সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ত্রেয়দশ অংশ

গল্পের ১২ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চোখ বোজবার দরকার করে না আমার। স্পষ্টই জানতে পারছি, তুমি খুব উড়ছ, পক্ষীরাজের ডানা মেঘের মধ্যে হারিয়ে গেছে। আচ্ছা, দাদামশায়, আমার ঘোড়াটার একটা নাম দিয়ে দাও তো। আমি বললুম, ছত্রপতি। নামটা পছন্দ হল। রাজপুত্তুর ছাতার পিঠ চাপ্‌ড়িয়ে বললে, ছত্রপতি ! নিজেই ঘোড়ার হয়ে তার জবাব দিলে, আজ্ঞে ! … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– চর্তদশ অংশ

গল্পের ১৩ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন ঝগড়ুকে বললেম, কোথায় আছে সেই বাঁদরটা। যেখানে পাও বোলাও উস্‌কো। এল সে তার কাঁটাওয়ালা মোটা গোলাপের গুঁড়ির লাঠিখানা ঠক্‌ঠক্‌ করতে করতে। মালকোঁচা – মারা ধুতি, চাদরখানা জড়ানো কোমরে, হাঁটু পর্যন্ত কালো পশমের মোটা মোজা, লাল ডোরা – কাটা জামার উপর হাতাহীন বিলিতি ওয়েস্টকোট সবুজ বনাতের, সাদা রোঁয়াওয়ালা রাশিয়ান … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– পঞ্চদশ অংশ

গল্পের ১৪ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন লাগছে বৈকি। একেবারে দুম্‌দাম্‌ শব্দে লাগছে। সৃষ্টির সর্বপ্রধান পর্বে বেসুরেরই রাজত্ব, এ কথাটা বুঝতে পেরেছ তো? বুঝিয়ে দাও – না। তরল জলের কোমল একাধিপত্যকে ঢুঁ মেরে, গুঁতো মেরে, লাথি মেরে, কিল মেরে, ঘুষো মেরে, ধাক্কা মেরে, উঠে পড়তে লাগল ডাঙা তার পাথুরে নেড়া মুণ্ডুগুলো তুলে। ভূলোকের ইতিহাসে এইটেকেই … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ষোড়শ অংশ

গল্পের ১৫ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন মনে করো, আমাদের মাস্টারমশায়। তিনি অদ্ভুত ছিলেন, কিন্তু খাঁটি অদ্ভুত। তাই তাঁকে এত ভালো লাগত। আচ্ছা, তাঁর কথাটা একটু ধরিয়ে দাও – না। আজও তাঁর মুখখানা স্পষ্ট মনে পড়ে। ক্লাসে বসতেন যেন আলগোছে, বইগুলো ছিল কণ্ঠস্থ। উপরের দিকে তাকিয়ে পাঠ বলে যেতেন, কথাগুলো যেন সদ্য ঝরে পড়ছে আকাশ … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– সপ্তদশ অংশ

গল্পের ১৬ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গান হবে রঙের সংগত। বড়ো সহজ হবে না। তান যখন ঠিকরে পড়তে থাকবে, ঝলক মারবে আকাশের দিকে দিকে। তখনকার তানসেনরা দিগন্তে অরোরা বোরিয়ালিস বানিয়ে দেবে। আর, তোমার গদ্যকাব্য কী হবে বলো তো। তাতে লোহার ইলেক্‌ট্রন্ও মিশবে, আবার সোনারও। সেদিনকার দিদিমা পছন্দ করবে না। আমার ভরসা আছে সেদিনকার আধুনিক … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– অষ্টদশ অংশ

গল্পের ১৭ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন আমার কথা শুনে সুকুমার উৎসাহিত হয়ে উঠল ; বললে, আমার শোবার ঘরের জানলা থেকে যে শালগাছটা দেখা যায়, বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার মাথাটা আমি দেখতে পাই ; মনে হয়, ও স্বপ্ন দেখছে। শালগাছ স্বপ্ন দেখছে শুনে বোধ হয় বলতে যাচ্ছিলে, কী বোকার মতো কথা। বাধা দিয়ে বলে উঠলুম, … বিস্তারিত পড়ুন

একটি তুলসীগাছের কাহিনী – সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ

ধনুকের মতো বাঁকা কংক্রিটের পুলটার পরেই বাড়িটা। দোতলা, উঁচু এবং প্রকাণ্ড বাড়ি। তবে রাস্তা থেকেই সরাসরি দণ্ডায়মান। এদেশে ফুটপাত নাই বলে বাড়িটারও একটু জমি ছাড়ার ভদ্রতার বালাই নাই। তবে সেটা কিন্তু বাইরের চেহারা। কারণ, পেছনে অনেক জায়গা। প্রথমত প্রশস্ত উঠান। তারপর পায়খানা-গোসলখানার পরে আম-জাম-কাঁঠালগাছে ভরা জঙ্গলের মতো জায়গা। সেখানে কড়া সূর্যালোকেও সূর্যাস্তের ম্লান অন্ধকার এবং … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– ষষ্ঠ অংশ

গল্পের ৫ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন চমকে উঠে কলমের খোঁচায় খানিকটা কাগজ ছিঁড়ে গেল। বললুম, কী হয়েছে, কে তুমি। সে বললে, আমার নাম পাল্লারাম, দিদির বাড়ি থেকে এসেছি, জানতে চাই তোমাদের সে কোথায় গেল। আমি বললুম, আমি কী জানি। পাল্লারাম চোখ পাকিয়ে হাঁক দিয়ে বললে, জান না বটে ! ঐ যে তার তালি – … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– সপ্তম অংশ

গল্পের ৬ষ্ঠ অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন পুপুদিদি বললে, দাদামশায়, ওদের দুজনের বিয়ে হল কি না বললে না তো কিছু। বুঝলুম, বিয়ে হওয়াটা জরুর দরকার। বললুম, বিয়ে না হয়ে কি রক্ষা আছে। তার পরে তোমার সঙ্গে ওদের দেখা হয়েছে কি। হয়েছে বৈকি। তখন ভোর সাড়ে চারটে, রাস্তার গ্যাস নেবে নি। দেখলুম, নতুন বউ তার বরকে … বিস্তারিত পড়ুন

সে — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর– অষ্টম অংশ

গল্পের ৭ম অংশ পড়তে এখানে ক্লিক করুন গন্ধে শেয়ালগুলো পর্যন্ত দিনের বেলা হাঁক ছেড়ে ডাকতে আরম্ভ করে নির্ভয়ে, লোভে কি ক্ষোভে জানি নে। কাকগুলো জমির উপর ঠোঁট গুঁজে দিয়ে মরিয়া হয়ে পাখা ঝাপটায় তিন ঘণ্টা ধরে। এ তো গেল তরকারি। আর, জালা জালা ভর্তি ছিল কাঙ্‌চুটোর সাঙ্‌চানি। সে দেশের পাকা পাকা আঁক্‌সুটো ফলের ছোবড়া – … বিস্তারিত পড়ুন

দুঃখিত!