আত্বতৃপ্তি —- শুচী

ছোট্ট পুরানো রেডীওটায় ঘ্রার ঘ্রার শব্দ । মফিজ খবর শোনার বৃথা চেষ্টা করছে ।অনেক জোরে দুই তিনটা চড় মারতেই বেশ শোনা যাচ্ছে । মফিজ ভাবছে এবার হাতে টাকা পেলে নতুন একটা  কিনে নেবে। রেডীও ছাড়া থাকা যায় নাকি ! নাহ্ কিছু ভাল লাগছে না তার।  এ চ্যানেল সে চ্যানেল ঘুরাতে ঘুরাতে হঠ্যাৎ ভেসে আসে একটা … বিস্তারিত পড়ুন

বাবা ও ছেলে—- আততায়ী

ছোট একটা সংসার। বাবা, মা, ছোট ছেলে এবং ছেলেটার দাদা। দাদার অনেক বয়স হয়ে গেছে। কোন কাজ করার শক্তি নেই। সারাদিন এক বিছানায় পড়ে থাকে। একদিন ছেলেটার বাবা একটা ঝুড়ির উপর বুড়োকে বসিয়ে ছেলের হাত ধরে জঙ্গলের উদ্দেশ্যে রওনা দিল। যাচেছ, যাচ্ছে। বেশ কিছু দূর যাওয়ার পর ছেলেটা হঠাৎ তার বাবাকে জিজ্ঞেস করলো, “বাবা, তুমি … বিস্তারিত পড়ুন

দ্বীপ্ত অঙ্গীকার — শুচী

আরিফ জানালার কাছে বসে একটা বইতে বৃথা মনযোগ দেবার চেষ্টা করছে। সামনে এইচ,এসসি পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষাটা শেষ পর্যন্ত দেয়া হবে কিনা সে জানেনা। চারিদিকে শুধু মিছিল আর দাবি আদায়ের কোলাহল। বাঙ্গালী জাতি  বায়ান্নতে সশব্দে সমস্ত রাজপথ রাঙ্গিয়ে তুলেছিল নিজেদের আত্মপরিচয়ে পরিচিত হবার জন্য। সেই আন্দোলনে শুধু বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিই  ছিলনা, সেই সঙ্গে ছিল … বিস্তারিত পড়ুন

সাদা রঙের কালো কীট—মহাসিন মহী

সারা পাড়াজুড়ে সবার মুখে মুখে একই কথা, কেন মারবে? মারার কি দরকার, বউ ভাল না লাগলে তালাক ঠুকে দিক তবেই তো ঝামেলা চুকে যায়। এ নিয়ে বার দুই দরবারও হল ছেলে পক্ষ আর মেয়ে পক্ষতে মিলে। কিন্তু কোন সমাধান  নাই, কারণ যখন সবাই এসে জড়ো হয় তখন আর নুরুমিয়া আর উপস্থিত থাকেনা। অথছ কেউ কিছু … বিস্তারিত পড়ুন

পাইন-পাতার রূপকথা– ১ম পর্ব-সাত্যকি হালদার

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। মানুষটা কবে থেকে এলো তা নিয়ে ধোঁয়াশা ছিল অনেক। এক-একজন একেক রকম কথা বলত। কেউ বলত, পাশেই আলগরায় ওর জন্ম। পরে এদিকে চলে আসে। বুড়ো জুলে শেরপা বলত, আদতে ও এদিকের লোকই নয়। বাপ-মার সঙ্গে কখনো পাহাড়ে এসেছিল। কোনো একটা বোর্ডিং ইশ্কুলে নাকি ভর্তি করে দিয়ে গিয়েছিল বাবা-মা। … বিস্তারিত পড়ুন

দুর্যোগের রাত — ১ম পর্ব-ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ১৯৬২ সালের কথা। আমার বয়স তখন একুশ বছর। রেলে চাকরি পেয়ে মেদিনীপুরে আছি।   আমাদের সঙ্গে ছিল গুণধর মেট। বলল, “ওরে বাবা! এ যে ঈশানে মেঘ, বৃষ্টি একটু হবেই।” আমি বললাম,‘হোন না! হলে তো বাঁচি। সারাটা দিন যা গেল, একটু যদি বৃষ্টি হয় তো স্বস্তি পাই।’ আমাদের সঙ্গে … বিস্তারিত পড়ুন

দুর্যোগের রাত –শেষ পর্ব-ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন “আর বলিস না ভাই। গিয়েছিলুম একটু মেয়ের বাড়ি। তা সে কী বিপদ— যাক সে কথা। আমি যখন এসে গেছি তখন তোর আর কোনও চিন্তা নেই। কিন্তু এইখানে এক মুহূর্তও থাকিস না আর।”       “কেন জগাইদা ? এই অন্ধকারে যাব কোথায় আমি ?” “চল, তোকে আমার পরিচিত একজনদের বাড়িতে রেখে … বিস্তারিত পড়ুন

কিছু না, কিচ্ছু না–১ম পর্ব

গল্পের ২য় অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। ওয়ালি দাদ একজন করিতকর্মা ছুতোরের নাম | তার হাতের বাটালি ছুটত ঠিক যেমন ইঞ্জিনের মধ্যে ধকধক পিস্টন. ঠিক যেমন চিত্রকরের হাতে তুলি, ঠিক যেমন জল কেটে এগিয়ে যাওয়া রাজহাঁসের একজোড়া পা, ঠিক যেমন… নাহ থাক! ওয়ালি ওস্তাদ তার সম্পর্কে বানিয়ে বানিয়ে এত সব কথা বলা দু’চক্ষে সইতে পারে … বিস্তারিত পড়ুন

কিছু না, কিছু না-২য় পর্ব

গল্পের শেষ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। একবার ভেবে দেখ দোস্ত এ’দুটো সোনার গয়না নিয়ে কী মুশকিলেই না পড়েছি আমি, এগুলো আমার কোন কাজে আসবে বলতে পার!’ বণিকের হাতে কাঁকনদুটো গছিয়ে ওয়ালি যেন পালিয়ে বাঁচল, আর যাবার আগে দূর থেকে হাঁক দিয়ে বলে গেল – ‘খাইস্তানের রাজকন্যেকে আমার নামটা বোলো কিন্তু দোস্ত! বোলো, এটা ওয়ালি … বিস্তারিত পড়ুন

কিছু না কিছু না-শেষ পর্ব

গল্পের ১ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন। এসব নিয়ে বণিক যখন ওয়ালি দাদের কাছে হাজির হলো, ওস্তাদ তখন ঘরের উঠোনে বসে বাটালি দিয়ে কাঠ চেঁছে সমান করছিল | লটবহর সমেত বণিককে দেখে সে কেঁদেই ফেলল | ‘আমার কপাল পুড়েছে! কবে যে এইসব অনাসৃষ্টি কান্ড বন্ধ হবে!’ তারপর বণিককে ডেকে বলল – ‘তুমি বরং দুটো পছন্দসই … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!