রাজটিকা–চতুর্থ অংশ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘হা তাত, হা পূর্ণেন্দুশেখর! আমি যাহা নই ভাগ্যের বিপাকে গোলেমালে তাহাই প্রতিপন্ন হইলাম।’ পরদিন সাজগোজ করিয়া ঘড়ির চেন ঝুলাইয়া মস্ত একটা পাগড়ি পরিয়া নবেন্দু বাহির হইল। লাবণ্য জিজ্ঞাসা করিল, “যাও কোথায়।” নবেন্দু কহিল, “একটা বিশেষ কাজ আছে—” লাবণ্য কিছু বলিল না। সাহেবের দরজার কাছে কার্ড বাহির করিবামাত্র আরদালি কহিল, “এখন দেখা হইবে না।” নবেন্দু পকেট … বিস্তারিত পড়ুন