কাকতালীয় — সুচিত্রা ভট্টাচার্য শেষ পর্ব

প্রথম কাকটা বলল, “দেখছিস না, বেচারার ঘুড়ি নেই, লাটাই নেই, জুলজুল আকাশের পানে তাকিয়ে? ‘বাঁচিয়েছে। দ্বিতীয় কাক বলল, ঘুড়ির উৎপাতে আজ আমাদের যা নাকাল দশা! ছাদগুলো পর্যন্ত ভর্তি, কোথাও একটু বসার জো নেই!’ কিন্তু ছেলেটার জন্য খুব মায়া হচ্ছে রে! কী করবি? ঘুড়ি-লাটাই এনে দিবি?’ দিলে হয়। দেখি কোথাও থেকে ম্যানেজ করা যায় কি না … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুমার আয়না-১ম পর্ব

কাল থেকে গরমের ছুটি পড়ে যাবে | স্কুলের গেট দিয়ে বেরোতে বেরোতে মনটা ভারি খারাপ লাগছিল মুন্নির | একমাস ছুটি | একে তো গোটা একটা মাস বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে না ‚ সেজন্য মন খারাপের একটা ব্যাপার আছেই | সব থেকে বাজে হল গোটা মাসটা সারাদিন বাড়িতে থাকতে হবে | গরমের ছুটিতে বন্ধুদের অনেকেই মামারবাড়ি … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুমার আয়না-২য় পর্ব

মুন্নির বাবা একটু উদাসীন ধরনের মানুষ | কলেজে পড়ান | নিজের পড়াশোনা লেখালিখি নিয়েই থাকেন | জাগতিক বিষয়ে তাঁর হুঁশ একটু কম | মুন্নির মা সুন্দর কিংবা মুন্নি সুন্দর নয় ‚ দুটোর কোনওটাই তাঁকে বিশেষ ভাবায় না | কিন্তু মুন্নির মাকে ভাবায় | একটু বেশি মাত্রাতেই ভাবায় | মেয়ে তাঁর মত সুন্দরী হয়নি বলে তাঁর … বিস্তারিত পড়ুন

কী কান্ড! — মৈত্রেয়ী নাগঃ১ম অংশ

ট্রেনের দুলুনিতে দিব্যি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। হঠাৎ ট্রেনটা থেমে যাওয়ায় জেগে গিয়ে চোখ খুলেই আঁতকে উঠলাম। সামনের অন্ধকারের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে একজোড়া সবুজ চোখ। শুধু তাই না, চোখদুটো অপলক চেয়ে আছে আমার দিকেই। আমার উল্টোদিকের বাঙ্কে যদ্দূর মনে পড়ছে কেউ ছিল না, যেমন খালি ছিল আমার ঠিক তলার বাঙ্কটাও। আমি চট করে চোখ বুজে ফেলে শুয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

কী কান্ড! — মৈত্রেয়ী নাগঃশেষ অংশ

  এদিকে ট্রেন থেকে এত লোক নেমেছে একসঙ্গে যে, একটা রিকশাও নেই স্ট্যান্ডে। আগেও দেখেছি গরম বেশি পড়লে, যখন দাঁড়িয়ে থাকতে কষ্ট হয়, তখনই রিকশাগুলো কোথায় হারিয়ে যায়। নইলে তাদের প্যা- পো শব্দে কান তোলা হয়ে যাওয়ার জোগাড়! বিরক্ত হয়ে সবে ভাবছি বেড়াল পরিবারটিকে ব্যাগসমেত বটগাছটার তলায় নামিয়ে দেব কিনা, এমন সময় একটা ধূলিধূসর টাটা … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃ১ম পর্ব

বাস যেখানে থামে সেটা একটা কাচের ছোট ঘর। স্থানটার নাম থিসলডাউন বুলভার্ড। নামে বেশ ভারি হলেও স্থানটা তেমন ভারি নয়। এলাকাটায় বাড়িঘর, রাস্তাঘাট, মার্কেট সবই আছে। কিন্তু দূরে দূরে। তেমন জমজমাটও নয়। ফুটপাথের ওপর কাচের চারকোণা ঘরটিই বাসস্টপ। স্টপে নামলেই একটা বিশাল চত্বর এবং তারপর একটি প্লাজা। থিসলডাউন প্লাজা। প্লাজার পেছনে বিশাল এলাকা জুড়ে জংলা … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃ২য় পর্ব

  কোনো কথা না বলে লোকটা বিচিত্র কায়দায় কয়েন খুঁজতে খুঁজতে একসময় দৃষ্টির আড়াল হয়ে গেল। ভাল, আপনমনে বলল মহিব, কাজটা তো মন্দ নয়! আচ্ছা, আমি তো টহল দেবার কাজ করি, আমি কেন মাটির দিকেও একটু নজর দিই না? দুয়েকটি ডলার তো পেয়েও যেতে পারি। সে রাতে মহিব দশ সেন্টের একটি কয়েন কুড়িয়ে পেল। পোস্টে … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃ৩য় পর্ব

  ওয়াশরুমের কাজ সেরে টেড ফিরে এসে চেয়ারে বসল। মহিব জিজ্ঞেস করল, তোমরা কী কাজ করছ জানতে পারি কি? নিশ্চয়ই, লাফ দিয়ে উঠে টেড বলল, এদিকে এসো। ওর আহ্বানে মহিব লোকটার নির্দেশিত নোটিসবোর্ডের দিকে তাকাল। টেড ম্যাপে আঙুল রেখে বলল, প্লাজার এই সার্কেলকৃত স্থানটার তলদেশের মাটি দূষিত হয়ে পড়েছে। আগে এখানে গ্যাস স্টেশন ছিল। ওদের … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃচতুর্থ পর্ব

কনকনে ঠাণ্ডায় আর গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টিতে টহল সারছিল মহিব। পা চলছিল না। মনে হলো বাসায় গিয়ে ব্ল্যাঙ্কেটের উষ্ণতায় টানা ঘুম দেয়। একটুখানি উষ্ণতা যে ওর কাছে কোহিনূর হীরকখণ্ডের মতোই অধরা, সেটা মহিবের চাইতে বেশি আর কে জানে। একটা নয়া উৎপাত দেখা দিল। চত্বরে একটা গাড়ি থেমেছে। গাড়িটার গায়ে সিলছাপ্পর দেখে বুঝতে পারে তার কোম্পানির গাড়ি। তার … বিস্তারিত পড়ুন

থিসলডাউনের প্রহরী–হাসান জাহিদঃ৫ম পর্ব

  তুমি কেমন করে জানো? সেদিন সেখানে ছিলাম। তোমার ওয়াইফ খুব নার্ভাস ছিল। ঘটনাটা মনে পড়লে এখনো শিউরে উঠি, এবার তরুণী বলল, যদি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে যেত। গ্ল্যাড টু মিট য়্যূ মি. – । মহিব, নামটা বল সে। আমার নাম শ্রীরাধা। তুমিও কি তামিল? হ্যাঁ, আমরা দু’জনেই। জেইয়া উত্তর দিল। এই তরুণীই তবে উঁকি … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!