যুগলাঙ্গুরীয়–চতুর্থ পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । বিবাহান্তে ধনদাস স্ত্রী ও কন্যাকে লইয়া দেশে ফিরিয়া আসিলেন। আরও চারি বৎসর অতিবাহিত হইল। পুরন্দর ফিরিয়া আসিলেন না—হিরণ্ময়ীর পক্ষে এখন ফিরিলেই কি, না ফিরিলেই কি? পুরন্দর যে এই সাত বৎসরে ফিরিল না, ইহা ভাবিয়া হিরণ্ময়ী দু:খিতা হইলেন। মনে ভাবিলেন, “তিনি যে আজিও আমায় ভুলিতে পারেন নাই বলিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–পঞ্চম পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের ষষ্ট অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন হিরণ্ময়ী যুবতী এবং সুন্দরী—একাকিনী এক গৃহে শয়ন করা ভাল নহে। আপদ্লও আছে–কলঙ্কও আছে। অমলা নামে এক গোপকন্যা হিরণ্ময়ীর প্রতিবাসিনী ছিল। সে বিধবা-তাহার একটি কিশোরবয়স্ক পুত্র এবং কয়েকটি কন্যা। তাহার যৌবনকাল অতীত হইয়াছিল। সচ্চরিত্রা বলিয়া তাহার খ্যাতি ছিল। হিরণ্ময়ী রাত্রিতে আসিয়া তাহার গৃহে শয়ন করিতেন। এক দিন হিরণ্ময়ী অমলার … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–ষষ্ঠ পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের সপ্তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। পরে একদিন অমলা হাসিমুখে হিরণ্ময়ীর নিকটে আসিয়া মধুর ভর্ৎসনা করিয়া কহিল, “হাঁ গা বাছা, তোমার কি এমনই ধর্ম্ম?” হিরণ্ময়ী কহিল, “কি করিয়াছি?” অম। আমার কাছে এতদিন তা বলিতে নাই? হি। কি বলি নাই? অম। পুরন্দর শেঠির সঙ্গে তোমার এত আত্মীয়তা! হিরণ্ময়ী ঈষল্লজ্জিতা হইলেন, বলিলেন, “তিনি বাল্যকালে আমার প্রতিবাসী … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–সপ্তম পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের অষ্টম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বিবাহের পর পঞ্চমাষাঢ়ের শুক্লা পঞ্চমী আসিয়া উপস্থিত হইল। হিরণ্ময়ী এ কথা স্মরণ করিয়া সন্ধ্যাকালে বিমনা হইয়া বসিয়াছিলেন। ভাবিতেছিলেন, “গুরুদেবের আজ্ঞানুসারে আমি কালি হইতে অঙ্গুরীয়টি পরিতে পারি। কিন্তু পরিব কি? পরিয়া আমার কি লাভ? হয়ত স্বামী পাইব, কিন্তু স্বামী পাইবার আমার বাসনা নাই। অথবা চিরকালের জন্য কেনই বা পরের … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–অষ্টম পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের নবম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন।   হিরণ্ময়ী রাজাকে দেখিয়া বিস্মিতা হইলেন। রাজা দীর্ঘাকৃতি পুরুষ, কবাটকক্ষ; দীর্ঘহস্ত ; অতি সুগঠিত আকৃতি ; ললাট প্রশস্ত ; বিস্ফারিত, আয়ত চক্ষু ; শান্ত মূর্ত্তি—এরূপ সুন্দর পুরুষ কদাচিৎ স্ত্রীলোকের নয়নপথে পড়ে। রাজাও শ্রেষ্ঠিকন্যাকে দেখিয়া জানিলেন যে, রাজাবরোধেও এরূপ সুন্দরী দুর্লভ। রাজা কহিলেন, “তুমি হিরণ্ময়ী?” হিরণ্ময়ী বলিলেন, “আমি আপনার … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–নবম পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। হিরণ্ময়ী রাজমহিষী, ইহা শুনিয়া হিরণ্ময়ী অত্যন্ত বিস্মিতা হইলেন। কিন্তু কিছুমাত্র আহ্লাদিত হইলেন না। বরং বিষণ্ণা হইলেন। ভাবিতে লাগিলেন যে, “আমি এত দিন পুরন্দরকে পাই নাই বটে, কিন্তু পরপত্নীত্বের যন্ত্রণাভোগ করি নাই। এক্ষণ হইতে আমার সে যন্ত্রণা আরম্ভ হইল। আর আমি হৃদয়মধ্যে পুরন্দরের পত্নী—কি প্রকারে অন্যানুরাগিণী হইয়া এই মহাত্মার … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–১ম পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বীপের শরীরের কোনো এক কোণে হঠাৎ একদল হাসিখুশি বদ্রীপাখি ডেকে উঠল। হুমদো জ্যাকেট, টুপি আর দস্তানায় আপাদমস্তক ঢেকে সবে ডিপার্টমেন্টের কাচের সদর দরজা ঠেলে বাইরের উৎপটাং ঠাণ্ডায় পা রেখেছে দ্বীপ। বিন্দুমাত্র ধারণা নেই সেল ফোনটা তার অজস্র পকেটের ঠিক কোনটায় বাজছে, তাই সেটা খোঁজার কোনো চেষ্টাই করল না … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–২য় পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের ৩য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। আনসারিং মেশিনের আলোটা দপদপ করছে। ভয়েস মেল শোনার বোতামটা টিপে দিয়ে, একটা সিগারেট ধরিয়ে মোড়ার ওপর পা তুলে সোফায় গা এলিয়ে বসল দ্বীপ। মেসেজে মায়ের গলা: ‘নিশ্চয় বেরিয়েছিস। কাল সকালে একবার ফোন করিস বাবা! আর সাবধানে গাড়ি চালাস! বড় চিন্তা হয়! রাখছি।’ আমেরিকায় ড্রাইভিং নিয়ে মায়ের বরাবরই দুশ্চিন্তা। … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–৩য় পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের চতুর্থ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন   উত্তরসূরি, তাই উষ্ণ জলে ভালো করে একটা শাওয়ার নিয়ে ফ্রেস হতে হবে। তারপর বেরোতে হবে বৈশাখী বৌদিদের বাড়ির উদ্দেশে। স্নানে ঢোকার আগে নিজের ওয়াইনের স্টক থেকে একটা ভালো বোতল আলাদা করে রাখল নিয়ে যাবে বলে। এখানকার নিমন্ত্রণে এ ধরনের একটা কিছু নিয়ে যাওয়াটাই রেওয়াজ। স্নান সেরে সাড়ে … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–চতুর্থ পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। বড় লিভিংরুমটায় সুখময়দা জনা দশেককে নিয়ে জমিয়ে বসেছেন। দ্বীপ ঢুকতেই তিনি হাঁক পাড়লেন, —’আরে ক্রুসোভায়া! এসো এসো! এত দেরি যে?’ —’কী করব দাদা, স্কুল থেকে বাড়ি গিয়ে আবার এতটা রাস্তা আসা……. বোঝেনই তো! দ্বীপ ধরাচুড়ো খুলে ক্লোসেটে রাখতে রাখতে বলল। সুখময়দার আশপাশ থেকে আরও দু-চারজন তার দিকে হাত … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!