মাচ অ্যাডু অ্যাবাউট নাথিং–মূল রচনা: উইলিয়াম শেকসপিয়র

মেসিনার রাজপ্রাসাদে বাস করত দুই মেয়ে – মেসিনার গভর্নর লিওনেটোর কন্যা হিরো ও ভাইঝি বিয়াত্রিস। বিয়াত্রিস ছিল মিশুকে স্বভাবের। কিন্তু তার বোন হিরো ছিল গম্ভীর প্রকৃতির মেয়ে। বিয়াত্রিস সবসময় তার বুদ্ধিদীপ্ত কথাবার্তার মাধ্যমে মাতিয়ে রাখত বোনকে। যা কিছু ঘটত, অবধারিতভাবে তাকে হাসির খোরাক করে তুলত বিয়াত্রিস। সেবার এক যুদ্ধের শেষে ঘরে ফেরার পথে সেনাবাহিনীর একদল … বিস্তারিত পড়ুন

পৃথিবীর পিতা

সকলের আগে যাঁহাকে লোকে রাজা বলিয়াছিল, তাঁহার নাম ছিল পৃথু। তিনি সূর্যবংশের লোক ছিলেন, তাঁহার পিতার নাম ছিল বেণু। ‘রাজা’ কিনা, যে ‘রঞ্জন’ করে অর্থাৎ খুশি রাখে। পৃথু নানারকমে প্রজাদিগকে খুশি করিয়াছিলেন, তাই সকলে মিলিয়া তাঁহাকে ‘রাজা; নাম দিয়াছিল। পৃথুর পূর্বে লোকের দিন বড়ই কষ্টে যাইত। সেকালে গ্রাম নগর পথঘাট কিছুই ছিল না, ঝোপে জঙ্গলে, … বিস্তারিত পড়ুন

কোরবানী ঈদের সময়ের সত্যি ঘটনা নিয়ে লেখা গল্পঃ আছোঁয়া

মিটফোর্ড হাসপাতালে চাকুরীতে যোগদানের দিন এবং তারপরও আরো কিছুদিন বুড়িগঙ্গার বিষাক্ত পানির দুর্গন্ধে বেশ কষ্ট হয়েছিল আমার। ভাবতাম, আর সব মানুষেরা কিভাবে চলছে। কিছুদিন পর এই পরিচিত গন্ধ আমার নাকের Olfactory nerve স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়েছে এবং আমি আর এখন গন্ধ পাই না। হাসপাতালে রোগীর ভীড় খুব বেশী। এখানে কোন কোন বিভাগের Out door এর ডাক্তাররা … বিস্তারিত পড়ুন

অপঠিত “মা”, প্রার্থনা ও বাজি

আজকাল গুলশানের কথা বড় বেশি মনে পড়ে সন্ধ্যারাণীর। একটু খুঁটিয়ে দেখলে ঠিক গুলশান না, তার ঘরের তাকে রাখা কালচে-সবুজ মলাটের বইটার কথাই মনে পড়ে, প্রথম পাতায় নিউজপ্রিন্টের চোষকাগজে ফাউন্টেন পেনের নীল কালিতে শিরাউপশিরা বের করা- ‘গুলশানকে শুভেচ্ছার নিদর্শন স্বরূপ ক্ষুদ্র উপহার, ইতি কাজল’- লেখাটাও তার চোখে ভাসে। বইটা সে পড়ে নি, শুধু দেখেছিল; তাও অন্তত … বিস্তারিত পড়ুন

“ওহো রে খুকির কাঠবিড়া!”

কাঠবিড়া কাঠবিড়া! সেই ছোট্টটি থেকে শুনে শুনে বড় হ’লাম ছোট্ট তোমার ইয়াব্বড় খাইয়ের কথা! কিন্তু কোনোদিন তোমার সাথে কথা আর হ’লো না। কোনো ইনডোর ডিম-লাইটে কি আউটডোর রোদের সাইটে, কোনো দুপুরেই দুনিয়ার হাঁড়ি উপুড় করা তোমার বুফে খাওয়া-দাওয়ারও দেখা হ’লো না কোনো সিন কোনো দিন। ছোট্টকালে কনুই-ঠ্যাসা টেবিলের ওপর দু’হাত-চাপা গালে-মাথায় মুখস্থের চাপ ছিলো বড়। … বিস্তারিত পড়ুন

গল্পঃ ঘানি

সফেদ চামড়ার আস্তরণে ধুলো-ময়লার কারুকার্য, আর তার জিরজিরে হাড়ে ক্লান্তি আর বয়সের গভীর ছাপ। সামান্য বিশ্রামের সময় নেই তার কাছে। ঘানির বিচ্ছিরি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ শব্দের ছন্দায়িত দ্যোতনা মাঝে মাঝে বাতাসে বিচ্যুত হয়, শিস কাটা লাঠির সপাং বাড়ির দিকে। আর্তনাদ করে না, অবোধ পশুটি। দ্রুত পা চালিয়ে যায় মনিবের নির্দেশিত পথে। সাথে সাথে ঘানিতে পিষতে থাকে সর্ষে, … বিস্তারিত পড়ুন

স্বামী – শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সৌদামিনী নামটা আমার বাবার দেওয়া। আমি প্রায়ই ভাবি, আমাকে এক বছরের বেশি ত তিনি চোখে দেখে যেতে পাননি, তবে এমন করে আমার ভিতরে বাহিরে মিলিয়ে নাম রেখে গিয়েছিলেন কি করে? বীজমন্ত্রের মত এই একটি কথায় আমার সমস্ত ভবিষ্যৎ-জীবনের ইতিহাসটাই যেন বাবা ব্যক্ত করে গেছেন। রূপ? তা আছে মানি; কিন্তু না গো না, এ আমার দেমাক … বিস্তারিত পড়ুন

কবিয়াল

সৈকতের লাল কাঁকড়ার মত হুট করে কোথায় যেন গায়েব হয়ে গেল লাল টকটকে সূর্যটা। বালুর কোন গর্তে লুকিয়েছে সূর্যটা- ছানি পড়া চোখে মাঝি ভাল করে দেখতে পায়নি। নাম মাঝি হলেও এই বেয়াল্লিশ বছরের দীর্ঘ জীবনে লগি-বৈঠা ছুঁয়েও দেখেনি কখনো। ভাল করে সাঁতারও জানে না। পুকুর ঘাটে কোমর পানিতে নেমে গোসল করেই জীবন গেছে। গলা পানিতে … বিস্তারিত পড়ুন

এ্যাপ্লিকেশন

অনেক অনেক দিন আগে। আমাদের একটি পারিবারিক ছাগল ছিলো। দুধ দেয়ার জন্য বিশেষ আদর-যত্ন করে পালা হতো ছাগলটিকে। আমার মা গরুর দুধ খেতেন না তখন, বড় ভাইয়াও খেতেন না। গরুর দুধ, মাংস সব বারণ। এ্যাজমা (হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট নামেও পরিচিত) আমাদের পারিবারিক ঐতিহ্য। বড় ভাইয়া আর আমার মায়ের ঐতিহ্যবাহী রোগটি এখন আমি বহন করছি। ঐতিহ্য খুব … বিস্তারিত পড়ুন

ছুটি কিংবা অবসরের উপাখ্যান

ধরি আমার মৃত্যু হয়েছে। অংকের দুই পাশের পক্ষের মত আমার বেহুলা আছে, আমি লক্ষ্মীন্দর। আমার নশ্বর দেহটার পাশে আমার সমস্ত সত্ত্বা বা আমার লেখনি জীবন বেহুলার রূপ ধরে স্বামীর মৃতদেহ সঙ্গে নিয়ে অকূল সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে বিলাপ করে বেড়াবে হয়তো। নারায়ণদেবের বেহুলার সেই মর্মস্পর্শী পংক্তিগুলোর মত হবে সেই বেহুলার আর্তনাদ- “জাগ প্রভু কালিন্দী নিশাচরে ঘুচাও … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!