সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– অষ্টদশ অংশ

গল্পের ১৭ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমার কথা শুনে সুকুমার উৎসাহিত হয়ে উঠল ; বললে, আমার শোবার ঘরের জানলা থেকে যে শালগাছটা দেখা যায়, বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার মাথাটা আমি দেখতে পাই ; মনে হয়, ও স্বপ্ন দেখছে। শালগাছ স্বপ্ন দেখছে শুনে বোধ হয় বলতে যাচ্ছিলে, কী বোকার মতো কথা। বাধা দিয়ে বলে উঠলুম, … বিস্তারিত পড়ুন

একটি তুলসীগাছের কাহিনী – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ

ধনুকের মতো বাঁকা কংক্রিটের পুলটার পরেই বাড়িটা। দোতলা, উঁচু এবং প্রকাণ্ড বাড়ি। তবে রাস্তা থেকেই সরাসরি দণ্ডায়মান। এদেশে ফুটপাত নাই বলে বাড়িটারও একটু জমি ছাড়ার ভদ্রতার বালাই নাই। তবে সেটা কিন্তু বাইরের চেহারা। কারণ, পেছনে অনেক জায়গা। প্রথমত প্রশস্ত উঠান। তারপর পায়খানা-গোসলখানার পরে আম-জাম-কাঁঠালগাছে ভরা জঙ্গলের মতো জায়গা। সেখানে কড়া সূর্যালোকেও সূর্যাস্তের ম্লান অন্ধকার এবং … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ষষ্ঠ অংশ

গল্পের ৫ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চমকে উঠে কলমের খোঁচায় খানিকটা কাগজ ছিঁড়ে গেল। বললুম, কী হয়েছে, কে তুমি। সে বললে, আমার নাম পাল্লারাম, দিদির বাড়ি থেকে এসেছি, জানতে চাই তোমাদের সে কোথায় গেল। আমি বললুম, আমি কী জানি। পাল্লারাম চোখ পাকিয়ে হাঁক দিয়ে বললে, জান না বটে ! ঐ যে তার তালি – … বিস্তারিত পড়ুন

সিদ্ধি– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

স্বর্গের অধিকারে মানুষ বাধা পাবে না, এই তার পণ। তাই, কঠিন সন্ধানে অমর হবার মন্ত্র সে শিখে নিয়েছে। এখন একলা বনের মধ্যে সেই মন্ত্র সে সাধনা করে। বনের ধারে ছিল এক কাঠকুড়নি মেয়ে। সে মাঝে মাঝে আঁচলে ক’রে তার জন্যে ফল নিয়ে আসে, আর পাতার পাত্রে আনে ঝরনার জল। ক্রমে তপস্যা এত কঠোর হল যে, … বিস্তারিত পড়ুন

সুয়োরানীর সাধ– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সুয়োরানীর বুঝি মরণকাল এল। তার প্রাণ হাঁপিয়ে উঠছে, তার কিছুই ভালো লাগছে না। বদ্দি বড়ি নিয়ে এল। মধু দিয়ে মেড়ে বললে, “খাও।” সে ঠেলে ফেলে দিলে। রাজার কানে খবর গেল। রাজা তাড়াতাড়ি সভা ছেড়ে এল। পাশে বসে জিজ্ঞাসা করলে, “তোমার কী হয়েছে, কী চাই।” সে গুমরে উঠে বললে, “তোমরা সবাই যাও; একবার আমার স্যাঙাৎনিকে ডেকে … বিস্তারিত পড়ুন

স্বর্গ-মর্ত– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

ইন্দ্র। সুরগুরো, একদিন দৈত্যদের হাতে আমরা স্বর্গ হারিয়েছিলুম। তখন দেবে মানবে মিলে আমরা স্বর্গের জন্যে লড়াই করেছি, এবং স্বর্গকে উদ্ধার করেছি, কিন্তু এখন আমাদের বিপদ তার চেয়ে অনেক বেশি। সে কথা চিন্তা করে দেখবেন। বৃহস্পতি। মহেন্দ্র, আপনার কথা আমি ঠিক বুঝতে পারছি নে। স্বর্গের কী বিপদ আশঙ্কা করছেন। ইন্দ্র। স্বর্গ নেই। বৃহস্পতি। নেই? সে কী … বিস্তারিত পড়ুন

ললাটের লিখন– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– প্রথম অংশ

(বাঁশরী) ছেলেবেলায় পৃথ্বীশের ডান দিকের কপালে চোট লেগেছিল ভুরুর মাঝখান থেকে উপর পর্যন্ত । সেই আঘাতে ডান চোখটাও সংকুচিত । পৃথ্বীশকে ভালো দেখতে কি না সেই প্রশ্নের উত্তরটা কাটা দাগের অবিচারে সম্পূর্ণ হতে পারল না । অদৃষ্টের এই লাঞ্ছনাকে এত দিন থেকে প্রকাশ্যে পৃথ্বীশ বহন করে আসছে তবুও দাগও যেমন মেলায় নি তেমনি ঘোচে নি … বিস্তারিত পড়ুন

ললাটের লিখন– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– দ্বিতীয় অংশ

“ ওটা তো খাঁটি লেখকের লেখা নয় । ভিস্তির জলকে ঝরনার জল বলে না । সমাজের আবর্জনা ঝাঁটাবার জন্যে কোমর বেঁধেছিলে । আন্দাজে চলে না ও কাজ । আবর্জনাও সত্য হওয়া চাই আর ঝাঁটা-গাছটাও , সঙ্গে চাই ব্যবসায়ীর হাতটা । ” পৃথ্বীশ যখন একটা ঝকঝকে জবাবের জন্যে মনের মধ্যে হাতড়াচ্ছে এমন সময় বাঁশরি বললে , … বিস্তারিত পড়ুন

ললাটের লিখন– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– তৃতীয় অংশ

রকম আবিষ্ট অবস্থায় পৃথ্বীশের মুখের ভঙ্গি বাঁশরি সইতে পারত না । নিজেকে সামলে নিয়ে বললে , “ সস্তা মিষ্টান্নের কারবার শুরু করতে আজ ডাকি নি তোমাকে । সত্যি করে দেখতে শেখো , তার পরে সত্যি করে লিখতে শিখতে পারবে । অনেক মানুষ অনেক অমানুষ আছে চারি দিকে , ঠাহর করলেই চোখে পড়বে । ” “ … বিস্তারিত পড়ুন

ললাটের লিখন– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– চতুর্থ অংশ

ভ্রমণ করতে যায় দূর প্রদেশে , দেখা যায় সব জায়গাতেই ওর পরিচিত ভক্ত , তাদের ভাষাও ওর জানা । সুষমা যখন প্রথম কলেজে প্রবেশ করেছে তখন মুক্তারামের কাছে ওর পাঠ আরম্ভ । বাঁধা পাঠ্য বইটাকে গৌণ করে শিক্ষক পড়িয়েছে আপন মত অনুসারে নানা বিষয়ের বই । ছুটির সময় যথাযোগ্য স্থানে নিয়ে গিয়ে ওকে ছুরি খেলতে … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!