উত্তরসূরি–১ম পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বীপের শরীরের কোনো এক কোণে হঠাৎ একদল হাসিখুশি বদ্রীপাখি ডেকে উঠল। হুমদো জ্যাকেট, টুপি আর দস্তানায় আপাদমস্তক ঢেকে সবে ডিপার্টমেন্টের কাচের সদর দরজা ঠেলে বাইরের উৎপটাং ঠাণ্ডায় পা রেখেছে দ্বীপ। বিন্দুমাত্র ধারণা নেই সেল ফোনটা তার অজস্র পকেটের ঠিক কোনটায় বাজছে, তাই সেটা খোঁজার কোনো চেষ্টাই করল না … বিস্তারিত পড়ুন

অযথা–দিবাকর ভট্টাচার্য ১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মাঝরাত। একটি অখ্যাত স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম। প্ল্যাটফর্ম লোকজন নেই বললেই চলে। মাঝেমাঝে দূর থেকে ভেসে আসছে ইঞ্জিনের আওয়াজ। প্ল্যাটফর্মের ভাঙাচোরা রেলিঙের সামনে একটি বেঞ্চ। সামনে টিমটিম করে জ্বলছে একটি আলো। সেই আলোর নীচে ওই বেঞ্চের দুপাশে দুজন লোক। এদের একজন বেশ হৃষ্টপুষ্ট। অল্প আলোতেও তার ধবধবে শার্টের জেল্লা দেখা … বিস্তারিত পড়ুন

অযাত্রা–দিবাকর ভট্টাচার্য ২য় পর্ব

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন হতে হবে না (একটু থেমে) ও আমায় বড়ো ভালোবাসে জানেন ওর ইচ্ছে যে ও আমার সঙ্গেই মরবে (আবার একটু থেমে) পাগলী একটা—সারা দিন কিছু খায় না—ঘুমোয় না—এই করে চেহারাটা হয়েছে যেন সত্তর বছরের বুড়ি—অথচ ওর বয়স কতো জানেন—মাত্র পঁয়ত্রিশ (আবার একটু থেমে) কিন্তু আপনি ওরকমভাবে সিঁটকে বসে আছেন … বিস্তারিত পড়ুন

অযাত্রা–দিবাকর ভট্টাচার্য ৩য় পর্ব

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন অসহ্য!’ মনে হবে তাঁর। তখনই হাত বাড়িয়ে নিভিয়ে দেবেন আলোটা। নরম অন্ধকারে ঢেকে যাবে চারিদিক। ‘ওই স্টেশনের ত্রিসীমানায় আর যাব না কোনোদিন। মার্কেটিং এর কাজে যদি যেতেই হয় ওদিকটায় তাহলে দুটো স্টেশন এগিয়ে নামবো। কিংবা …’—ভাবতে ভাবতে চোখে ঘুম জড়িয়ে আসবে সিদ্ধার্থের। আধোঘুমে তিনি টের পাবেন বিছানায় তাঁর … বিস্তারিত পড়ুন

অযাত্রা–দিবাকর ভট্টাচার্য চতুর্থ পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সিদ্ধার্থ ভাববেন কি হবে সেখানে গিয়ে। তার চেয়ে ট্রেনে থাকাই ভালো। সেই ভেবে সটান শুয়ে পড়বেন চাদর মুড়ি দিয়ে। কিন্তু একটু পরেই সেই বেয়াড়া অস্বস্তিটা ঘিরে ধরবে সিদ্ধার্থকে। আবার মনে হবে গলার কাছে কি একটা দলা পাকিয়ে শ্বাসটা আটকে দিচ্ছে তার। অনেক কষ্টে যে অস্বস্তিটাকে দাবিয়ে রেখেছেন তিনি … বিস্তারিত পড়ুন

অযাত্রা–দিবাকর ভট্টাচার্য শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ‘এখন শান্তি’—কথাটা সিদ্ধার্থের কানে এসে বাজবে অদ্ভুতভাবে। তখনই সিদ্ধার্থ মুখটা ঘুরিয়ে তাকাবেন দূরের ওই বেঞ্চিটির দিকে। তারপর চায়ের ভাঁড়টি হাতে নিয়ে ফিরে আসবেন ওই বেঞ্চিটায়। ভাঁড়ে একটা ছোট্ট চুমুক দিয়ে টানটান হয়ে বসবেন ওখানে। ঘাড় উঁচু করে তাকাবেন সামনের দিকে। তারপর ডাইনে, বাঁয়ে এবং আবার সামনের দিকে। তখন … বিস্তারিত পড়ুন

কাকতালীয় — সুচিত্রা ভট্টাচার্য ১ম পর্ব

  সকাল থেকেই অঙ্কে মন বসছিল না টুকানের। বাইরে অবিরাম ভোকাট্টার ফোয়ারা ছুটছে, এই সময়ে অ্যালজেব্রা কষতে কারুর ভালো লাগে? ধুৎতেরি বলে বইখাতা ফেলে উঠেই পড়ল টুকান। রান্নাঘরে উঁকি দিয়ে দেখল, মা কড়াইতে কী একটা চাপিয়ে খুন্তি দিয়ে নাড়ছেন। আহা, এই তো সুযোগ । এবার পা টিপে টিপে সরে পড়লেই তো হয়। যা ভাবা, তাই … বিস্তারিত পড়ুন

কাকতালীয় — সুচিত্রা ভট্টাচার্য শেষ পর্ব

প্রথম কাকটা বলল, “দেখছিস না, বেচারার ঘুড়ি নেই, লাটাই নেই, জুলজুল আকাশের পানে তাকিয়ে? ‘বাঁচিয়েছে। দ্বিতীয় কাক বলল, ঘুড়ির উৎপাতে আজ আমাদের যা নাকাল দশা! ছাদগুলো পর্যন্ত ভর্তি, কোথাও একটু বসার জো নেই!’ কিন্তু ছেলেটার জন্য খুব মায়া হচ্ছে রে! কী করবি? ঘুড়ি-লাটাই এনে দিবি?’ দিলে হয়। দেখি কোথাও থেকে ম্যানেজ করা যায় কি না … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুমার আয়না-১ম পর্ব

কাল থেকে গরমের ছুটি পড়ে যাবে। স্কুলের গেট দিয়ে বেরোতে বেরোতে মনটা ভারি খারাপ লাগছিল মুন্নির। একমাস ছুটি। একে তো গোটা একটা মাস বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে না, সেজন্য মন খারাপের একটা ব্যাপার আছেই। সব থেকে বাজে হল গোটা মাসটা সারাদিন বাড়িতে থাকতে হবে। গরমের ছুটিতে বন্ধুদের অনেকেই মামারবাড়ি, মাসিরবাড়ি বেড়াতে যাবে। মুন্নিরাও যে যায় … বিস্তারিত পড়ুন

ঠাকুমার আয়না-২য় পর্ব

মুন্নির বাবা একটু উদাসীন ধরনের মানুষ | কলেজে পড়ান | নিজের পড়াশোনা লেখালিখি নিয়েই থাকেন | জাগতিক বিষয়ে তাঁর হুঁশ একটু কম | মুন্নির মা সুন্দর কিংবা মুন্নি সুন্দর নয় ‚ দুটোর কোনওটাই তাঁকে বিশেষ ভাবায় না | কিন্তু মুন্নির মাকে ভাবায় | একটু বেশি মাত্রাতেই ভাবায় | মেয়ে তাঁর মত সুন্দরী হয়নি বলে তাঁর … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!