিন টেনে নিয়ে এল পুরনো সাইটে। এক ডে-অফে মহিব হাজির হল থিসলডাউনে। বেলা তিনটা, প্রখর … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃসপ্তম পর্ব

তা ভাবছি বৈকি, তোমাদেরকে দেখে কখনো মনে হয়নি তোমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যাবে। সে অনেক লম্বা কাহিনি। জেইয়া তোমার বন্ধু। সবকিছু বললে তোমার মন বিগড়ে যাবে। তারচেয়ে সে তোমার বন্ধু, বন্ধু হয়েই থাকুক। তুমিও তো আমার বন্ধু। জেইয়ার সাথে পরিচয়ের পর্বে তোমার সাথেও তো পরিচয় হয়েছে আমার। জেইয়া স্টোরে ব্যস্ত থাকত। কথা তো বেশি হত তোমার … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃঅষ্টম পর্ব

শাওয়ার সেরে মহিব দুপুরের খাবার খেয়ে কম্পিউটারে বসল মেইল চেক করার জন্য। নতুন কোনো মেইল নেই। শ্রীরাধা নামটা লিখে গুগলে সার্চ দিল। যে ক’টি শ্রীরাধা এল তারা কেউ ওর চেনা শ্রীরাধা নয়। বুঝতে পারে কোনো বিষয়ে সে অস্থির। বিষয়টা কী, কেনই বা অস্থির সেটা বুঝে উঠতে পারছে না। ওয়েবক্যামে কথা বলার সময় দুইপ্রান্তের ছবি যেমন … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃনবম পর্ব

এখনকার চাকরিতে পয়সা একটু বেশি পাচ্ছি। শ্রীরাধা বলে যাচ্ছে, আওয়ার্সও বেশি দিচ্ছে। রেন্ট দিয়ে, খেয়েপরে সঞ্চয় ভালই হবে। ভবিষ্যতে একটা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার স্বপ্ন দেখছি। কিছু বলছ না যে! ভাল শ্রীরাধা, মহিব হেসে বলল, কিন্তু তুমি কি আর বিয়ে করবে না? আই মীন বাচ্চাকাচ্চা? আগে নিজে বাঁচি, তারপর বাচ্চা। তুমি নিজ দেশে, আই মীন শ্রীলংকায় ফিরে … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃশেষ পর্ব

ঠিক আছে, বলব। রোজমেরি এগিয়ে এসে দরজা খুলে দিল। অফ-ডে গুলো ফুড়ুৎ করে উড়ে যায়। দুইদিন ঘরে বসে থেকে মহিবের মনে হল ভেরেণ্ডা ভেজেছে সে। বেশ ক’বার কল করেও শ্রীরাধাকে যখন সেলফোনে পাওয়া গেল না, তখন চট করে আরেকবার ওয়াইডব্লিওসিএ ঘুরে এলে কী হত। শেষমুহূর্তে মানে, রাত সাড়ে দশটায় মহিব সিদ্ধান্তে এল ওয়াইডব্লিওসিতে যাবে। অথচ … বিস্তারিত পড়ুন

কাঁপতে শেখা–জার্মানের রূপকথাঃ ২য় পর্ব

নয়তো সিঁড়ির নীচে তোমায় ছুঁড়ে ফেলব।” পুরুতমশাই ভাবলেন, ‘সত্যিই কি আর ছুঁড়ে ফেলবে । তাই তিনি পাথরের মূতির মতো চুপচাপ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন । ছেলেটা তৃতীয়বার হাঁক ছাড়ল । কিন্তু তাতেও কোনো ফল হল না দেখে ছুটে গিয়ে সেই ভুতকে এমন জোরে সে ঠেলা মারল যে, দশটা সিঁড়ি গড়িয়ে এক কোণে ভূত পড়ে রইল … বিস্তারিত পড়ুন

কাঁপতে শেখা–জার্মানের রূপকথাঃশেষ পর্ব

তাকে দেখে রাজার ভালো লাগল । তিনি বললেন, “বেশ । দুর্গে তিনটে জিনিস নিয়ে যেতে পার তুমি। কিন্তু কোনো জীবন্ত জিনিস নয় ।” ছেলেটা বলল, “মহারাজ ! আমাকে তা হলে এই তিনটে জিনিস দিন—প্রথমটা একটা আগুন । দ্বিতীয়টা ছুতোরের বেঞ্চি । তৃতীয়টা ছুরি লাগানো একটা লেদমেশিন ।” ছেলেটার কথামতো জিনিসগুলো সেদিনেই রাজা পাঠালেন দুর্গে । … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–১ম অংশ

  ভালো করে গায়ে চাদর জড়িয়ে রাবুমামা বললেন,সে অনেক বছর আগেকথা বুঝলি।সে সময় আমার একবার সুপারন্যাচারাল এক্সপিরিয়েন্স হয়েছিল।আজ পর্যন্ত আমি যার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারিনি।বলে রাবুমামা চুপ করে রইলেন।মুখ তুলে একবার আকাশের দিকে তাকালেন।আকাশে পরিপূর্ণ একখানি চাঁদ।উথাল-পাথাল জ্যোস্নায় ভেসে যাচ্ছে চরাচর।নভেম্বর মাস;গ্রামাঞ্চচলের দিকে এই সময়ই শীত বেশ জেঁকে বসে।রাত দশটার মতো বাজে।রাবুমামার সামনে রবিন,নীলু আর … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–২য় অংশ

জ্বী, চাচা। রাজারহাট শহরে। রাহাপাড়া পানির ট্যাঙ্কির কাছে।যেখানে নদী গবেষনার ইন্সিস্টিটিউট-এর যে নতুন ভবন হচ্ছে । হ্যাঁ, হ্যাঁ। জায়গাটা আমি চিনি। রাজার হাটে আমার এক মামা থাকেন। আব্বাস মামা আফগানিস্তান থেকে আখরোট আর নাশপাতি ইমপোর্ট করেন। আর আমি থাকি মিঞাবাড়ির বালাই দীঘির পাড়। ওখানেই আমাদের পৈত্রিক ভিটে। উবাইদ মালিক- এর কথা শেষ হল না সেই … বিস্তারিত পড়ুন

আফসানা–৩য় অংশ

আমি মাথা নাড়লাম। আমার হাতের তালু ঘামছিল। এত শীতের মধ্যেও কন্ঠনালী শুকিয়ে কাঠ। আমার জন্মপূর্ব বাংলার একটি মুসলিম পরিবারে। পারিবারিক ধর্মীয় বিশ্বাসের মধ্যে বড় হয়েছি। জিনের অস্তিত্ব যে অস্বীকার করিতাও না। কিন্তু, তাই বলে-… আমি আফসানাদের দিকে তাকালাম। ওরা তিনজনই এদিকে তাকিয়ে রয়েছে। ওরাআমাদের কথাবার্তা শুনতে পাচ্ছে বলে মনে হল। আশ্চর্য! আফসানা ওর মাকে নীচু … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!