ইংরাজ ও ভারতবাসী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– তৃতীয় অংশ

ভালো না বাসিয়াও কাজ করা সুসাধ্য হইয়া পড়িয়াছে। সহস্র ক্রোশ দূর হইতে সমুদ্র লঙ্ঘন করিয়া আসিয়া একটি সম্পূর্ণ বিদেশী রাজ্য নিতান্ত আপিসের কাজের ন্যায় দিনের বেলায় শাসন করিয়া, সন্ধ্যাবেলায় পুনশ্চ সমুদ্রে খেয়া দিয়া বাড়ি গিয়া তপ্ত ভাত খাওয়া, ইতিহাসে এমন দৃষ্টান্ত আর কোথায় আছে। এক তো, আমরা সহজেই বিদেশী–এবং আমাদের রূপ রস গন্ধ শব্দ ও … বিস্তারিত পড়ুন

ইংরাজ ও ভারতবাসী– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– চতুর্থ অংশ

ইংরাজের মুল্লুকে আমাদের আর কিছু ভয় করিবার, চিন্তা করিবার, চেষ্টা করিবার নাই–কেবল, পূর্বে ডাকাতে যাহা লইত এখন তাহা পুলিস এবং উকিলে মিলিয়া অংশ করিয়া লয়। এইরূপে মনের এক ভাগ যেরূপ নিশ্চিন্ত নিশ্চেষ্ট হয়, অপর ভাগে, এমন-কি, মনের গভীরতর মূলে, ভার বোধ হইতে থাকে। খাদ্যরস এবং পাকরস মিশিয়া তবে আহার পরিপাক হয়। ইংরাজের সভ্যতা আমাদের পক্ষে … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– একাদশ অংশ

গল্পের ১০ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন কোন্‌ কলেজের জন্যে বই লিখছ। তোমার আবার কলেজ কোথায়, তা ছাড়া কখনো তো দেখি নি ঐ-রকমের বই খুলতে। তুমি তো লেখ কেবল ছড়া। স্পষ্ট জবাব না দিয়ে একটুখানি হাসলুম। আচ্ছা দাদামশায়, তুমি কি সংস্কৃত জান। দেখো পুপুদিদি, এরকম প্রশ্নগুলো বড়ো রূঢ়। মুখের সামনে জিগেস করতে নেই। সকালবেলায় পুপেদিদি … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– দ্বাদশ অংশ

গল্পের ১১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমি নিশ্বাস ফেলে বললুম, বোধ হয় আজকের দিনে কারও হাতেই নেই। আমিও শিশু ছিলুম, তার একমাত্র সাক্ষী আছে ঐ আকাশের তারা। আমার কথা ছেড়ে দাও, আমি তোমার একদিনকার ছেলেমানুষির কথা বলব। তোমার ভালো লাগবে কি না জানি নে, আমার মিষ্টি লাগবে। আচ্ছা, বলে যাও। বোধ হচ্ছে, ফাল্গুন মাস … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ত্রেয়দশ অংশ

গল্পের ১২ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চোখ বোজবার দরকার করে না আমার। স্পষ্টই জানতে পারছি, তুমি খুব উড়ছ, পক্ষীরাজের ডানা মেঘের মধ্যে হারিয়ে গেছে। আচ্ছা, দাদামশায়, আমার ঘোড়াটার একটা নাম দিয়ে দাও তো। আমি বললুম, ছত্রপতি। নামটা পছন্দ হল। রাজপুত্তুর ছাতার পিঠ চাপ্‌ড়িয়ে বললে, ছত্রপতি ! নিজেই ঘোড়ার হয়ে তার জবাব দিলে, আজ্ঞে ! … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– চর্তদশ অংশ

গল্পের ১৩ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ঝগড়ুকে বললেম, কোথায় আছে সেই বাঁদরটা। যেখানে পাও বোলাও উস্‌কো। এল সে তার কাঁটাওয়ালা মোটা গোলাপের গুঁড়ির লাঠিখানা ঠক্‌ঠক্‌ করতে করতে। মালকোঁচা – মারা ধুতি, চাদরখানা জড়ানো কোমরে, হাঁটু পর্যন্ত কালো পশমের মোটা মোজা, লাল ডোরা – কাটা জামার উপর হাতাহীন বিলিতি ওয়েস্টকোট সবুজ বনাতের, সাদা রোঁয়াওয়ালা রাশিয়ান … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– পঞ্চদশ অংশ

গল্পের ১৪ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লাগছে বৈকি। একেবারে দুম্‌দাম্‌ শব্দে লাগছে। সৃষ্টির সর্বপ্রধান পর্বে বেসুরেরই রাজত্ব, এ কথাটা বুঝতে পেরেছ তো? বুঝিয়ে দাও – না। তরল জলের কোমল একাধিপত্যকে ঢুঁ মেরে, গুঁতো মেরে, লাথি মেরে, কিল মেরে, ঘুষো মেরে, ধাক্কা মেরে, উঠে পড়তে লাগল ডাঙা তার পাথুরে নেড়া মুণ্ডুগুলো তুলে। ভূলোকের ইতিহাসে এইটেকেই … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ষোড়শ অংশ

গল্পের ১৫ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মনে করো, আমাদের মাস্টারমশায়। তিনি অদ্ভুত ছিলেন, কিন্তু খাঁটি অদ্ভুত। তাই তাঁকে এত ভালো লাগত। আচ্ছা, তাঁর কথাটা একটু ধরিয়ে দাও – না। আজও তাঁর মুখখানা স্পষ্ট মনে পড়ে। ক্লাসে বসতেন যেন আলগোছে, বইগুলো ছিল কণ্ঠস্থ। উপরের দিকে তাকিয়ে পাঠ বলে যেতেন, কথাগুলো যেন সদ্য ঝরে পড়ছে আকাশ … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– সপ্তদশ অংশ

গল্পের ১৬ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গান হবে রঙের সংগত। বড়ো সহজ হবে না। তান যখন ঠিকরে পড়তে থাকবে, ঝলক মারবে আকাশের দিকে দিকে। তখনকার তানসেনরা দিগন্তে অরোরা বোরিয়ালিস বানিয়ে দেবে। আর, তোমার গদ্যকাব্য কী হবে বলো তো। তাতে লোহার ইলেক্‌ট্রন্ও মিশবে, আবার সোনারও। সেদিনকার দিদিমা পছন্দ করবে না। আমার ভরসা আছে সেদিনকার আধুনিক … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– অষ্টদশ অংশ

গল্পের ১৭ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমার কথা শুনে সুকুমার উৎসাহিত হয়ে উঠল ; বললে, আমার শোবার ঘরের জানলা থেকে যে শালগাছটা দেখা যায়, বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার মাথাটা আমি দেখতে পাই ; মনে হয়, ও স্বপ্ন দেখছে। শালগাছ স্বপ্ন দেখছে শুনে বোধ হয় বলতে যাচ্ছিলে, কী বোকার মতো কথা। বাধা দিয়ে বলে উঠলুম, … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!