কিছু না, কিচ্ছু না–১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ওয়ালি দাদ একজন করিতকর্মা ছুতোরের নাম | তার হাতের বাটালি ছুটত ঠিক যেমন ইঞ্জিনের মধ্যে ধকধক পিস্টন. ঠিক যেমন চিত্রকরের হাতে তুলি, ঠিক যেমন জল কেটে এগিয়ে যাওয়া রাজহাঁসের একজোড়া পা, ঠিক যেমন… নাহ থাক! ওয়ালি ওস্তাদ তার সম্পর্কে বানিয়ে বানিয়ে এত সব কথা বলা দু’চক্ষে সইতে পারে … বিস্তারিত পড়ুন

কিছু না, কিছু না-২য় পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। একবার ভেবে দেখ দোস্ত এ’দুটো সোনার গয়না নিয়ে কী মুশকিলেই না পড়েছি আমি, এগুলো আমার কোন কাজে আসবে বলতে পার!’ বণিকের হাতে কাঁকনদুটো গছিয়ে ওয়ালি যেন পালিয়ে বাঁচল, আর যাবার আগে দূর থেকে হাঁক দিয়ে বলে গেল – ‘খাইস্তানের রাজকন্যেকে আমার নামটা বোলো কিন্তু দোস্ত! বোলো, এটা ওয়ালি … বিস্তারিত পড়ুন

কিছু না কিছু না-শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। এসব নিয়ে বণিক যখন ওয়ালি দাদের কাছে হাজির হলো, ওস্তাদ তখন ঘরের উঠোনে বসে বাটালি দিয়ে কাঠ চেঁছে সমান করছিল | লটবহর সমেত বণিককে দেখে সে কেঁদেই ফেলল | ‘আমার কপাল পুড়েছে! কবে যে এইসব অনাসৃষ্টি কান্ড বন্ধ হবে!’ তারপর বণিককে ডেকে বলল – ‘তুমি বরং দুটো পছন্দসই … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–ষষ্ট পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের সপ্তম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেণ্ড সেটা ভিতরে ধরে রেখে, নাকমুখ দিয়ে গলগল করে ধোঁয়া ছাড়ল। অনুভব করল প্রথম টানটার আমেজ। হিমেল হাওয়ার ভিজে গন্ধ বলে দিচ্ছে যে কোনও মুহূর্তে বৃষ্টি নামবে। সে বাইরে পা দেওয়া মাত্রই বাড়ির বাইরের মোশান সেন্সার দেওয়া আলোটা আপনা থেকেই জ্বলে উঠেছে। আলো পড়ে ঝকমক করছে ড্রাইভওয়েতে … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি-সপ্তম পর্ব সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন।   কোনো বিদেশীর পক্ষে এক জাপাতিস্তা বিদ্রোহী সম্পর্কে কৌতূহল দেখানো যারপরনাই বিপজ্জনক, তাই পরে আরও দুবার চিয়াপাসে গেলেও মার্কোসের খোঁজ করেনি দ্বীপ। খোঁজেনি, কিন্তু ভুলতেও পারেনি তাকে। আজও প্রায়ই মনে পড়ে রকেট লঞ্চার কাঁধে তার বলিষ্ঠ চেহারা, কফির মগ এগিয়ে দেওয়া হাত, সপ্রতিভ বাচনভঙ্গি। কে জানে কোথায় সে … বিস্তারিত পড়ুন

উত্তরসূরি–শেষ পর্ব-সুনন্দ কুমার স্যান্যাল

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। সে কোলে চড়ার পক্ষে যথেষ্ট বড় হয়ে গেছে, তাই আবারও অবাক হয় যখন ভেকুদাদা তাকে কোলে নিয়ে অতিদ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নেমে সদর দরজার দিকে এগোয়। বসার ঘরের সামনে থমথমে মুখে পাড়ার বেশ কিছু লোকের জটলা। সেই ভিড় ঠেলে যাওয়ার সময় এক ঝলক চোখে পড়ে, ঠাম্মা ডিভানের ওপর নিথর … বিস্তারিত পড়ুন

যাপিত জীবনের কিচ্ছা!– হাসান মাহমুদ আরিফ

প্রতিদিনকার মত আজও ঘুম ভাঙল কাজের বুয়ার ‘ভাইজান,নবাবগিরি না রাইখ্যা উইঠ্যালান;৮টা বাইজ্যা গেছে বিছানা গোছাইতে হইব’ কমন ডায়লগে।এবং প্রতিদিনকার মত আজও ইচ্ছা হল কাজের বুয়াকে জোরে একটা ধমক লাগাই।কিন্তু ধমক দেওয়ার আগে মনে পড়ে গেল বোনের হুমকি ‘কাজের বুয়া যদি তোর ধমকের কারণে কাজ ছেড়ে চলে যায় তাহলে থাল-বাসন থেকে শুরু করে বাথরুম পরিষ্কার,ঘর মোছা,কাপড় … বিস্তারিত পড়ুন

পাপ ও পাপের সাজা— পথিক

বয়স অল্প বলে কোন অশ্র আমি পাইনি,৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্বে আমি ছিলাম বার্তা বাহক।একটি সাইকেল ছিল কিন্তু গ্রামের পথে সাইকেল চালানো ছিল কষ্টসাদ্ধ তাই পায়ে হেটে কিংবা দৌড়ে বার্তা বাহনের কাজ করতাম।ক্রিকেটে পেস বলার ছিলাম তাই গ্রেনেড ছুড়বার কাজটা আমিই করতাম সবার চাইতে ভাল। যুদ্ধের একেবারে শেষের দিকে, আমরা মুক্তি যোদ্ধারা বুঝতে পারছিলাম দেশ অল্প … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–চতুর্থ পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের পঞ্চম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন । বিবাহান্তে ধনদাস স্ত্রী ও কন্যাকে লইয়া দেশে ফিরিয়া আসিলেন। আরও চারি বৎসর অতিবাহিত হইল। পুরন্দর ফিরিয়া আসিলেন না—হিরণ্ময়ীর পক্ষে এখন ফিরিলেই কি, না ফিরিলেই কি? পুরন্দর যে এই সাত বৎসরে ফিরিল না, ইহা ভাবিয়া হিরণ্ময়ী দু:খিতা হইলেন। মনে ভাবিলেন, “তিনি যে আজিও আমায় ভুলিতে পারেন নাই বলিয়া … বিস্তারিত পড়ুন

যুগলাঙ্গুরীয়–পঞ্চম পর্ব- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

গল্পের ষষ্ট অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন হিরণ্ময়ী যুবতী এবং সুন্দরী—একাকিনী এক গৃহে শয়ন করা ভাল নহে। আপদ্লও আছে–কলঙ্কও আছে। অমলা নামে এক গোপকন্যা হিরণ্ময়ীর প্রতিবাসিনী ছিল। সে বিধবা-তাহার একটি কিশোরবয়স্ক পুত্র এবং কয়েকটি কন্যা। তাহার যৌবনকাল অতীত হইয়াছিল। সচ্চরিত্রা বলিয়া তাহার খ্যাতি ছিল। হিরণ্ময়ী রাত্রিতে আসিয়া তাহার গৃহে শয়ন করিতেন। এক দিন হিরণ্ময়ী অমলার … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!