সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– অষ্টম অংশ

গল্পের ৭ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গন্ধে শেয়ালগুলো পর্যন্ত দিনের বেলা হাঁক ছেড়ে ডাকতে আরম্ভ করে নির্ভয়ে, লোভে কি ক্ষোভে জানি নে। কাকগুলো জমির উপর ঠোঁট গুঁজে দিয়ে মরিয়া হয়ে পাখা ঝাপটায় তিন ঘণ্টা ধরে। এ তো গেল তরকারি। আর, জালা জালা ভর্তি ছিল কাঙ্‌চুটোর সাঙ্‌চানি। সে দেশের পাকা পাকা আঁক্‌সুটো ফলের ছোবড়া – … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– নবম অংশ

গল্পের ৮ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন সে বুঝি যে – সে মাংস। ও – যে মন্ত্র দিয়ে শোধন করা। কিরকম মন্ত্র। ওদের সনাতন হালুম – মন্ত্র। সেই মন্ত্র পড়ে তবে ওরা হত্যা করে। তাকে কি হত্যা বলে। যদি হালুম – মন্ত্র বলতে ভুলে যায়। বাঘপুঙ্গব – পণ্ডিতের মতে তা হলে ওরা বিনা মন্ত্রে যে … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– দশম অংশ

গল্পের ৯ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন স্বপ্ন দেখছি, গরম তেল জ্বলে উঠে আমাদের কিনি বাম্‌‍নির মুখ বেবাক গিয়েছে পুড়ে; সাত দিন সাত রাত্তির হত্যে দিয়ে তারকেশ্বরের প্রসাদ পেয়েছে দু’কৌটো লাহিড়ি কোম্পানির মুন্‌লাইট স্নো; তাই মাখছে মুখে ঘ’ষে ঘ’ষে। আমি বুঝিয়ে বললুম, ওতে হবে না গো, মোষের বাচ্ছার গালের চামড়া কেটে নিয়ে মুখে জুড়তে হবে, … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– একাদশ অংশ

গল্পের ১০ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন কোন্‌ কলেজের জন্যে বই লিখছ। তোমার আবার কলেজ কোথায়, তা ছাড়া কখনো তো দেখি নি ঐ-রকমের বই খুলতে। তুমি তো লেখ কেবল ছড়া। স্পষ্ট জবাব না দিয়ে একটুখানি হাসলুম। আচ্ছা দাদামশায়, তুমি কি সংস্কৃত জান। দেখো পুপুদিদি, এরকম প্রশ্নগুলো বড়ো রূঢ়। মুখের সামনে জিগেস করতে নেই। সকালবেলায় পুপেদিদি … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– দ্বাদশ অংশ

গল্পের ১১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমি নিশ্বাস ফেলে বললুম, বোধ হয় আজকের দিনে কারও হাতেই নেই। আমিও শিশু ছিলুম, তার একমাত্র সাক্ষী আছে ঐ আকাশের তারা। আমার কথা ছেড়ে দাও, আমি তোমার একদিনকার ছেলেমানুষির কথা বলব। তোমার ভালো লাগবে কি না জানি নে, আমার মিষ্টি লাগবে। আচ্ছা, বলে যাও। বোধ হচ্ছে, ফাল্গুন মাস … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ত্রেয়দশ অংশ

গল্পের ১২ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চোখ বোজবার দরকার করে না আমার। স্পষ্টই জানতে পারছি, তুমি খুব উড়ছ, পক্ষীরাজের ডানা মেঘের মধ্যে হারিয়ে গেছে। আচ্ছা, দাদামশায়, আমার ঘোড়াটার একটা নাম দিয়ে দাও তো। আমি বললুম, ছত্রপতি। নামটা পছন্দ হল। রাজপুত্তুর ছাতার পিঠ চাপ্‌ড়িয়ে বললে, ছত্রপতি ! নিজেই ঘোড়ার হয়ে তার জবাব দিলে, আজ্ঞে ! … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– চর্তদশ অংশ

গল্পের ১৩ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ঝগড়ুকে বললেম, কোথায় আছে সেই বাঁদরটা। যেখানে পাও বোলাও উস্‌কো। এল সে তার কাঁটাওয়ালা মোটা গোলাপের গুঁড়ির লাঠিখানা ঠক্‌ঠক্‌ করতে করতে। মালকোঁচা – মারা ধুতি, চাদরখানা জড়ানো কোমরে, হাঁটু পর্যন্ত কালো পশমের মোটা মোজা, লাল ডোরা – কাটা জামার উপর হাতাহীন বিলিতি ওয়েস্টকোট সবুজ বনাতের, সাদা রোঁয়াওয়ালা রাশিয়ান … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– পঞ্চদশ অংশ

গল্পের ১৪ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লাগছে বৈকি। একেবারে দুম্‌দাম্‌ শব্দে লাগছে। সৃষ্টির সর্বপ্রধান পর্বে বেসুরেরই রাজত্ব, এ কথাটা বুঝতে পেরেছ তো? বুঝিয়ে দাও – না। তরল জলের কোমল একাধিপত্যকে ঢুঁ মেরে, গুঁতো মেরে, লাথি মেরে, কিল মেরে, ঘুষো মেরে, ধাক্কা মেরে, উঠে পড়তে লাগল ডাঙা তার পাথুরে নেড়া মুণ্ডুগুলো তুলে। ভূলোকের ইতিহাসে এইটেকেই … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ষোড়শ অংশ

গল্পের ১৫ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মনে করো, আমাদের মাস্টারমশায়। তিনি অদ্ভুত ছিলেন, কিন্তু খাঁটি অদ্ভুত। তাই তাঁকে এত ভালো লাগত। আচ্ছা, তাঁর কথাটা একটু ধরিয়ে দাও – না। আজও তাঁর মুখখানা স্পষ্ট মনে পড়ে। ক্লাসে বসতেন যেন আলগোছে, বইগুলো ছিল কণ্ঠস্থ। উপরের দিকে তাকিয়ে পাঠ বলে যেতেন, কথাগুলো যেন সদ্য ঝরে পড়ছে আকাশ … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– প্রথম অংশ

বিধাতা লক্ষলক্ষ কোটিকোটি মানুষ সৃষ্টি করে চলেছেন, তবু মানুষের আশা মেটে না ; বলে, আমরা নিজে মানুষ তৈরি করব। তাই দেবতার সজীব পুতুল – খেলার পাশাপাশি নিজের খেলা শুরু হল পুতুল নিয়ে, সেগুলো মানুষের আপন – গড়া মানুষ। তার পরে ছেলেরা বলে ‘গল্প বলো’ ; তার মানে, ভাষায় – গড়া মানুষ বানাও। গড়ে উঠল কত … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!